RK NEWZ ২০২০ সালে টিটাগড়ে দলীয় কার্যালয়ের সামনে গুলি করে খুন করা হয় বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লকে। ৬ বছরের পুরনো সেই খুনের মামলা নিয়ে হঠাৎ সরব হয়েছেন কৌস্তুভ বাগচী। আঙুল দলেরই একাংশের দিকে। ৬ বছর আগে উত্তর ২৪ পরগনার শিল্পাঞ্চলে এক বিজেপি নেতাকে গুলি করে খুনের মামলাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের মন্ত্রী অর্জুন সিংহকে নিশানা করলেন ওই দলেরই বিধায়ক কৌস্তুভ বাগচী। রবিবার ওই নিয়ে শোরগোল ব্যারাকপুরের রাজনৈতিক মহলে। ব্যারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তুভের হুঁশিয়ারি, ‘প্রয়োজনে’ বিজেপির রাজ্য দফতরের সামনে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যা করবেন তিনি। নিহত বিজেপি নেতার বাবা পাল্টা একহাত নিয়েছেন কৌস্তুভকেই। ২০২০ সালে টিটাগড়ে দলীয় কার্যালয়ের সামনে গুলি করে খুন করা হয় বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লকে। সেই খুনের মামলা নিয়ে হঠাৎ সরব হয়েছেন কৌস্তুভ। তাঁর দাবি, মামলাটি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নতুন করে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করতে উদ্যোগী হচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী থেকে মুখ্যসচিব, সিআইডি-র ডিজি এবং ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনারকে চিঠি লিখেছেন। কিন্তু তার মধ্যে মণীশের খুনে যাঁদের নাম জড়িয়েছিল, তাঁরা এখন বিজেপিরই ছত্রছায়ায় এসে দাঁড়িয়েছেন। নাম করেই তিনি পরিবহণ মন্ত্রী অর্জুনকে নিশানা করেছেন। একই সঙ্গে প্রাক্তন দুই পুরপ্রধান উত্তম দাস এবং প্রশান্ত চৌধুরীকে বিজেপিতে নেওয়া যাবে না বলে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন কৌস্তুভ।
সাংবাদিক বৈঠক করে কৌস্তুভ অভিযোগ করেন, মণীশের খুনের ঘটনায় যাঁদের নাম জড়িয়েছিল, দুঃখজনক ভাবে তাঁদের সঙ্গে কয়েক জন বিজেপি নেতার ওঠাবসা রয়েছে। অর্জুন-সহ কয়েক জনের একাধিক ছবিও সামনে আনেন তিনি। কৌস্তুভের কথায়, ‘‘আমাদের কিছু লোকের সঙ্গে মণীশ শুক্লর হত্যাকারীদের দেখা যাচ্ছে। এগুলো দেখতে ভাল লাগছে না।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘অর্জুন সিংহের প্রতি আমার ব্যক্তিগত কোনও রাগ নেই। তিনি বড় নেতা। আমাদের অভিভাবক। কিন্তু আপনার সঙ্গে এদের ছবি দেখতে ভাল লাগে?’’ শুধু ওই অভিযোগ করেই ক্ষান্ত হননি বিজেপি বিধায়ক। তাঁর সাফ কথা, কোনও অবস্থাতেই উত্তম এবং প্রশান্তকে বিজেপিতে ঢুকতে দেবেন না। তিনি জানান, এর আগেও রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে দীর্ঘদিন মাথা কামিয়ে রেখেছিলেন। প্রয়োজনে আরও কঠোর পদক্ষেপ করবেন। ‘দরকারে’ বিজেপির রাজ্য দফতরের সামনে আত্মহত্যা করবেন।





