বৃহত্তর ষড়যন্ত্র? রবি শাস্ত্রীকে সরিয়ে কোচ করার চেষ্টা অনিল কুম্বলেকে। দাবি করলেন মেন ইন ব্লুর টিম ডিরেক্টর, তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছিল। এবং সেই ষড়যন্ত্র শরিক ছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। রবি শাস্ত্রী থেকে অনিল কুম্বলে। ভারতীয় দলের দায়িত্ব পরপর যে দুই ক্রিকেটার ছিলেন তাঁদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যে আকাশ-পাতাল তফাত। এই পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে ভারতীয় ক্রিকেটারদের সমস্যা হয়েছিল, এমন গুঞ্জনও শোনা যায়। তারপর কেটে গিয়েছে ১০ বছর। কিন্তু সেই অতীত নিয়ে এবার বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন শাস্ত্রী। সাফ দাবি করলেন, তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছিল। এবং সেই ষড়যন্ত্র শরিক ছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। ২০১৪ সালে মেন ইন ব্লুর টিম ডিরেক্টর হয়েছিলেন শাস্ত্রী। কিন্তু বছরদুয়েক পর টিডি পদটাই তুলে দেওয়া হয়। শাস্ত্রীকে বিসিসিআই জানিয়ে দেয়, তাঁকে কোচের পদে আবেদন করতে হবে। কোচ বেছে নেওয়ার দায়িত্বে ছিল ক্রিকেট অ্যাডভাইসরি কমিটি। সৌরভের পাশাপাশি ওই কমিটিতে ছিলেন শচীন তেণ্ডুলকর এবং ভিভিএস লক্ষ্মণও। ওই কমিটি ভারতীয় দলের কোচ হিসাবে বেছে নেয় কুম্বলেকে। পরে শাস্ত্রী বলেন, তাঁর ইন্টারভিউয়ের সময়ে সৌরভ উপস্থিতই ছিলেন না। গোটা ঘটনাটা অত্যন্ত অপমানজনক বলে পরে বর্ণনা করেছিলেন শাস্ত্রী। ১০ বছর আগে ঘটে যাওয়া সেই ঘটনা নিয়ে এবার ফের মুখ খুললেন শাস্ত্রী। একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলছেন, “২০১৪ থেকে টিডি ছিলাম। দু’বছর পর তারা জানিয়ে দিল, কোচের পদে নতুন করে আবেদন করতে হবে। অথচ পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে আমি কোচ হতেই পারতাম। আমাকে কোচ না করার কোনও কারণই ছিল না। তাই ধরে নেওয়া যেতেই পারে, আমাকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল।” শাস্ত্রী সাফ জানিয়েছেন, গোটা ঘটনায় তিনি যথেষ্ট ব্যথিত হয়েছিলেন। বলছেন, “দলের জন্য আমি মনপ্রাণ ঢেলে দিয়েছিলাম। যখন সাফল্য আসতে শুরু করল, আমাকে বাইরে চলে যেতে হল।” বিশ্বকাপজয়ী তারকা বলছেন, ধারাভাষ্য দেওয়ার মাধ্যমে নিজেকে ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত রাখতেন তিনি। সেখান থেকে প্রচুর শিক্ষা পেয়ে আবার ফিরেছেন ভারতীয় দলে। খানিকটা দার্শনিকের সুরে শাস্ত্রী বলছেন, ক্রিকেটে যখন কামব্যাক করে তখন সেই প্রত্যাবর্তন অনেক শক্তিশালী হয়। কোচ হিসাবে তাঁর প্রত্যাবর্তনটাও সেরকমই, বলছেন তিনি।




