RK NEWZ ক্যাশলেস ইকোনমির উপরে বরাবরই জোর দিয়েছে মোদি সরকার। মোদি সরকার সংসদে প্রস্তাব দিয়েছে ‘পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেমস অ্যাক্ট’-এ সংশোধনী আনার। যার ফলে ভবিষ্যতে নির্দিষ্ট কিছু ইউপিআই লেনদেনের উপরে ব্যবসায়ীদের জন্য ফি আরোপের সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে এখনও কোনও ফি অনুমোদন পায়নি। কিন্তু প্রস্তাবিত এই আইনি পরিবর্তনের ফলে ‘মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট’ চালুর পথ প্রশস্ত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এমন একটি আইনি কাঠামো তৈরি হয়েছে, যার ফলে সরকার ভবিষ্যতে এমডিআর চালু করার অনুমতি দিতে পারে। তবে এখনই কোনও চার্জ আরোপ করা হচ্ছে না। যে সমস্ত প্রস্তাব পেশ হচ্ছে, তার মধ্যে অন্যতম প্রস্তাবটি হল ২ হাজার টাকার বেশি মূল্যের ইউপিআই লেনদেনের ওপর ০.৩ শতাংশ থেকে ০.৫ শতাংশ হারে এমডিআর দিতে হতে পারে। কবে থেকে বসানো হতে পারে এই চার্জ? এখনও বিষয়টি আলোচনাধীন। ডিজিটাল ইন্ডিয়া গড়াই মোদি সরকারের লক্ষ্য। আর সেই কারণেই ক্যাশলেস ইকোনমির দিকেও জোর দেওয়া হয়েছে। সেই প্রচেষ্টার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হল ইউপিআই লেনদেনের ব্যবস্থা। যত সময় গিয়েছে, আমজনতার মধ্যে ব্যাপকভাবে বেড়েছে ইউপিআই ব্যবহারের প্রবণতা। কিন্তু এবার কি ইউপিআই লেনদেনের জন্য গুনতে হবে অতিরিক্ত গাঁটের কড়ি? গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় নীতিগত পরিবর্তনের মুখে পড়তে চলেছে ইউপিআই পরিষেবা। তেমনটাই দাবি এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের। এই চার্জ কেবল সেইসব ব্যবসায়ীর ওপরই প্রযোজ্য হবে বলেই জানা যাচ্ছে। যাঁদের বার্ষিক লেনদেনের পরিমাণ দেড় কোটি টাকার বেশি, তাঁদের ক্ষেত্রেই এই চার্জ নেওয়া হতে পারে। অর্থাৎ সাধারণ গ্রাহক থেকে ছোট ব্যবসায়ীরা সম্ভবত ফি-মুক্ত ইউপিআই লেনদেনের সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। যেমনটা এতদিন তাঁরা করে এসেছেন।




