RK NEWZ তিন ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট বাংলার। রঞ্জি ট্রফির এলিট গ্রুপ সি-তে সকলের উপরে লক্ষ্মীর ছেলেরা। এ বারও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন দেখাচ্ছে বাংলা। কেরলের পক্ষে যে এই ম্যাচ বাঁচানো সম্ভব নয় তা নিশ্চিত ছিল। প্রশ্ন ছিল, বাংলা কত তাড়াতাড়ি খেলা শেষ করতে পারবে। বেশি ক্ষণ সময় লাগল না। ১২০ রানে অল আউট হয়ে গেল কেরল। চতুর্থ দিন ঘণ্টা দেড়েকের মধ্যেই কেরলের বাকি ৬ উইকেট ফেলে দিল বাংলা। ২৮৭ রানে জিতল তারা। চলতি রঞ্জির গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচের তিনটিই জিতল বাংলা। লক্ষ্মীরতন শুক্লের ছেলেরা বুঝিয়ে দিচ্ছেন, এ বার কতটা তৈরি হয়ে নেমেছেন। তৃতীয় দিনের শেষে কেরলের রান ছিল ৪ উইকেটে ৫৩। জিততে তাদের দরকার ছিল আরও ৩৫৫ রান। বাংলার দরকার ছিল ৬ উইকেট। কেরলের পক্ষে যে এই ম্যাচ বাঁচানো সম্ভব নয় তা নিশ্চিত ছিল। প্রশ্ন ছিল, বাংলা কত তাড়াতাড়ি খেলা শেষ করতে পারবে। বেশি ক্ষণ সময় লাগল না। ১২০ রানে অল আউট হয়ে গেল কেরল। দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলার দুই স্পিনার প্রদীপ্ত প্রামাণিক ও শাহবাজ় আহমেদ দাপট দেখালেন। ১০ উইকেটের মধ্যে ৬টি নিলেন প্রদীপ্ত। ২টি শাহবাজ়। তৃতীয় দিনই ৪ উইকেট নিয়েছিলেন প্রদীপ্ত। চতুর্থ দিন সকালে নিলেন আরও ২টি। শাহবাজ়ের ২ উইকেটও এল এ দিন। বাকি ২ উইকেট মহম্মদ শামির। স্পিন সহায়ক পিচেও নজর কাড়লেন বাংলার অভিজ্ঞ এই পেসার। দুই ইনিংস মিলিয়ে ৫ উইকেট নিলেন তিনি।

প্রথম ইনিংসেই জয়ের ভিত গড়ে নিয়েছিল বাংলা। ব্যাট করতে নেমে ৩৫০ রান করেছিল তারা। শাহবাজ ১২১ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। জবাবে কেরল প্রথম ইনিংসে ১৪১ রানে অল আউট হয়ে যায়। বাংলা-কেরল ম্যাচের তৃতীয় দিন পড়ে ২০ উইকেট। দ্বিতীয় দিনের শেষে কেরলের প্রথম ইনিংসের রান ছিল ৬ উইকেটে ১০১। ৫ রানে অপরাজিত থাকা মহম্মদ আজহারউদ্দিন শেষ পর্যন্ত ৩০ রানে অপরাজিত থাকেন। কেরলের বাকি আর কেউ উইকেটে দাঁড়াতে পারেননি। ১৪১ রানে শেষ হয়ে যায় কেরলের প্রথম ইনিংস। ৪৪ রানে ৪ উইকেট নেন প্রদীপ্ত। ৩৫ রানে ৩ উইকেট মহম্মদ শামির। ২২ রান ২ উইকেট শাহবাজ আহমেদের। ২০৯ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামেন অভিমন্যু ঈশ্বরণেরা। ওপেন করতে নেমে অধিনায়ক ঈশ্বরণ করেন ৪৭। এ ছাড়া বলার মতো রান করেন সুদীপ চট্টোপাধ্যায় (৩৪), অভিষেক পোড়েল (২১), শাহবাজ় (২০) এবং শামি (২৬)। বাংলার দ্বিতীয় ইনিংস শেষ হয় ১৯৮ রানে। ৭০ রানে ৫ উইকেট নেন অভিজ্ঞ জলজ সাক্সেনা। ৭২ রানে ৩ উইকেট আদিত্য সারওয়াতে। ২৫ রানে ২ উইকেট নেন নেডুমানকুঝি বাসিল। চতুর্থ ইনিংসে কেরলের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪০৮। সেই রান তাড়া করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে কেরল। ১২০ রানে গোটা দল আউট হয়ে যায়। দুই ইনিংস মিলিয়ে প্রদীপ্ত ১০ উইকেট নিলেও ব্যাটে-বলে দাপট দেখিয়ে ম্যাচের সেরা শাহবাজ।





