RK NEWZ গভীর রাতে এক গৃহবধূর ঘরে ঢুকে কুপ্রস্তাব ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ। গ্রেপ্তার বিজেপির মণ্ডল সভাপতি। পুলিশ ওই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতের নাম শ্যামল সাহা। গভীর রাতে এক গৃহবধূর ঘরে ঢুকে কুপ্রস্তাব ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ। গ্রেপ্তার বিজেপির মণ্ডল সভাপতি। পুলিশ ওই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতের নাম শ্যামল সাহা। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরে। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা হবে, সেই কথাই এই প্রেক্ষিতে জানিয়েছেন স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কদম্বগাছির হেমন্ত বসু নগরের বাসিন্দা শ্যামল সাহার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই এলাকারই এক গৃহবধূকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ ছিল। তিনি ওই এলাকার বিজেপির মণ্ডল সভাপতি পদেও রয়েছেন। সোমবার গভীর রাতে ওই বিজেপি নেতা ওই মহিলার বাড়িতে ঢুকেছিলেন বলে অভিযোগ। ওই বধূর সঙ্গে অশালীন আচরণ ও কুপ্রস্তাব দেওয়া হয়! তাঁকে শ্লীলতাহানিও করা হয়! ওই মহিলার আর্তনাদে অন্যান্যরা ছুটে যায়। পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা অভিযুক্তকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। এরপরই তাঁকে পাকড়াও করে মারধর করা হয়! খবর পেয়ে রাতেই দত্তপুকুর থানার কদম্বগাছি ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। ওই বিজেপিকে নেতাকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়। গভীর রাতেই তাঁকে আটক করে রাখা হয়। এলাকায় প্রবল উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আজ, মঙ্গলবার সকালে নির্যাতিতা ও পরিবার থানায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ ওই বিজেপিকে নেতাকে গ্রেপ্তার করে। বিজেপি নেতার এহেন আচরণে এলাকায় জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এনিয়ে বারাসতের বিজেপি নেতা তাপস মিত্র বলেন, “ঘটনাটি নিন্দনীয়। শ্যামল সাহা যদি অন্যায় করে থাকেন, পুলিশ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। দলও তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা করবে।”
বিজেপির নাম করে বালির গাড়ি থেকে তোলাবাজি, অভিযুক্ত রাকেশ মাজিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। জামুড়িয়া থানার অন্তর্গত চুরুলিয়ার মদনতোড় এলাকা দিয়ে বালি বোঝাই লরি যাতায়াত করে। সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, লরি থামিয়ে চালকদের কাছ থেকে জোর করে টাকা আদায় করা হচ্ছে। সরকারি নিয়ম মেনে আন্ডারলোড বালি নিয়ে যাওয়া লরিগুলিকে মাঝপথে আটকে লরি-পিছু ২০০ টাকা করে দাবি করা হচ্ছিল। তোলাবাজির সময় ওই ব্যক্তি নিজেকে বিজেপি নেতা বলে পরিচয় দিচ্ছেন। এক লরি চালক সেই ভিডিও করেছেন (ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডট ইন)। ভিডিওটিতে দেখা গিয়েছে, ওই ব্যক্তি ফোন করায় আছিলায় টাকা চাইছেন। যুবককে চালকদের সঙ্গে বচসায় জড়াতে দেখা গিয়েছে। গাড়ি প্রতি ২০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ। অভিযোগ পাওয়ার পরই, অভিযুক্ত রাকেশ মাজিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। বিজেপির আসানসোল সাংগঠনিক জেলা সভাপতি দেবতনু ভট্টাচার্য জানান, “দলের নাম ব্যবহার করে কেউ বেআইনি কাজ করলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।” দলে বিচ্যুতি ঘটেছে তা স্বীকার করছেন রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। কড়া বার্তা দিয়েছেন। বহিষ্কার করা হয়েছে বেশ কয়েকজনকে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে বিধায়কদের নামেও অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এবার আসানসোলে বিজেপি নেতার নাম করে বালি বোঝাই লরি থেকে তোলাবাজির অভিযোগ উঠল।




