Monday, June 29, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

বিশ্বকাপের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে কানাডা! আয়োজক দেশের কাছে হেরে বিদায় নিল দক্ষিণ আফ্রিকার

RK NEWZ বিশ্বকাপের ৯৬ বছরের ইতিহাসে এটিই ছিল প্রথম রাউন্ড অফ ৩২-এর ম্যাচ। সেই ম্যাচে যোগ্য দল হিসাবেই বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিয়েছে কানাডা। গোটা ম্যাচে ভাল খেলেছে তারাই। অনেক বার দক্ষিণ আফ্রিকার গোলের সামনে এসেও সুযোগ নষ্ট করেছে। অথবা তাদের আক্রমণ প্রতিহত হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার রক্ষণে। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার জমাট রক্ষণ ভেঙে পড়ল এক বারই। সেই সুযোগই কাজে লাগিয়ে শেষ ষোলোর টিকিট আদায় করে নিল কানাডা। বিশ্বকাপের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে গেল কানাডা। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে গোল না পেলেও সংযুক্তি সময়ে অবশেষে দক্ষিণ আফ্রিকার রক্ষণ ভাঙতে পারল তারা। সংযুক্তি সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে গোল করেন অধিনায়ক স্টিফেন এস্তাকিয়ো। ১-০ গোলে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে প্রথম বার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় উঠল কানাডা। ম্যাচের শুরু থেকেই কানাডার রণনীতি ছিল পরিষ্কার। আক্রমণের ঝড় তুলে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যতিব্যস্ত করে তুলতে চেয়েছিল তারা। সেই কাজে সফলও হয়েছিল। কিন্তু কানাডার দলে ভাল কোনও ফিনিশার ছিলেন না, যিনি সুযোগগুলো কাজে লাগিয়ে গোল করে আসবেন। জোনাথন ডেভিডকে এ দিন খুঁজে পাওয়া যায়নি। ক’টি বল তিনি পায়ে লাগিয়েছেন সন্দেহ রয়েছে। তার পরেও কানাডার আক্রমণ বজায় ছিল মূলত এস্তাকিয়ো এবং নাথান সালিবার জন্য। প্রথমার্ধের শেষের দিকে একের পর এক নাটক দেখা গিয়েছে। এস্তাকিয়োর কর্নার থেকে বোম্বিতো হেড করেছিলেন। সেই বল গোললাইন থেকে কোনও মতে বাঁচান দক্ষিণ আফ্রিকার ডিফেন্ডার মোদিবা। ফিরতি হেড এবং শট বাঁচান গোলকিপার রনওয়ে উইলিয়ামস। কোনও মতে সে যাত্রা দক্ষিণ আফ্রিকা বেঁচে যায়। এর পরেই তৈরি হয় বিতর্ক। দক্ষিণ আফ্রিকার বক্সে বল নিয়ে ঢুকে পড়েছিলেন কানাডার লারিয়া। তাঁকে ট্যাকল করেন মুদাউ। কানাডার খেলোয়াড়েরা পেনাল্টির আবেদন করলেও রেফারি তাতে কর্ণপাত করেননি। এমনকি, ঠিক করে ‘ভার’ পরীক্ষাও হয়নি। রিপ্লে-তে দেখা গিয়েছে, লারিয়া বল নিয়ে এগিয়ে গিয়েছিলেন ঠিকই। কিন্তু শট মারার আগে তাঁর সামনে পা বাড়িয়ে দেন মুদাউ। এ সব ক্ষেত্রে রেফারি পেনাল্টি দিতেও পারেন, না-ও দিতে পারেন। যদিও সমর্থকেরা এই সিদ্ধান্ত মানতে পারেননি। বিরতির বাঁশি বাজার পর রেফারির উদ্দেশে ব্যাঙ্গাত্মক শিস দিয়ে ভরিয়ে দেন। বিরতির পরেও কানাডার দৃষ্টিভঙ্গিতে কোনও বদল হয়নি। তারা ক্রমাগত আক্রমণ করতে থাকে দক্ষিণ আফ্রিকার বক্সে। পাল্টা আগ্রাসী খেলছিল দক্ষিণ আফ্রিকাও। দু’দল পালা করে আক্রমণ করতে থাকে। তার মধ্যে কানাডার তানি ওলুয়াসেয়ি এবং দক্ষিণ আফ্রিকার ওসউইন আপোলিসের শট থেকে গোল হতেই পারত। শেষ দিকে দু’দলের খেলা দেখেই মনে হচ্ছিল ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়াবে। কিন্তু সংযুক্তি সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে সব বদলে যায়। ডান দিক থেকে সতীর্থের পাস পেয়েছিলেন এস্তাকিয়ো। একটু সময় নিয়ে ডান পায়ে জোরালো শট মারেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকা গোলকিপার জায়গাতেই ছিলেন না। ওখানেই কানাডার জয় নিশ্চিত হয়ে যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles