Saturday, July 11, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

গুজরাতের বিমান দুর্ঘটনায় মৃত দুই শতাধিক?‌ শোকপ্রকাশ সর্বস্তর থেকে!‌বিমানবন্দরের কাছেই কলেজ হস্টেলের উপর ভেঙে পড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার এআই-১৭১ বিমান!‌

গুজরাতের বিমান দুর্ঘটনা। ওড়ার পরমুহূর্তে অন্তত ২৪২ জন যাত্রীকে নিয়ে ভেঙে পড়েছে এয়ার ইন্ডিয়ার ড্রিমলাইনার ৭৮৭ বোয়িং বিমান। বৃহস্পতি দুপুরে আহমদাবাদ যাত্রা শুরুর কিছু ক্ষণের মধ্যে বিমানবন্দরের কাছেই ভেঙে পড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার এআই-১৭১ বিমানটি। বিমানটি লন্ডনের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল বলে খবর। সেই ঘটনার বেশ কয়েকটি ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, কী ভাবে বিমানবন্দর থেকে যাত্রা শুরুর কিছু ক্ষণের মধ্যে লোকালয়ে ভেঙে পড়ে বিমানটি। ভারতের বিমানযাত্রার ইতিহাসে সবচেয়ে কালো দিন! ভয়ংকর বিমান দুর্ঘটনার দৃশ্য মর্মান্তিক। নির্মম বাস্তব। পাঁচ মিনিট আগে যে মানুষগুলো ঝলমলে মন নিয়ে বিমানে চড়েছিলেন, পাঁচ মিনিট পরে ঝলসানো দেহ, কাটা মুন্ডু, হাত-পা ছিন্নভিন্ন অবস্থায় মিলল মেঘানি নগরের বিজে মেডিকেল কলেজের ইউজি হস্টেলের মেসের আশপাশের চত্বরে! টেক অফের মাত্র পাঁচ মিনিট পরেই মেডিক্যাল কলেজের হস্টেলের ছাদে আছড়ে পড়ে বিমানটি। মুহূর্তে ভয়ংকর বিস্ফোরণ। বিমানে থাকা ২৪২ জনেরই মৃত্যু নিশ্চিত করেছে আহমেদাবাদে প্রশাসন। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, বিমানটি লোকালয়ের উপর দিয়ে স্বাভাবিকভাবেই উড়ে যাচ্ছে। আচমকাই সেটি নিচে নামতে শুরু করে। এরপরেই মেঘানি নগরের বিজে মেডিকেল কলেজের ইউজি হস্টেলের মেসের কাছে ভেঙে পড়ে। দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে আগুন। কালো ধোয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। একাধিক ভিডিও ও ছবিতে দেখা গিয়েছে মেডিক্যাল কলেজের ছাদের উপরে বিমানের লেজের একাংশ। দুর্ঘটনাস্থল জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বিমানের ধ্বংসাবশেষ। বিমানে থাকা যাত্রীদের দেহাংশ দেখা গিয়েছে। কার্যত নরকে পরিণত মেঘানি নগর নামের নিরীহ এলাকাটি। দ্রুত শুরু হয় উদ্ধারকাজ। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ, দমকল ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা। ঘটনাস্থলে যায় দমকলের অনেকগুলি ইঞ্জিন। উদ্ধারকাজের সুবিধার জন্য দুর্ঘটনাস্থলের আশপাশের সমস্ত রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। আহমেদাবাদে বিমান দুর্ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “আহমেদাবাদের ঘটনায় আমি বিধ্বস্ত, অত্যন্ত ব্যথিত। আমি মন্ত্রী এবং সমস্ত প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি।” শোক জ্ঞাপন করে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ঘটনা। দুর্ঘটনাগ্রস্তদের পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। এই কঠিন সময়ে গোটা দেশ তাঁদের পাশে রয়েছেন।” এক্স হ্যান্ডেলে মমতা লেখেন, ‘আহমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার ভয়াবহতম দুর্ঘটনার খবরে শোকাহত এবং স্তম্ভিত। এটা অত্যন্ত দুঃখের ঘটনা। দুর্ঘটনাগ্রস্তদের পরিবারের পাশে আছি। তাঁদের সমবেদনা জানাই। যদিও সকলের জীবিত থাকার খবরের আশায় রয়েছি। বিমানের সকলের জীবিত থাকার প্রার্থনা করছি। দুর্ঘটনার খবরে আমার অন্তরাত্মা পর্যন্ত কেঁপে গিয়েছে। যদিও হতাহতের স্পষ্ট খবর নেই। এই মুহূর্তে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করা ছাড়া আর কিছু করার নেই।” শোকপ্রকাশ করে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় লেখেন, ‘আহমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়া বিমানের মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আমি গভীরভাবে শোকাহত। এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় যারা প্রিয়জনকে হারিয়েছে তাদের পরিবারের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা। এই ট্র্যাজেডির কারণ জানতে সরকার কর্তৃক একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ এবং স্বচ্ছ তদন্ত করা উচিত। আহতদের দ্রুত সুস্থতা ও শোকগ্রস্থদের এই বিশাল ক্ষতি মোকাবিলা করার শক্তি কামনা করছি।’ শোকপ্রকাশ করে অসামরিক বিমানমন্ত্রী রামমোহন নাইডু কিনজাপুরা জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ামাত্র তিনি ব্যক্তিগতভাবে বিষয়টি দেখছেন। বিমানমন্ত্রক এবং অন্যান্য জরুরিকালীন পরিষেবার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। উদ্ধারকারী দল এবং মেডিক্যাল টিম পৌঁছে গিয়েছে ঘটনাস্থলে। যথাযথ পদক্ষেপ করা হচ্ছে বলে আশ্বাস দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবও শোকস্তব্ধ। এই পরিস্থিতিতে ভারতের পাশে দাঁড়াচ্ছে রাশিয়া, চিন, ফ্রান্সের মতো দেশগুলি। জার্মানির বিদেশমন্ত্রী জোহান ওয়াদেফুল জানিয়েছেন, বিমান দুর্ঘটনার ভয়াবহ ছবি দেখে শোকাহত জার্মানি। ভারতের মানুষদের জন্য প্রার্থনা করে তিনি লিখেছেন, ‘আমরা দেখেছি আহমেদাবাদ থেকে উড়ানের পর এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটির ভেঙে পড়ার ছবি। যেহেতু এখনও আমরা বিস্তারিত বিবরণ পাইনি, আমার ভাবনা ও হৃদয়ের আর্তি মাখা প্রার্থনা রয়েছে আমাদের ভারতীয় বন্ধুদের জন্য যাঁরা নিজেদের আপনজনদের নিরাপত্তার জন্য আশান্বিত।’ ভারতে নিযুক্ত চিনা রাষ্ট্রদূত জু ফেইহংও বেজিংয়ের তরফে দুর্ঘটনা নিয়ে শোকবার্তা জানিয়েছেন। তিনি এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘আহমেদাবাদের মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় গভীর মর্মাহত। দুর্ঘটনাগ্রস্ত যাত্রী ও তাঁদের পরিবারের পাশে আমাদের হৃদয়ের সমবেদনা রয়েছে। এই কঠিন সময়ে যাঁরা আক্রান্ত তাঁদের সঙ্গেই রয়েছি আমরা।’ ভারতে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত থিয়েরি ম্যাথিউ এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘আহমেদাবাদের বিমান দুর্ঘটনার খবরে মর্মাহত ফ্রান্স। আক্রান্ত ও তাঁদের প্রিয়জনদের পাশে রয়েছি আমরা।’ ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি এক্স হ্যান্ডলে শোকবার্তা জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘ভারতে যাত্রীবাহী বিমান দুর্ঘটনার ভয়াবহ খবর পেয়েছি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ভারতের সমস্ত নাগরিককে এই শোকের দিনে আমার গভীর সমবেদনা।’

আহমদাবাদ বিমানবন্দরের কাছে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটি ভেঙে পড়েছে। গুজরাতের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপাণীর নাম বিমানের যাত্রীদের তালিকায় ছিল। ঘনিষ্ঠ প্রশান্ত ভালা জানিয়েছেন, তিনি বিজয়কে বিমানবন্দরে পৌঁছে দিয়ে এসেছেন। ওই বিমানে লন্ডনে যাওয়ার কথা ছিল। যাত্রীদের বিমান পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার বাসেও উঠেছিলেন বিজয়। আহমেদাবাদের ভয়ংকর বিমান দুর্ঘটনার ভিডিও ফুটেজ দেখার পর সকলেরই ধারণা ছিল কেউই বেঁচে নেই। অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রীর দাবিও ছিল তেমনই। কিন্তু অবশেষে জানা গিয়েছে, একজন যাত্রী ভয়াবহ দুর্ঘটনার মৃত্যুকবল থেকে বেঁচে ফিরেছেন। ১১এ আসনের ওই যাত্রীর নাম বিশ্বকুমার রমেশ। হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এক ভিডিওয় দেখা গিয়েছে ৩৮ বছরের যুবক হেঁটে হেঁটেই অ্যাম্বুল্যান্সে উঠছেন। আশপাশে দাঁড়িয়ে থাকা অনেকেই বিমানের বাকিদের কী অবস্থা, তা জানতে চাইছিলেন। আহমেদাবাদের পুলিশ কমিশনার জি এস মালিক জানান, ”পুলিশ ১১এ আসনের একজনকে উদ্ধার করেছে। কতজনের মৃত্যু হয়েছে এখনই কিছু বলতে পারছি না। যেহেতু জনবসতিপূর্ণ এলাকায় বিমানটি ভেঙে পড়েছে, তাই মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।” টেক অফের ঠিক পাঁচ মিনিটের মধ্যে ভেঙে পড়ল এয়ার ইন্ডিয়ার যাত্রীবাহী বিমান। মোট ২৪৪ জনকে নিয়ে আহমেদাবাদ থেকে ইংল্যান্ডের গ্যাটউইকগামী বিমান টেক অফের কিছুক্ষণের মধ্যেই ভেঙে পড়ে। মেঘানিনগরের বিজে মেডিক্যাল কলেজের ক্যান্টিনের উপর ভেঙে পড়ে AI171 নামের এয়ারবাসটি। এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার এয়ারবাস উড়ানের জন্য যথেষ্ট নিরাপদ। ২০১১ সাল থেকে যাত্রা শুরুর পর এ যাবৎ এই বিমানটি কোথাও দুর্ঘটনার কবলে পড়েনি। তাহলে এই দুর্ঘটনা ঘটল কীভাবে? বিমানের ইঞ্জিনে যান্ত্রিক গোলযোগ?‌ কোনও কোনও বিশেষজ্ঞের ধারণা, ওড়ার পর যে কোনও কারণেই হোক, যে উচ্চতায় বিমানটি ওড়ার কথা ছিল, সেই উচ্চতায় সেটি ওঠেনি। বিমানটি পাখির সঙ্গে ধাক্কা খেতেও পারে।

দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানটি অহমদাবাদের টার্মিনাল ২ থেকে ছেড়েছিল। ৯ ঘণ্টা ৪৫ মিনিটের উড়ান শেষে নামার কথা ছিল গ্যাটউইকে। লন্ডন থেকে দু’ঘণ্টার সড়ক দূরত্বে এই বিমানবন্দর। এয়ার ইন্ডিয়ার তরফে জানানো হয়েছে, এআই১৭১ বিমানটি বৃহস্পতিবার দুপুরে অহমদাবাদ থেকে লন্ডন গ্যাটউইকের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। বোয়িং সংস্থার বি৭৮৭ ড্রিমলাইনার বিমান ছিল। এই ধরনের একটি বিমানে সর্বোচ্চ ২৯০ থেকে ৩০০ জন যাত্রী থাকতে পারেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, অহমদাবাদের বিমানবন্দর থেকে ওড়ার কিছু ক্ষণের মধ্যেই বিমানটি ভেঙে পড়ে। বিমানবন্দরের কাছে লোকলয়ে পড়ার পর বিমানে আগুন ধরে যায়। বিস্তীর্ণ অংশ ঢেকে যায় কালো ধোঁয়ায়। মনে করা হচ্ছে, বিমানটিতে ২০০-র বেশি যাত্রী ছিলেন। এখনও যাত্রী সংখ্যা নিশ্চিত করা যায়নি। ২০১৬ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন বিজয়। রাজকোট পশ্চিমের বিধায়কও ছিলেন। আহমেদাবাদের ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনাই এই মুহূর্তে সকলের আলোচনার কেন্দ্রে। মোট ২৪৪ জনকে নিয়ে আহমেদাবাদ থেকে ইংল্যান্ডের গ্যাটউইকগামী বিমান টেক অফের কিছুক্ষণের মধ্যেই ভেঙে পড়ে। তা মেঘানিনগরের বিজে মেডিক্যাল কলেজের ক্যান্টিনের উপর ভেঙে পড়ায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত কলেজও। বিমানযাত্রীদের পাশাপাশি মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়াদেরও মৃত্যুর আশঙ্কা। হাসপাতাল সূত্রে খবর, ১৩৩ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। তবে বেসরকারি সূত্রে খবর, বিমানের ২৪৪ জনেরই মৃত্যুর আশঙ্কা।

এই দুর্ঘটনার নেপথ্য কারণ হিসেবে একাধিক বিষয় উঠে আসছে তদন্তের আওতায়। পাইলটদের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। অথচ জানা যাচ্ছে, বিমানচালক সুমিত সভরওয়াল এবং সহকারী চালক ক্লাইভ কুন্দার দু’জনই বিপুল অভিজ্ঞতাসম্পন্ন। বিমান ওড়ানোর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তা সত্ত্বেও সংকটকালে শেষরক্ষা হল না তাঁদের। আহমেদাবাদে অভিশপ্ত এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৮৭ বিমানটি চালাচ্ছিলেন ক্যাপ্টেন সুমিত সভরওয়াল। তাঁর সহকারী ছিলেন ক্লাইভ কুন্দার। সুমিত লাইন ট্রেনিং পাইলট। কেরিয়ারে ৮২০০ ঘণ্টা বিমান চালানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে। আর সহকারী ক্লাইভ ১১০০ ঘণ্টা কাটিয়েছেন কো-পাইলট হিসেবে। দক্ষতার বিচারে এই পরিসংখ্যান যথেষ্ট উজ্জ্বল। আর সেই কারণেই বোধহয় বিমানটি টেক অফের পরই ইঞ্জিনে গন্ডগোলের আভাস পেয়েই এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল বা এটিসি-র যোগাযোগ করেন ক্যাপ্টেন সুমিত। পাশাপাশি নিজেও বারবার বিমানটিকে ফের অবতরণ করানোর চেষ্টা করেছিলেন। পরবর্তীতে এটিসি-র সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বিমানটি নিরাপদে অবতরণের বদলে প্রায় ৬০০ ফুট উপর থেকে ভেঙে পড়ে। বিমান দুর্ঘটনা সাম্প্রতিককালে দেশের সবচেয়ে ভয়াবহ। এখনও পর্যন্ত বেসরকারি সূত্র অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা ২৬৪। তবে সরকারি সূত্রে এখনও ঠিক কতজনের মৃত্যু হয়েছে, জানা যায়নি। সংখ্যা যাই হোক, দেশের বিমান দুর্ঘটনার ইতিহাসে ১২ জুন, ২০২৫ দিনটি ‘কালো দিন’।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles