জামাইষষ্ঠী। শ্রীরামপুরের টাউন হলে মোহনবাগান সস্যদের ভিড়। তিলধারণের জায়গা নেই। সামনেই মোহনবাগানের নির্বাচন। চলছে প্রচার। রবিবার সৃঞ্জয় বোসের সমর্থনে শ্রীরামপুরের টাউন হলে মোহনবাগান সদস্যদের উপস্থিতি। বাইরেও ছিলেন অনেক সদস্য। ২৫২ জন মোহনবাগান সদস্য উপস্থিত। টাউন হলের বাইরেও ছিলেন অনেক সদস্য। সবাই হুগলি জেলার। বিশেষ দিনে নির্বাচনী প্রচার। ব্যস্ততা তুঙ্গে। প্রথমে বেহালা পরে শ্রীরামপুর। নির্বাচনী প্রচারে জমসমাগমে রসিকতার করে সৃঞ্জয় বলেন, ‘আজ নিশ্চয় শাশুড়ি বা স্ত্রীরা আমাকে অভিশাপ দিচ্ছেন। সদস্যরা তাঁদের সমস্যা যাতে জানাতে পারেন, তার জন্য বিশেষ হোয়াটস্যাপ নম্বর করবো। সব সমস্যার সমাধান আমার একার পক্ষে করা হয়তো সম্ভব হবে না। তবে আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, ফিরে এলে আমি চেষ্টা করবো। আমাকেই ভোট দেবেন একথা বলছি না। আপনারা বিবেচনা করে ভোট দেবেন। নিজেদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করবেন না। পারস্পরিক কাদা ছোড়াছুড়ি নয়, মোহনবাগানের নির্বাচনে যাঁরা লড়বেন, তাঁরা যেন ভ্রাতৃত্বের পরিচয় দেন। যাঁরা একে অপরের বিরুদ্ধে নির্বাচনে লড়বেন, তাঁরাই যেন আগামিদিনে সল্টলেক স্টেডিয়ামে ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে আবার একসঙ্গে শূন্যে ঘুসি ছুঁড়তে পারেন। এটাই মোহনবাগানের সংস্কৃতি।’
সুবীর মুখোপাধ্যায় ও সন্তোষ কুমার সিং ছিলেন এদিনের সভার যুগ্ম আহ্বায়ক। প্রাক্তন ফুটবলার কম্পটন দত্ত, শিশির ঘোষ, শিল্টন পাল উপস্থিত ছিলেন এদিনের অনুষ্ঠানে। উপস্থিত ছিলেন অর্জুন পুরস্কার প্রাপ্ত অ্যাথলিট সোমা বিশ্বাস, চাপদানির বিধায়ক অরিন্দম গুই এবং শ্রীরামপুর পুরসভার চেয়ারম্যান। মোহনবাগানের অ্যাথলেটিক্স সচিব দেবাশিস মিত্র বলেন, টুটুবাবুর জন্যই আই লিগ ট্রফি প্রথমবার কলকাতার বাইরে হুগলি জেলায় আনা হয়েছিল ২০২১ সালের নভেম্বরে। আগামিদিনে আরও বৃহত্তর কিছু ভাবনাচিন্তা আমাদের রয়েছে।




