Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

নিরামিষ খেয়েই পেশিবহুল শরীর সম্ভব!‌ সারা দিনের ‘‌ডাল’‌ খাবারের রুটিন রহস্য উন্মোচন?

RK NEWZ নিরামিষ খাবার খেয়েও যে চমৎকার সুগঠিত পেশিবহুল শরীর তৈরি করা সম্ভব, তা প্রমাণ করে দিয়েছেন বলিউডের অনেক অভিনেতারা? বাহু, বুকের ছাতি, ঘাড়ে-পিঠে-কোমরে পাথরে খোদাই করা ভাস্কর্যের মতো পেশির কারুকাজ। কে বলবে ইনি সেই নায়ক, যাঁকে ‘জব উই মেট’-এর মুখচোরা আদিত্য কাশ্যপ রূপে ভালবেসেছিল বলিউড! সম্পূর্ণ নিরামিষ ডায়েট। মাছ-মাংস-ডিম কিচ্ছুটি না। নিরামিষ খাবার খেয়েও যে চমৎকার সুগঠিত পেশিবহুল শরীর তৈরি করা সম্ভব, প্রমাণ করে দিয়েছেন বলিউডের অভিনেতা শাহিদ কপূর। সারাদিনের খাওয়াদাওয়ার রুটিন প্রকাশ্যে। দিন শুরু চিয়া বীজ ভেজানো জল ছোলা বাদাম কাঠবাদাম দিয়ে। প্রাতরাশে দক্ষিণ ভারতীয় খাবার খেতে বেশ ভালো লাগে। ইডলি, সব্জি দিয়ে তৈরি উত্তপম, সম্বর ও নারকেলের চাটনি। দুপুরের খাবারে থাকে নানা রকমের আনাজ দিয়ে তৈরি পুষ্টিকর তরকারি, ডাল, মিলেট বা ভাত এবং পনির। রাতের খাবার সবসময় হালকা। সাধারণত স্যুপ, প্রোটিনসমৃদ্ধ র‍্যাপ এবং হালকা ভেজে নেওয়া বা স্যতে করা সব্জি দিয়ে রাতের আহার সম্পন্ন। খাওয়াদাওয়ার মূলমন্ত্র একটাই, প্রতি বেলার খাবারে পর্যাপ্ত প্রোটিন যাতে থাকে তা নিশ্চিত করতে হবে কারণ, প্রোটিনই পেশির গঠন বৃদ্ধি, টিস্যু মেরামত এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখতে সাহায্য করে। ডালের পরিমাণ বেশি থাকা খিচুড়ি। ছোলা বিরিয়ানি ও রায়তা। মুগ ডালের কবাব। পনির। বাড়িতে তৈরি করা পনির হলে সবচেয়ে ভাল, তার রকমারি পদ। বাঙালি ডাল-ভাত খেতেই বেশি পছন্দ করে। মুসর ডাল, মুগ ডাল বা বিউলির ডাল ঘুরিয়ে ফিরিয়েই রান্না প্রায় সব বাঙালি বাড়িতেই। পুষ্টিবিদেরা সুষম ডায়েটে ডাল-ভাত খাওয়ারই পরামর্শ দেন। তাতে প্রোটিন, ভিটামিন ও ফাইবার একই সঙ্গে পাওয়া যায়। ডাল তো নানা রকম খেয়েছেন, ‘ডাল কি দুলহন’ বিহারের খুবই পছন্দের একটি খাবার। নানা রকম ডাল মিশিয়ে রাঁধা হয়। রন্ধনপ্রণালী কিঞ্চিৎ ভিন্ন। ডাল রান্নার কৌশল বৈচিত্রময়। স্বাদও আলাদা। ‘ডাল কি দুলহন’ অনেকটা ‘ডাল ধোকলি’-র মতোই খাবার। বিহার, উত্তরপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ডে এমন রান্নার খুব চল। মুসুর, মুগ ও অড়হড় ডাল মিশিয়ে রাঁধা হয় দুলহন। আটার ছোট ছোট লেচি থেকে রুটি বানিয়ে সেগুলি ফুলের মতো মুড়ে ফুটন্ত ডালে ফেলে দেওয়া হয়। তার পর ঢেকে ডাল সেদ্ধ করে তাতে ফোড়ন দেওয়া হয়। ডাল পাকোয়ান। ঘন ছোলার ডালকে ফুলকো লুচি বা পুরির উপর ছড়িয়ে খাওয়া হয়। ডাল পাকোয়ান খুব পছন্দের সিন্ধি জলখাবার। রাজস্থানেও এটি খাওয়া হয়। সেদ্ধ ছোলার ডালে জিরে, আমচুর ও কাঁচালঙ্কা দিয়ে শুকনো করে কষানো হয়। ময়দার সঙ্গে জোয়ান দিয়ে ভাল করে মেখে চ্যাপ্টা করে পুরি ভেজে তার উপর ছড়িয়ে দেওয়া হয় মশলা দিয়ে সাঁতলানো ডাল। তার উপর তেঁতুলের চাটনি ও পেঁয়াজকুচি ছড়িয়ে পরিবেশন করা হয়। বিউলির ডাল ও রাজমা একসঙ্গে ভিজিয়ে সেদ্ধ করে প্রচুর পরিমাণে মাখন, ক্রিম, টম্যাটো পিউরি ও কসুরি মেথি দিয়ে কষিয়ে রান্না করা হয়। রুটি বা পরোটার সঙ্গে খেতে ভাল লাগে। সুলতানি ডাল। উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের শাহি ডাল। অড়হড় ডাল সেদ্ধ করে দুধ, দই ও ক্রিম দিয়ে ফেটানো হয়। এর উপর ঘি, জিরে ও রসুনের ফোড়ন দেওয়া হয়। শেষে একখণ্ড জ্বলন্ত কয়লায় ঘি ও লবঙ্গ দিয়ে ডালে ধোঁয়ার সুবাস দেওয়া হয়। এই ডাল নান বা রুটির সঙ্গে দিব্যি লাগে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles