Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

দুর্গাপুজোয় ‘ভিলেন’ হবে বৃষ্টি! ফের নিম্নচাপের সম্ভাবনা, দুঃসংবাদ দিল হাওয়া অফিস

RK NEWZ দুর্গাপুজো মানেই বাঙালির কাছে একটা আবেগ। সারাবছর এই কয়েকটা দিনের জন্য অপেক্ষা করে থাকেন সকলে। মাস খানেক আগেই চুটিয়ে শপিং শুরু হয়ে যায়। কবে কোন পোশাক পরবেন, কোথায় যাবেন, কী খাবেন, সবটাই প্ল্যান হয়ে যায়। স্বাভাবিকভাবেই বৃষ্টি হলে সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। যেমনটা হয়েছিল গতবছর। বৃষ্টিতে কার্যত ভেসেছিল মহানগর। পুজো মণ্ডপগুলো জলমগ্ন হয়ে পড়েছিল। এবার সেরকম হবে না তো? স্বাভাবিকভাবেই সেই প্রশ্ন উঁকি দিচ্ছে সকলের মনে। এ প্রসঙ্গে হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, আন্দামানে রবিবার একটি নিম্নচাপ তৈরি হতে চলেছে। যার প্রভাবে ফের বৃষ্টি হতে পারে। পঞ্চমী থেকে সপ্তমী পর্যন্ত তুমুল বৃষ্টির সম্ভাবনা। বিশেষ করে উপকূলবর্তী এলাকায়। গত কয়েকদিন ধরেই কখনও রোদ, কখনও আবার বৃষ্টি! পুজোর মুখে আবহওয়ার খামখেয়ালিপনায় কার্যত বিরক্ত আমনজতা। সকলের মনেই প্রশ্ন, পুজোর প্ল্যানিংও ভেস্তে দেবে না তো বৃষ্টি? জবাবে সুখবর শোনাতে পারল না হাওয়া অফিস। কারণ, নতুন করে আবার নিম্নচাপের আশঙ্কা। যার জেরে পুজোয় কার্যত ভাসতে পারে বাংলা। আবহাওয়াবিদেরা জানিয়েছেন, নিম্নচাপের প্রভাব কতটা বাংলায় পড়বে তা এখনই বলা সম্ভব নয়। রবিবার নিম্নচাপ তৈরি হলে বোঝা যাবে তার অভিমুখ কোন দিকে থাকবে, কতটা শক্তিশালী হয়ে উঠবে সে। তবে আগামিকাল শনিবার, অর্থাৎ মহালয়ায় শুষ্ক থাকবে আবহাওয়া। সে অর্থে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই দক্ষিণবঙ্গে।

রাত পোহালেই মহালয়া। পিতৃপক্ষের অবসান ঘটিয়ে দেবীপক্ষের সূচনা। এই সন্ধিক্ষণেই শাস্ত্রমতে পূর্বপুরুষের আত্মার শান্তি কামনায় তর্পন করার রীতি আছে। ভোর রাত থেকেই গঙ্গার ঘাটে ঘাটে ঢল নামবে পুণ্যার্থীদের। তাঁদের সুবিধার্থেই গঙ্গার ঘাটগুলিকে আঁটসাঁট নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলতে বিশেষ উদ্যোগ। কলকাতা ও হাওড়ায় গঙ্গার ঘাটগুলি চিহ্নিত করে ইতিমধ্যেই ব্যবস্থাগ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রশাসনকে। দুর্ঘটনা এড়াতে জলেই ভাসমান ব্যারিকেড করা হবে এবার। কলকাতা ও হাওড়ার সব ঘাটগুলিতে নজরদারি চালাতে বিশেষ কন্ট্রোল রুম তৈরি করা হয়েছে। তর্পন শুরু থেকে শেষ হওয়া পর্যন্ত ঘাট পরিষ্কারের জন্য সাফাই কর্মী মোতায়েন থাকবে। প্রতিটি ঘাটে বায়ো-টয়লেট ও মহিলাদের জন্য চেঞ্জিং রুমের ব্যবস্থা। ভোর হওয়ার আগে পর্যন্ত সমস্ত ঘাট, সিঁড়ি, ঘাটে যাওয়ার রাস্তা এবং গাড়ি রাখার জায়গাগুলিতে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা থাকতে হবে। যে কোনও বিপদ এড়াতে প্রতিটি প্রধান ঘাটে প্রশিক্ষিত ডুবুরি, অসামরিক প্রতিরক্ষা স্বেচ্ছাসেবক, লাইফ জ্যাকেট, লাইফ বয়, দড়ি ও উদ্ধারকারী সরঞ্জাম-সহ মোটরচালিত নৌকা মোতায়েন থাকবে এবং ঘাট-সংলগ্ন জলভাগে তারা অবিরাম টহল দেবে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়া জেলার ঘাটগুলিতে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী মোতায়েন থাকবে। ইতিমধ্যেই সমস্ত ঘাট, সিঁড়ি, বাঁধ, নামার জায়গা (ল্যান্ডিং প্ল্যাটফর্ম) এবং ঘাটে যাওয়ার রাস্তাগুলি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরিষ্কার রাখতে হবে। ঘাট ও ঘাটের সংলগ্ন জলে জমে থাকা আবর্জনা, পলি, আগাছা, ফুলের বর্জ্য ও অন্যান্য আবর্জনা সরাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ঘাটে পর্যাপ্ত আবর্জনার পাত্র বাধ্যতামূলক। তর্পন শুরু থেকে শেষ হওয়া পর্যন্ত ঘাট পরিষ্কারের জন্য সাফাই কর্মী মোতায়েন থাকবে। প্রতিটি ঘাটে বায়ো-টয়লেট ও মহিলাদের জন্য চেঞ্জিং রুমের ব্যবস্থা। ভোর হওয়ার আগে পর্যন্ত সমস্ত ঘাট, সিঁড়ি, ঘাটে যাওয়ার রাস্তা এবং গাড়ি রাখার জায়গাগুলিতে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা থাকতে হবে। যে কোনও বিপদ এড়াতে প্রতিটি প্রধান ঘাটে প্রশিক্ষিত ডুবুরি, অসামরিক প্রতিরক্ষা স্বেচ্ছাসেবক, লাইফ জ্যাকেট, লাইফ বয়, দড়ি ও উদ্ধারকারী সরঞ্জাম-সহ মোটরচালিত নৌকা মোতায়েন থাকবে এবং ঘাট-সংলগ্ন জলভাগে তারা অবিরাম টহল দেবে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়া জেলার ঘাটগুলিতে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী মোতায়েন থাকবে। কলকাতা পুরসভার অধীনস্থ সমস্ত প্রধান ঘাটে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য অস্থায়ী মেডিক্যাল ক্যাম্প থাকবে। রাখা হবে অ্যাম্বুল্যান্সও। এবং কলকাতা-হাওড়া পুরসভা ও পুলিশ কমিশনারেট যৌথ উদ্যোগে কন্ট্রোল রুম চালু থাকবে। ঘাটগুলিতে নিযুক্ত নোডাল অফিসাররা কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে সর্বক্ষণ যোগাযোগ বজায় রাখবেন। সচল থাকবে নবান্নে অবস্থিত রাজ্যের জরুরি পরিষেবা কেন্দ্র।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles