RK NEWZ ছাত্র বিক্ষোভে পুলিশি মারধর নিয়ে বিরোধী-বিক্ষোভ, ২টো পর্যন্ত মুলতুবি সংসদের অধিবেশন। মঙ্গলবারও ছাত্রবিক্ষোভে পুলিশি ‘দমনপীড়নের’ প্রতিবাদে সংসদের ভিতরে-বাইরে বিক্ষোভ দেখান বিরোধী সাংসদেরা। তাঁদের দাবি, এই ঘটনার দায় স্বীকার করে ক্ষমা চাইতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে। ছাত্রবিক্ষোভের জেরে পদত্যাগ করতে হয়েছে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে। যন্তর মন্তর থেকে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র অবস্থানও উঠে গিয়েছে। কিন্তু সেই আন্দোলন কেন্দ্রের শাসকদলকে যে অস্বস্তিতে ফেলেছে, তা পূর্ণমাত্রায় কাজে লাগানোর কৌশল নিয়েছে বিরোধী দলগুলি। ছাত্রবিক্ষোভে পুলিশি মারধরের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ক্ষমা চাইতে হবে বলেছেন বলে দাবি করেছেন বিরোধী সাংসদেরা। বিরোধী সাংসদদের হইহট্টগোলের জেরে মঙ্গলবার দুপুর ২টো পর্যন্ত সংসদের দুই কক্ষের অধিবেশনই মুলতুবি করে দেওয়া হল। আন্দোলনরত পড়ুয়াদের উপর পুলিশি ‘দমনপীড়নের’ প্রতিবাদে সংসদের ভিতরে-বাইরে সুর চড়ান বিরোধীরা। পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের লক্ষ্যে সোমবার সংসদে সংশোধনী বিল এনেছে কেন্দ্র। মঙ্গলবার এই বিল নিয়ে লোকসভায় আলোচনা হওয়ার কথা। তবে সকাল থেকেই বিরোধী-বিক্ষোভে উত্তাল হয় সংসদ। সংসদ চত্বরে পঞ্জাবের শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার দাবিতে পাল্টা বিক্ষোভ দেখান বিজেপির নেতৃত্বাধীন শাসকজোট এনডিএ-র সাংসদেরা। আপ-শাসিত পঞ্জাবেও প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে। এনডিএ-র সাংসদেরা এই বিষয়ে আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরীওয়ালের জবাব দাবি করেন। বিক্ষোভে দেখা যায় পশ্চিমবঙ্গ থেকে নির্বাচিত রাজ্যসভার দুই বিজেপি সাংসদ সুস্মিতা দেব, রাহুল সিন্হাকে। দিল্লিতে পড়ুয়াদের ‘শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ’ ঠেকাতে কেন ছর্রা গুলি বা পেলেট গানের মতো অস্ত্র ব্যবহার করা হল, পুলিশ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে নিশানা করেছে বিরোধী দলগুলি। ২০ জুলাই সিজেপি-র সংসদ অভিযানের সময় দিল্লির বিভিন্ন জায়গায় নিরাপত্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল সিআরপিএফ-এর আওতাধীন র্যাফকে। তাদের বিরুদ্ধেই ছর্রা গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে।




