RK NEWZ ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁকে দেওয়া এক চিঠিতে অভিষেক জানান, স্বনামধন্য এক ক্রীড়া সংস্থায় অর্থের বিনিময়ে খেলার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচনে থ্রেট কালচারেরও উল্লেখ করেন তিনি। কিন্তু অভিষেক একবারের জন্যও সিএবির নাম করেননি। যদিও ময়দানের অনেকে মনে করছেন, নাম না করলেও অভিষেকের নিশানায় সিএববি’ই। এই চিঠির প্রেক্ষিতে মুখ খুলেছেন ক্রীড়ামন্ত্রীও। ভবিষ্যতে বিষয়টি নিয়ে পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছেন। সিএবি’তে পত্রযুদ্ধের উত্তাপ আরও বাড়ল। বৃহস্পতিবার ফের নতুন করে মুখ খুললেন সিএবির প্রাক্তন সভাপতি অভিষেক ডালমিয়া। বঙ্গ ক্রীড়াদুনিয়ায় এবার ‘অপারেশন ক্লিন আপ’ শুরু করার ডাক দিলেন তিনি। সাফ জানিয়েছেন, তিনি পদে থাকাকালীন সিএবির একাধিক অনিয়মের অভিযোগে যথাযথ তদন্ত করেছেন এবং অন্তত ৫০ জনকে শাস্তিও দিয়েছেন। কিন্তু বর্তমানে নানা দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতেও ভয় পান সাধারণ মানুষ। উল্লেখ্য, প্রথম চিঠির মতোই এবারও সিএবির নাম উল্লেখ করেননি অভিষেক। সিএবি এই চিঠি দেওয়ার পরদিনই ফের সরব অভিষেক। এবার তাঁর বক্তব্য, ‘সুযোগ পাইয়ে দেওয়ার নামে টাকা দাবি করা, ভুয়ো নথিপত্র তৈরি করা, যোগ্য ক্রীড়াবিদদের বঞ্চিত করা-এসব বন্ধ হোক। এই অনিয়ম দেখলে আমজনতা যেন প্রতিবাদটুকু করতে পারেন, সেই স্বাধীনতা থাকুক। আমি চাই ক্রীড়াক্ষেত্রে শুরু হোক অপারেশন ক্লিন আপ। দোষীদের শাস্তি দেওয়া হোক। ক্রীড়াক্ষেত্র শুদ্ধ হোক।’ যাবতীয় অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করার জন্য বিশেষ হেল্পলাইনের আর্জিও জানিয়েছেন অভিষেক। কার্যত আগ বাড়িয়ে এই অভিযোগের সঙ্গে নিজেকে জড়িয়ে ফেলে সিএবি। ক্রীড়ামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সিএবি সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। বঙ্গ ক্রিকেট সংস্থার তরফে দীর্ঘ চিঠি দিয়ে জানানো হয়, সিএবির অন্দরে যাবতীয় কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা বজায় থাকে। বাংলার ক্রিকেটের স্বার্থেই কাজ করে সংস্থা। চিঠিতে আরও বলা হয়, অভিষেকের পত্রবাণের জেরেই এই চিঠি পাঠাচ্ছ সিএবি। তাতে প্রশ্ন ওঠে, অভিষেকের চিঠিতে কোথাও সিএবির নাম ছিলই না। তাহলে সিএবি কেন যেচে সাফাই গাইতে গেল? এটা কি খানিকটা ‘ঠাকুরঘরে কে? আমি তো কলা খাইনি’ হয়ে গেল?





