মরসুমের আইপিএলের দিনক্ষণ এখনও ঘোষণা হয়নি। তবে ২০২৪-এ আইপিএলের দিনক্ষণ ঘোষণার সময়েই বোর্ড জানিয়েছিল, পরের তিন বছর ১৪ মার্চ থেকে ৩০ মে-র মধ্যে আইপিএল আয়োজন করা হবে। ফলে আগামী বছরও সেই সময়ের মধ্যে আইপিএল হতে পারে। যদিও এ বছরের সেপ্টেম্বরে বোর্ডের একটি সভার পর সচিব দেবজিৎ শইকীয়া জানিয়েছিলেন, মার্চের শেষের দিকে শুরু হতে পারে ২০২৭-এর আইপিএল। আইপিএলের বর্তমান চক্রে এটিই শেষ মিনি নিলাম। ২০২৮-এর আইপিএলের আগে মহানিলাম আয়োজন করা হবে। তার সঙ্গেই শুরু হবে আইপিএলের নতুন চক্র। আইপিএলের মিনি নিলামের দিন চূড়ান্ত হয়ে গেল। আগামী ১৬ ডিসেম্বর, গোয়ায় আইপিএলের মিনি নিলাম আয়োজিত হবে। একই দিনে ভারত বনাম শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় এক দিনের ম্যাচ রয়েছে বেঙ্গালুরুতে। তার কয়েকশো কিলোমিটার দূরে ক্রিকেটারদের কেনাবেচার প্রক্রিয়া চলবে। বোর্ডের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা সময়ের অপেক্ষা। কোন দল কোন ক্রিকেটারদের ধরে রাখছে, তার তালিকা জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৫ নভেম্বর। অর্থাৎ নিলামের ঠিক এক মাস আগে। তার পরেই আইপিএলের তরফে সেই ক্রিকেটারদের তালিকা প্রতিটি দলকে পাঠিয়ে দেওয়া হবে, যাঁরা ১৬ নভেম্বর নিলামে উঠবেন। আইপিএলের ‘ট্রেড উইন্ডো’ চালু হওয়ার পর মাত্র দু’জন ক্রিকেটারের দল বদল হয়েছে। আইপিএলের নিয়ম অনুযায়ী, একটি মরসুম শেষ হওয়ার এক মাস পর থেকে নিলামের এক সপ্তাহ আগে পর্যন্ত ‘ট্রেড উইন্ডো’ খোলা থাকে। নিলামের পর থেকে পরের মরসুম শুরু হওয়ার এক মাস আগে পর্যন্ত ‘ট্রেড উইন্ডো’ চালু থাকে। এই সময়ের মধ্যে এক ক্রিকেটার এক দল থেকে অন্য দলে যেতে পারেন। অর্থাৎ নিলামের পরেও দু’দলের মধ্যে ক্রিকেটারদের কেনাবেচা চলতে পারে। গত জুনে লখনউ সুপার জায়ান্টস ১৫ কোটি টাকায় ঋষভ পন্থকে তুলে দিয়েছে দিল্লি ক্যাপিটালসের হাতে। বদলে তারা কিনেছে কুলদীপ যাদবকে। সম্প্রতি টি নটরাজনকে দিল্লি বিক্রি করে দিয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে। বদলে তারা কিনেছে জিশান আনসারিকে।




