Tuesday, August 4, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

নেতাজি ফাইলস খোলার দাবি মমতার!‌ বন্ধ মমতার আয়ের মূল উৎসই! বইয়ের রয়্যালটিও পাচ্ছেন না?

RK NEWZ বিজেপি ক্ষমতায় আসার আগে নেতাজি অন্তর্ধানের ফাইল প্রকাশের কথা বলেছিল! কিন্তু ক্ষমতায় এসে সেই সুভাষচন্দ্র বসুকেই অসম্মান করা হচ্ছে! এমনই অভিযোগ তুললেন কালীঘাট তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, বিজেপিকে বিঁধে নেতাজি ফাইলস খোলার দাবিও তুললেন। নেতাজিকে যারা অসম্মান করছে, তাঁদের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামার ডাক দিলেন নেত্রী। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু বাংলার আবেগ, লড়াইয়ের মুখ। কিন্তু বিজেপির জনা কয়েক নেতা নেতাজিকেই অসম্মান করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি রাজ্য রাজনীতিতে সেই নিয়ে জোর চর্চাও শুরু হয়। এবার সেই নেতাজি ইস্যুতেই সুর চড়ালেন মমতা। এদিন সামাজিক মাধ্যমে নিজের কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বার্তা দিলেন নেত্রী। নিজের রাজ্যেই নেতাজিকে অপমানিত হতে হবে? সেই প্রশ্ন তুলেছেন মমতা। নেত্রী বলেন, “ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল আর্মি তৈরি করেছিলেন সুভাষচন্দ্র বসু। প্ল্যানিং কমিশন করেছিলেন তিনি। স্বাধীনতা আন্দোলনে আন্দামান-নিকোবরে স্বাধীন দ্বীপের ঘোষণা করেছিলেন তিনি। জয়হিন্দ স্লোগান আজও মুখে মুখে। এখন দেশ থেকে নেতাজি, রবীন্দ্রনাথ বাদ! কলঙ্কের ভূষণ চাপানো হচ্ছে। নোংরা রাজনৈতিক খেলা চলছে।” মমতা এদিন ফের আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন। তাঁর কথায়, “যাদের বিবেক আছে, ক্ষমতার চেয়ারের কাছে মাথানত করে না, তারা তাকান। প্রতিবাদ করুন।” বিজেপি একসময় জানিয়েছিল, ক্ষমতায় আসার পর নেতাজির ফাইল খোলা হবে। কিন্তু এখন আর কোনও কথা বলা হচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলে মমতা নেতাজি ফাইলস খোলার দাবি তুলেছেন। তাঁকে কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। আদালতে গিয়ে অনুমতি নিতে হচ্ছে। আরও একবার সেই অভিযোগ করেন মমতা। বিজেপি শাসনে গণতান্ত্রিক অধিকার, সাংবিধানিক অধিকার খর্ব হচ্ছে! সেই কথাও এদিন বলেছেন নেত্রী। তাঁর দলের নিচুতলার কর্মীদের মামলা দেওয়া হচ্ছে বলেও তাঁর অভিযোগ। কিন্তু আগামী দিনে আন্দোলন করেই তিনি ফিরে আসবেন। সেই কথা জোর গলায় বলেন প্রত্যয়ী মমতা। শুধু তাই নয়, জনগণনা শুরুর বিষয় নিয়েও সন্দিহান কালীঘাট তৃণমূলের নেত্রী। জনগণনার কাজে কোনও রাজনৈতিক দলকে সঙ্গে নেওয়া হয়নি! সেই অভিযোগও করেন। মমতার কথায়, “জনগণনায় কার নাম থাকবে, কার নাম বাদ যাবে? আবার যে একটা পালটা এসআইআর হচ্ছে না! এমনিতেই তো ৩২ লক্ষ মানুষের নাম ওঠেনি। সুপ্রিম কোর্টেও বিচারের জন্য গিয়েছিলাম। এজন্য গণআন্দোলন হওয়া উচিত।”

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অতীতে জানিয়েছিলেন, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি একটাকাও মাইনে নেন না। বই লিখে যে রয়্যালটি পান, তাতেই তাঁর সংসার চলে যায়। রাজ্যের পালাবদলে সেই রয়্যালটিও বন্ধ হয়ে গিয়েছে তাঁর? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অতীতে জানিয়েছিলেন, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি একটাকাও মাইনে নেন না। বই লিখে যে রয়্যালটি পান, তাতেই তাঁর সংসার চলে যায়। রাজ্যের পালাবদলে সেই রয়্যালটিও বন্ধ হয়ে গিয়েছে তাঁর? খোদ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই অভিযোগ করেছেন। বিজেপি সরকারের ভয়েই প্রকাশকরা সেই টাকা এবছর এখনও দেননি! তেমনই ইঙ্গিত করেছেন কালীঘাট তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী। মঙ্গলবার ফেসবুক লাইভে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিক বিষয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তাঁকে বাড়ি থেকে বেরতে দেওয়া হচ্ছে না! সেই অভিযোগও তিনি করেছেন। সরকারের তরফ থেকে কোনও কর্মসূচিতে অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না! কর্মসূচির জন্য আদালতে যেতে হচ্ছে বলে অভিযোগ মমতার। এরপর সুর চড়িয়ে বড় অভিযোগ করেছেন নেত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘ সময় ধরে লেখালিখির সঙ্গে যুক্ত। প্রবন্ধ, গল্প, কবিতার বই রয়েছে তাঁর। যে পরিমাণ বই বিক্রি হয়, সেই রয়্যালটিতেই তাঁর সংসার চলে যায়। অতীতে সেই কথা একাধিকবার বলেছেন মমতা। পালাবদলের পর সেই রয়্যালটিও তিনি এখন পাচ্ছেন না!

হাই কোর্টে পিছলো মমতার ভবানীপুর নির্বাচনী মামলা, ৪ সপ্তাহ সময় পেলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর আইনজীবী। কলকাতা হাই কোর্টে পিছিয়ে গেল ভবানীপুর বিধানসভার নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামলা। লিখিতভাবে সব তথ্য জমা দেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আইনজীবী জয়দীপ কর ৬ সপ্তাহের সময় চান। কেন এত সময় দেওয়া হবে, তা নিয়ে প্রতিবাদ করেন মমতার আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সব কিছু খতিয়ে দেখে বিচারপতি গৌর কান্ত ৪ সপ্তাহের সময় দিয়েছেন। নিজের ঘরের কেন্দ্র ভবানীপুরে পরাজিত হওয়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ তুলেছিলেন, অসৎ উপায়ে তাঁকে হারানো হয়েছে। কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের করেন তিনি। হাই কোর্ট মামলা গ্রহণ করে। ২৩ জুন বিচারপতি কান্ত আবেদন গ্রহণ করে নির্বাচন কমিশনকে ওই বিধানসভায় ব্যবহৃত সমস্ত ইভিএম, ভিভিপ্যাড, ভোটগ্রহণ ও ভোটগণনার সময়ের সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য সব নথই সংরক্ষণের নির্দেশ দেন। মঙ্গলবার শুনানির দিন ধার্য ছিল। মামলাটি শুনানির জন্য ওঠার পর তবে সব তথ্য লিখিত আকারে জমা দেওয়ার জন্য সময় চান মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবী। বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্রে পরাজিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে তাঁকে হারান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। গণনার দিন গণনাকেন্দ্রে গিয়ে তৃণমূলনেত্রী মমতা অভিযোগ করেছিলেন তাঁকে মারা হয়েছে। এজেন্টদের মারা হয়েছে। গণনাকেন্দ্রে কারচুপি চলছে। হারের পর অভিযোগ করেন, জোর করে হারানো হয়েছে। তারপরই মামলা করেন। আগামী ৪ সপ্তাহের পর মামলার শুনানি।

এবার আর রাজ্যগুলিতে ভিন্ন ভিন্ন পোর্টাল নয়, দেশজুড়ে খাদ্যবণ্টন ব্যবস্থায় চালু হল একটিই কেন্দ্রীয় পোর্টাল। এটি পাসওয়ার্ড দিয়ে সুরক্ষিত। সবটাই নিয়ন্ত্রণ করা হবে খাদ্য ও গণবণ্টন মন্ত্রকের তরফে। উচ্চপ্রযুক্তি দ্বারা তৈরি এই পোর্টাল একমাত্র মন্ত্রকের কর্মী, আধিকারিক ছাড়া আর কেউ লগইন করতে পারবেন না। এর ফলে রাজ্যগুলিতে আর রেশন ব্যবস্থার খুঁটিনাটি তথ্য রাখতে আলাদা কোনও পোর্টাল থাকছে না। সবই কেন্দ্রীয় পোর্টালের সঙ্গে মিশে যাবে। নিরাপত্তার পদ্ধতিও ছিল ভিন্ন ভিন্ন। পরে রেশন তোলার ক্ষেত্রে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালু হওয়ায় অভিযোগ ওঠে, বায়োমেট্রিকের মাধ্যমে আসলে গ্রাহকদের ব্যক্তিগত তথ্য হাতানোর পরিকল্পনা করছে সরকার। গ্রাহকদের এই আশঙ্কা কাটাতে এ রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে খাদ্যদপ্তর আরও সুরক্ষিত একটি পোর্টাল তৈরি করে। সেসময় খাদ্যমন্ত্রী ছিলেন রথীন ঘোষ। তিনি আশ্বস্ত করেন, নতুন তৈরি পোর্টালটি এতটাই প্রযুক্তিগতভাবে সুরক্ষিত যে কোনওভাবেই কোনও গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য বাইরে আসবে না। এবার আর রাজ্যগুলিতে ভিন্ন ভিন্ন পোর্টাল নয়, দেশজুড়ে খাদ্যবণ্টন ব্যবস্থায় চালু হল একটিই কেন্দ্রীয় পোর্টাল। এটি পাসওয়ার্ড দিয়ে সুরক্ষিত। সবটাই নিয়ন্ত্রণ করা হবে খাদ্য ও গণবণ্টন মন্ত্রকের তরফে। উচ্চপ্রযুক্তি দ্বারা তৈরি এই পোর্টাল একমাত্র মন্ত্রকের কর্মী, আধিকারিক ছাড়া আর কেউ লগইন করতে পারবেন না। এর ফলে রাজ্যগুলিতে আর রেশন ব্যবস্থার খুঁটিনাটি তথ্য রাখতে আলাদা কোনও পোর্টাল থাকছে না। সবই কেন্দ্রীয় পোর্টালের সঙ্গে মিশে যাবে। এই পদ্ধতিতে আরও একটি সুবিধা পাওয়া যাবে। বিভিন্ন রেশন দোকান থেকে কোথায় কত খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ করা হচ্ছে এবং কতটা ফেরত আসছে, তার যাবতীয় তথ্য থাকবে পোর্টালে। কোনও গ্রাহক সঠিক পরিমাণ রেশন সামগ্রী না পেলে তা অনায়াসে ধরা পড়ে যাবে এই পোর্টালের তথ্য বিশ্লেষণ করে। ফলে জালিয়াতি হলে তা সহজেই চিহ্নিত করা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে। আর সেটাই লক্ষ্য কেন্দ্রীয় সরকারের। চলতি মাস থেকেই রেশন ব্যবস্থায় এই পদ্ধতি চালু হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles