RK NEWZ ‘এখন মুখ ফিরিয়ে থাকার সময় নয়, বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিন।’ উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী ‘মুসলিম ভাই-বোনেদের’ উদ্দেশে বলেছিলেন। নির্বাচনে লড়াইয়ের আগে বেশ খানিকটা ব্যাকফুটে ছিল তৃণমূল কংগ্রেস। উনির্বাচনের লড়াইয়ের আগেই দলের নাম-প্রতীক নিয়ে রীতিমতো কাড়াকাড়ি পড়ে গিয়েছিল দু’পক্ষের মধ্যে। অবশেষে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে জোড়াফুল প্রতীক হাতছাড়া হতেই উপনির্বাচনের ময়দানে নামে মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস ও ঋতশিবিরের ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেস। শেষ মুহূর্তে মমতার নন্দীগ্রামের প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্য়াহার, কংগ্রেসকে সমর্থনে, সব মিলিয়ে ঘেঁটে ঘ মমতার দল দুই কেন্দ্রেই জামানত জব্দ হওয়ার পথে। উল্লেখযোগ্যভাবে, লড়াইয়ের ময়দানে নিজের শক্তি বাড়িয়ে সামনের সারিতে উঠে এসেছে হাতশিবির। অন্যদিকে উপনির্বাচনে জনতার রায়ে বাম-আইএসএফেও নাম-নিশান প্রায় মুছতে বসেছে। নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ জানিয়েছেন, “জনতার রায়ে আনন্দিত হলেও বুকে হাহাকার রয়েছে। মানুষ যদি বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দেন, শুভেন্দু অধিকারীও উন্নয়নের ধারা বজায় রাখবেন। অবলুপ্তির পথে বিরোধীরা।” হম্বিতম্বি-রোয়াব-মস্তানির দিন শেষ। মুসলিম অধ্যুষিত রেজিনগরে দাঁড়িয়ে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। ওই কেন্দ্রে উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়ে তিনি ‘মুসলিম ভাই-বোনেদের’ উদ্দেশে তিনি বলেছিলেন, “এখন মুখ ফিরিয়ে থাকার সময় নয়, বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিন।” ‘বন্ধু’ শুভেন্দুর সেই কথা রেজিনগর যে মাথায় রেখেছে, সেই কেন্দ্রের ভোটবাক্সই তার প্রমাণ। প্রথম রাউন্ড গণনা থেকে রেজিনগরে এগিয়ে বিজেপি। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ধারপাশে ঘেঁষতে পারেনি কেউ। রেজিনগরে অষ্টম রাউন্ড শেষে বিজেপির শাখারভ সরকার এগিয়ে রয়েছেন ৬৯ হাজার ৪৯৮ ভোটে। রেজিনগরে দ্বিতীয় স্থানে হুমায়ুনের দল আমজনতা উন্নয়ন পার্টি, তৃতীয় স্থানে কংগ্রেস, চতুর্থ মমতা তৃণমূল, পঞ্চম সিপিএম, ষষ্ঠ স্থানে গণতান্ত্রিক তৃণমূল। ধরাছোঁয়ার বাইরে নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ। নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে পঞ্চম রাউন্ড গণনার শেষে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ ৪১৫০০ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। দ্বিতীয় স্থানে কংগ্রেস, তৃতীয় স্থানে সিপিআই, চতুর্থ স্থানে আইএসএফ, পঞ্চম স্থানে গণতান্ত্রিক তৃণমূল।




