Thursday, July 2, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

ফের কাঠগড়ায় প্রাক্তন ক্রিকেটার মদন ঘোষ। অভিযোগ বাংলার দল নির্বাচনী বৈঠকে হাজির থাকা নিয়ে

RK NEWZ ফের কাঠগড়ায় প্রাক্তন ক্রিকেটার মদন ঘোষ। প্রবল সমালোচনার পরে যুগ্মসচিব মদন ঘোষকে সরিয়ে দিয়েছে সিএবি। অ্যাপেক্স কমিটির বৈঠক ডেকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ২০ জুলাই বিশেষ সাধারণ সভায় নতুন যুগ্মসচিব নির্বাচিত হবে। বয়স ৭০ পেরিয়ে যাওয়ার পরেও বহাল তবিয়তে তিনি যুগ্মসচিবের জন্য বরাদ্দ ঘরে, যুগ্মসচিবের চেয়ারে বসছিলেন। এমনকী, কিছু কাগজপত্রে তিনি সই করছিলেন বলেও অভিযোগ ওঠে। সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত লোঢা কমিটির সুপারিশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে। যা নিয়ে বিতর্কের ঝড় বয়ে যায় সিএবি-তে। ফের কাঠগড়ায় প্রাক্তন ক্রিকেটার মদন ঘোষ। এবার অভিযোগ উঠল, বাংলার দল নির্বাচনী বৈঠকে তিনি হাজির ছিলেন। দিন তিনেক আগে আসন্ন মরশুমের জন্য বাংলার অনূর্ধ্ব ১৯ ক্রিকেট দল বেছে নিয়েছেন জুনিয়র নির্বাচকেরা। সেই বৈঠকে হাজির ছিলেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার মনোজ তিওয়ারি। যাঁকে এবার বাংলার অনূর্ধ্ব ১৯ দলের হেড কোচ করেছে সিএবি। কোচ হওয়ার পর এটাই মনোজের প্রথম দল নির্বাচনী বৈঠক। যে বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সিএবি-র ভাইস প্রেসিডেন্ট নীতীশরঞ্জন দত্ত। শোনা গেল, বৈঠকে ছিলেন সিএবি কোষাধ্যক্ষ সঞ্জয় দাসও। সিএবি সচিব বাবলু কোলে এখন দেশের বাইরে। তাই তিনি থাকতে পারেননি। বাংলার অনূর্ধ্ব ১৯ বিভাগের সম্ভাব্য দলে কোন ক্রিকেটারদের রাখা হবে, নির্ধারিত হয় সেই বৈঠকে। বিশ্বস্ত সূত্রের খবর, বাংলার অনূর্ধ্ব ১৯ দল নির্বাচনী সেই বৈঠকে হাজির ছিলেন লোঢা আইনে ‘বাতিল’ যুগ্মসচিব মদন ঘোষ। যা শুনে সিএবি-র একাংশ স্তম্ভিত। প্রশ্ন উঠছে, কীসের মাপকাঠিতে নির্বাচনী বৈঠকে ‘প্রাক্তন’ হয়ে যাওয়া সিএবি কর্তা থাকতে পারেন? সিএবি-র সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন এবিপি লাইভ বাংলাকে বললেন, ‘নির্বাচনী বৈঠকে মদন ঘোষ ছিলেন। কীসের ভিত্তিতে ছিলেন, কেউই জানে না। তবে আইনত এটা সম্ভব নয়।’

মদন ঘোষকে নিয়ে বিতর্কের রেশ থামছে না। তাঁর বয়স ৭০ পেরিয়ে যাওয়ার পরেও যুগ্মসচিব পদ আঁকড়ে ছিলেন। বিতর্কের ঝড় ওঠার পর কার্যত বাধ্য হয়ে তাঁকে সরাতে হয়। নতুন যুগ্মসচিব নির্বাচনের দিনক্ষণও ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কী করে নির্বাচনী বৈঠকে থাকলেন মদন? প্রশ্ন তুলছে ময়দানের একাংশ। এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়ার জন্য মদন ঘোষের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। ফোন ধরেননি। হোয়াটসঅ্যাপের জবাব দেননি। সিএবি-র কেউ কেউ ক্ষুব্ধ, যেভাবে প্রাক্তন যুগ্মসচিব গাড়ি থেকে শুরু করে এখনও অনেক সুযোগসুবিধা পাচ্ছেন রাজ্য ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা থেকে, তা নিয়ে। বুধবার ডক্টর বিধান চন্দ্র রায়ের জন্মবার্ষিকী ছিল। সকালে ইডেনে বিধান চন্দ্র রায়ের মূর্তিতে মাল্যদান করেন সিএবি প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি, প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়, কোষাধ্যক্ষ সঞ্জয় দাস, কিউরেটর সুজন মুখোপাধ্যায়, অবজার্ভার কমিটির প্রধান শ্রীমন্ত মল্লিক প্রমুখ। সেখানেও সামনের সারিতে ছিলেন মদন। কেউ কেউ যদিও বলছেন, প্রাক্তন ক্রিকেটার হিসাবে এই ধরনের অনুষ্ঠানে আসতেই পারেন মদন ঘোষ। কিন্তু দল নির্বাচনী বৈঠকে প্রবেশ করলেন কীভাবে?

বাংলার অনূর্ধ্ব ১৯ দল নিয়েও সমস্যা তৈরি হয়েছে। আধার আপডেটের ইতিহাস মেনে এবার ভিন রাজ্যের ক্রিকেটারদের চিহ্নিত ও বাতিল করার কাজ চলছে সিএবি-তে। ভারতীয় বোর্ডের নিদান মেনে। কিন্তু ঝাড়াই বাছাই শুরু হতেই দেখা দিয়েছে সমস্যা। বহু ক্রিকেটার যাঁরা বাংলার বিভিন্ন দলে রয়েছেন, তাঁরা বাতিল হয়ে যাচ্ছেন। অনূর্ধ্ব ১৯-এর প্রাথমিক দল নিয়েও সমস্যা দেখা দিয়েছে। জানা গেল, দলের দুই ক্রিকেটার – শিবম ঝা ও শ্রীনাথ মোহান্ত আধার কার্ড আপডেটের ইতিহাস অনুযায়ী বাংলার হয়ে খেলতে পারবেন না। তাঁরা বাদ পড়ায় বাঁহাতি কোনও পেসারই নেই দলে। ডানহাতি পেসার শিবম ভারতীর বলের গতি দেখে ভাল লেগেছে কোচ মনোজ তিওয়ারির। তবে তাঁর নিয়ন্ত্রণ, লাইন-লেংথ নিয়ে পরিশ্রম করতে হবে বলে জানালেন মনোজ। ৫০ ওভারের ট্রায়াল ম্যাচ খেলিয়ে ক্রিকেটারদের দেখে নেওয়া হচ্ছে। শুক্রবার থেকে বাংলার অনূর্ধ্ব ১৯ দলের ফিটনেসের ওপর শিবির শুরু হবে।

একাধিক জন্ম তারিখ, তুমুল বিতর্কে ভারতীয় দলে ডাক পাওয়া ‘বাংলার’ দুই। দু’জনেই বাংলা থেকে ভারতীয় দলে সুযোগ পেয়েছেন। দু’জনেই বাংলা থেকে ভারতীয় দলে সুযোগ পেয়েছেন। প্রথম জন, অনূর্ধ্ব উনিশ ভারতীয় দলে। দ্বিতীয় জন, ইমার্জিং ইন্ডিয়া টিমে। কিন্তু অদ্ভুত ভাবে তাঁরা দু’জনই বাংলার বিবিধ সম্ভাব্য দলে ব্রাত্য। দু’জনের একজনও কেউ কোথাও নেই! প্রথম জন, রোহিত। যিনি দিনকয়েক আগে বাংলা থেকে ডাক পেয়েছেন শ্রীলঙ্কা সফরের অনূর্ধ্ব ১৯ ভারতীয় টিমে। কিন্তু গতকাল যে বাংলা অনূর্ধ্ব ১৯ দলের সম্ভাব্য প্লেয়ার তালিকা প্রকাশ করেছে (প্রোবাবল প্লেয়ার্স লিস্ট), তাতে লেগস্পিনার রোহিতের নাম নেই। দিন কয়েক আগে ইমার্জিং ইন্ডিয়া দলে সুযোগ পাওয়া পেসার-অলরাউন্ডার রবি কুমার, তাঁর নামও বাংলার অনূর্ধ্ব ২৩ দলের সম্ভাব্য ক্রিকেটার তালিকায় কোথাও নেই। সোজা কথায়, বাংলারই প্লেয়ার তাঁরা। বাংলা থেকেই ভারতীয় দলে সুযোগ পেয়েছেন। কিন্তু বাংলা দলের সম্ভাব্য তালিকাতেই তাঁদের জায়গা হচ্ছে না। কোনও এক ‘অজানা’ কারণে।

যদিও ‘অজানা’ নয় মোটে। তা সে সিএবি সরকারি ভাবে পুরো বিষয়টা নিয়ে যতই নিশ্চুপ থাকুক। বিশ্বস্ত সূত্রের খবর, দু’জনেরই জন্মসাল এবং জন্মস্থান নিয়ে ঘোরতর গোলযোগ দেখা গিয়েছে। আসলে ভারতীয় বোর্ড এবার থেকে প্লেয়ারদের আধার কার্ড ‘আপডেট’ করা নিয়ে ভালোরকম কড়াকড়ি শুরু করে দিয়েছে। প্রত্যেক প্লেয়ারের আধার ‘আপডেট হিস্ট্রি’ খতিয়ে দেখতে বলা হচ্ছে বোর্ড অনুমোদিত সংস্থাদের। সিএবিও যার ব্যতিক্রম নয়। এত দিন নাম নথিভুক্ত করার আগে প্লেয়ারদের কাছ থেকে সাধারণ কিছু নথি চাওয়া হত। যেমন প্লেয়ারের ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেট। প্লেয়ারের বাবা বা মা, যে কোনও একজনের ভোটার কার্ড। স্থানীয় আধার কার্ড। আর স্কুলের একটা নথি। কিন্তু বোর্ড এবার আধার কার্ড ‘আপেডট হিস্ট্রি’ খুঁটিয়ে তল্লাশি করতে বলে দিয়েছে। যা থেকে বেরিয়ে আসবে, নির্দিষ্ট প্লেয়ারের জন্ম কোথায়? কোন সালে? যে বয়স সে জমা করছে, তা আদৌ সত্যি কি না? ত্রুটিমুক্ত কি না? এবং সেখানেই বেঁধেছে গণ্ডগোল।

প্রথম জন, রোহিত। যিনি দিন কয়েক আগে বাংলা থেকে ডাক পেয়েছেন শ্রীলঙ্কা সফরের অনূর্ধ্ব ১৯ ভারতীয় টিমে। কিন্তু গতকাল যে বাংলা অনূর্ধ্ব ১৯ দলের সম্ভাব্য প্লেয়ার তালিকা প্রকাশ করেছে (প্রোবাবল প্লেয়ার্স লিস্ট), তাতে লেগস্পিনার রোহিতের নাম নেই। দিন কয়েক আগে ইমার্জিং ইন্ডিয়া দলে সুযোগ পাওয়া পেসার-অলরাউন্ডার রবি কুমার-তাঁর নামও বাংলার অনূর্ধ্ব ২৩ দলের সম্ভাব্য ক্রিকেটার তালিকায় কোথাও নেই! সোজা কথায়, বাংলারই প্লেয়ার তাঁরা। বাংলা থেকেই ভারতীয় দলে সুযোগ পেয়েছেন। কিন্তু বাংলা দলের সম্ভাব্য তালিকাতেই তাঁদের জায়গা হচ্ছে না! কোনও এক ‘অজানা’ কারণে!

যদিও ‘অজানা’ নয় মোটে। তা সে সিএবি সরকারি ভাবে পুরো বিষয়টা নিয়ে যতই নিশ্চুপ থাকুক। বিশ্বস্ত সূত্রের খবর, দু’জনেরই জন্মসাল এবং জন্মস্থান নিয়ে ঘোরতর গোলযোগ দেখা গিয়েছে। আসলে ভারতীয় বোর্ড এবার থেকে প্লেয়ারদের আধার কার্ড ‘আপডেট’ করা নিয়ে ভালোরকম কড়াকড়ি শুরু করে দিয়েছে। প্রত্যেক প্লেয়ারের আধার ‘আপডেট হিস্ট্রি’ খতিয়ে দেখতে বলা হচ্ছে বোর্ড অনুমোদিত সংস্থাদের। সিএবিও যার ব্যতিক্রম নয়। এত দিন নাম নথিভুক্ত করার আগে প্লেয়ারদের কাছ থেকে সাধারণ কিছু নথি চাওয়া হত। যেমন প্লেয়ারের ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেট। প্লেয়ারের বাবা বা মা. যে কোনও একজনের ভোটার কার্ড। স্থানীয় আধার কার্ড। আর স্কুলের একটা নথি। কিন্তু বোর্ড এবার আধার কার্ড ‘আপেডট হিস্ট্রি’ খুঁটিয়ে তল্লাশি করতে বলে দিয়েছে। যা থেকে বেরিয়ে আসবে, নির্দিষ্ট প্লেয়ারের জন্ম কোথায়? কোন সালে? যে বয়স সে জমা করছে, তা আদৌ সত্যি কি না? ত্রুটিমুক্ত কি না?
রবি কুমারের চেয়েও বেশি ঝঞ্ঝাট রোহিতকে নিয়ে। যিনি ইতিমধ্যে শ্রীলঙ্কা সফরের উদ্দেশে রওনা হয়ে গিয়েছেন। এবং ছানবিন করে দেখা যাচ্ছে, রোহিতের আধার কার্ড আপডেট হয়েছে সাত-সাত বার! ২০১৪ সালে প্রথমবার আধার রেজিস্ট্রেশনের সময় তাঁর জন্মতারিখ ছিল ৭-৭-২০০৭। ঠিকানা ছিল উত্তরপ্রদেশের। এবং পরের আপেডট-নামা নিয়ে পরের পর তুলে দেওয়া হল: ১) পরবর্তী আধার আপডেট: ২০১৭ সাল। জন্ম তারিখ করে দেওয়া হল: ২০০৬ সাল। ঠিকানা: উত্তরপ্রদেশ। ২) পরবর্তী আধার আপডেট, ২০২০ সাল। জন্ম সাল: ২০০৬। ঠিকানা। উত্তরপ্রদেশ। ৩) পরবর্তী আধার আপডেট: ২০২১ সাল। জন্ম সাল: ২০০৬ থেকে হয়ে গেল ২০০৯। ঠিকানা: উত্তরপ্রদেশ। ৪) পরবর্তী আপডেট: ২০২২ সাল। জন্ম সাল: ২০০৯। ঠিকানা: কোনা, হাওড়া, পশ্চিমবঙ্গ। ৫) পরবর্তী আপডেট: ২০২৩ সাল। ৬) শেষ আপডেট: ২০২৪ সাল। জন্ম সাল: ২০০৯। ঠিকানা: লিলুয়া, হাওড়া (ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, ফোন নম্বর আপডেট হয়েছে)।

যাক গে। প্রশ্ন হল, রোহিতের তা হলে কোনটা আসল বয়স? ২০০৬, ২০০৭? নাকি ২০০৯। ২০০৬ সাল হলে রোহিতের বয়স ইতিমধ্যে কুড়ি হয়ে গিয়েছে। তিনি ভারতের হয়ে অনূর্ধ্ব ১৯ টিমে থাকতেই তো পারবেন না। অথচ চলে গিয়েছেন শ্রীলঙ্কায় খেলতে। রবির আধার আপডেট হিস্ট্রি চেক করে তাঁরও দু’টো জন্ম সাল পাওয়া গিয়েছে। ২০০০ এবং ২০০৩। ২০০৩ সালে রবির জন্ম হয়ে থাকলে, তিনি অনূর্ধ্ব ২৩ পর্যায় খেলতে পারবেন এক বছর। আর জন্ম ২০০০ সালে হয়ে থাকলে, তাঁর ইতিমধ্যে বয়স ছাব্বিশ। জানা নেই, এরপর এঁরা দু’জন আর বাংলার হয়ে খেলতে পারবেন কি না? শোনা যাচ্ছে, রোহিত-রবি দু’জনকেই শুনানিতে সুযোগ দেওয়া হবে। বলা হবে, ভুলটা তাঁদের ক্ষেত্রে নাকি অন্যত্র, তা জানাতে। অন্যত্র ভুল হলে, তা পেশ করতে হবে প্রমাণ সহ। লিখিত ভাবে। নইলে বাংলার জার্সি আর তাঁরা পরতে পারবেন না। আর সেই কারণেই রবি বা রোহিত-দু’জনের একজনও বাংলার সম্ভাব্য কোনও প্রাথমিক দলে নেই।
রবি কুমারের চেয়েও বেশি কঞ্ঝাট রোহিতকে নিয়ে। যিনি ইতিমধ্যে শ্রীলঙ্কা সফরের উদ্দেশে রওনা হয়ে গিয়েছেন! এবং ছানবিন করে দেখা যাচ্ছে, রোহিতের আধার কার্ড আপডেট হয়েছে সাত-সাত বার। ২০১৪ সালে প্রথম বার আধার রেজিস্ট্রেশনের সময় তাঁর জন্মতারিখ ছিল ৭-৭-২০০৭। ঠিকানা ছিল উত্তরপ্রদেশের। এবং পরের আপেডট-নামা নিয়ে পরের পর তুলে দেওয়া হল: ১) পরবর্তী আধার আপডেট: ২০১৭ সাল। জন্ম তারিখ করে দেওয়া হল: ২০০৬ সাল। ঠিকানা: উত্তরপ্রদেশ।

২) পরবর্তী আধার আপডেট: ২০২০ সাল। জন্ম সাল: ২০০৬। ঠিকানা: উত্তরপ্রদেশ।
৩) পরবর্তী আধার আপডেট: ২০২১ সাল। জন্ম সাল: ২০০৬ থেকে হয়ে গেল ২০০৯! ঠিকানা: উত্তরপ্রদেশ।
৪) পরবর্তী আপডেট: ২০২২ সাল। জন্ম সাল: ২০০৯। ঠিকানা: কোনা, হাওড়া, পশ্চিমবঙ্গ!
৫) পরবর্তী আপডেট: ২০২৩ সাল।

রোহিতের আধার-আপডেট
প্রথম রেজিস্ট্রেশন (২০১৪): জন্ম তারিখ ৭-৭-২০০৭। ঠিকানা উত্তরপ্রদেশ।
প্রথম আপডেট: ২০১৭। জন্ম সাল: ২০০৬। ঠিকানা: উত্তরপ্রদেশ।
দ্বিতীয় আপডেট: ২০২০। জন্ম সাল: ২০০৬। ঠিকানা: উত্তরপ্রদেশ।
তৃতীয় আপডেট: ২০২১। জন্ম সাল: ২০০৯। ঠিকানা: উত্তরপ্রদেশ।
চতুর্থ আপডেট: ২০২২। জন্ম সাল: ২০০৯। ঠিকানা: কোনা, হাওড়া।
পঞ্চম আপডেট: ২০২৩। জন্ম সাল: ২০০৯। ঠিকানা: লিলুয়া।
ষষ্ঠ আপডেট: ২০২৪। জন্ম সাল: ২০০৯। ঠিকানা: লিলুয়া। জন্ম সাল: ২০০৯। ঠিকানা: লিলুয়া!
৬) শেষ আপডেট: ২০২৪ সাল। জন্ম সাল: ২০০৯। ঠিকানা: লিলুয়া, হাওড়া (ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা,
ফোন নম্বর আপডেট হয়েছে)।

যাক গে। প্রশ্ন হল, রোহিতের তা হলে কোনটা আসল বয়স? ২০০৬? ২০০৭? নাকি ২০০৯? ২০০৬ সাল হলে রোহিতের বয়স ইতিমধ্যে কুড়ি হয়ে গিয়েছে। তিনি ভারতের হয়ে অনূর্ধ্ব ১৯ টিমে থাকতেই তো পারবেন না! অথচ চলে গিয়েছেন শ্রীলঙ্কায় খেলতে! রবি- আধার আপডেট হিস্ট্রি চেক করে তাঁরও দু’টো জন্ম সাল পাওয়া গিয়েছে। ২০০০ এবং ২০০৩। ২০০৩ সালে রবির জন্ম হয়ে থাকলে, তিনি অনূর্ধ্ব ২৩ পর্যায় খেলতে পারবেন এক বছর। আর জন্ম ২০০০ সালে হয়ে থাকলে, তাঁর ইতিমধ্যে বয়স ছাব্বিশ।

জানা নেই, এরপর এঁরা দু’জন আর বাংলার হয়ে খেলতে পারবেন কি না? শোনা যাচ্ছে, রোহিত-রবি দু’জনকেই শুনানিতে সুযোগ দেওয়া হবে। বলা হবে, ভুলটা তাঁদের ক্ষেত্রে নাকি অন্যত্র, তা জানাতে। অন্যত্র ভুল হলে, তা পেশ করতে হবে প্রমাণ সহ। লিখিত ভাবে। নইলে বাংলার জার্সি আর তাঁরা পরতে পারবেন না। আর সেই কারণেই রবি বা রোহিত-দু’জনের একজনও বাংলার সম্ভাব্য কোনও প্রাথমিক দলে নেই!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles