পিচ বিতর্ক! ক্রিকেট সংস্থাকেই অপমান। মেনে নেওয়া যায়না। ধারাভাষ্যকার হর্ষ ভোগলে ও সাইমন ডুল। ইডেন কিউরেটর নিয়ে বলে আদতে ক্রিকেট সংস্থাকেই অপমান করেছেন। অতএব, চলতি আইপিএলে ইডেনের কোনও ম্যাচ না দেওয়া হয় দুজনকে! বাকি ধারাভাষ্যকাররা ইডেনে স্বাগত। তাঁরা আসুন। কমেন্ট্রি করুন। কিন্তু এঁরা দু’জন নয়। সিএবি’র তরফ থেকে ভারতীয় বোর্ডের কাছে চিঠি। দুই আইপিএল ভাষ্যকার বনাম ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল অর্থাৎ সিএবি! বোর্ডের তরফ থেকে এখনও সিএবি’র চিঠির প্রত্যুত্তর আসেনি। হর্ষ বা সাইমন, দু’জনের একজনও আসেননি এখনও পর্যন্ত ইডেনে ধারাভাষ্য দিতে! পিচ নিয়ে সিএবি বনাম ধারাভাষ্যকার বিতর্ক। ইডেনে নাইটদের আর কোনও ম্যাচে ধারাভাষ্য দিতে আসবেন না হর্ষ ভোগলে। সাইমন ডুলের ক্ষেত্রেও একই পরিণতি। ইডেনে নাইটদের আর কোনও ম্যাচেই থাকবেন না হর্ষ। প্লে অফের একটি ম্যাচ ও ফাইনাল হবে ইডেনে।
ইডেনে আরসিবি’র বিরুদ্ধে কেকেআরের হারের পর, কেকেআর অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানের ঘূর্ণির আবেদন এবং ইডেন কিউরেটর সুজন মুখোপাধ্যায়ের প্রত্যাখ্যানে দু’জন ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন কিউরেটরের উপর!সাইমন বলেন, ‘‘স্টেডিয়াম ফিজ না দেওয়ার পরেও যদি হোম গ্রাউন্ডের কিউরেটর ফ্র্যাঞ্চাইজির পছন্দ মতো পিচ না দিতে চান, তা হলে ঘরের মাঠ পালটে ফেলুক সেই ফ্র্যাঞ্চাইজি! আর কিউরেটের কাজ খেলা নিয়ে মতামত দেওয়া নয়। তার জন্য তিনি টাকা পান না!’’ হর্ষরও একই সুর, ‘‘যখন একটা টিম হোম গ্রাউন্ডে খেলছে, তখন ঘরের মাঠে খেলার সুযোগ-সুবিধে তাদের পাওয়া উচিত। ওরা বোলারদের জন্য পিচ চাইছে, সেটা ওদের পাওয়া উচিত। ইডেন কিউরেটর কী বলেছেন, দেখেছি আমি। আমি কেকেআর শিবিরে থাকলে, ওঁর মন্তব্য শুনে অত্যন্ত হতাশ হতাম। আমি তো একশো কুড়ি রানের সারফেস চাইছি না। আমি এমন পিচ চাইছি, যেখানে বোলাররা ম্যাচ জেতাতে পারে। কিন্তু উনি যে বলেছেন, সরি আমার পক্ষে অমন পিচ তৈরি করা সম্ভব নয়, এটা মানা যায় না।’’
এদিকে, অন্য ছবি ইডেনেই। সদ্য একে-অপরকে ‘আনফলো’ করেছেন শুভমান গিল ও সারা তেণ্ডুলকর। শুভমানকে উদ্দেশ্য করে প্রশ্ন, “সামনেই কি বিয়ে?” আইপিএলে গুজরাট শীর্ষস্থানে। গিলও সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ইডেনে নাইটদের বিরুদ্ধে ৫৫ বলে ৯০ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন। টসের সময় ক্রিকেট সংক্রান্ত কথাবার্তার মধ্যেই সঞ্চালক ড্যানি মরিসন জিজ্ঞেস করলেন, “তোমাকে দেখে বেশ হাসিখুশি মনে হচ্ছে। কী ব্যাপার? বিয়ের ফুল উঠল নাকি? সামনেই কি বিয়ে?” কিছুটা লজ্জিত গিল হাসিমুখেই উত্তর দেন, “না সেরকম কোনও ব্যাপার নেই।”
বিয়ের পর আবার ইডেনে সস্ত্রীক দিলীপ ঘোষ। ক্লাব হাউসেই হয়েছিল পাকা কথা। সোম সন্ধ্যায় স্ত্রীকে নিয়ে ক্লাব হাউসে বসে দেখলেন কলকাতা নাইট রাইডার্স বনাম গুজরাট টাইটান্সের ম্যাচ। দম্পতিকে ঘিরে ছিল কৌতূহলীদের ভিড়। শুভেচ্ছা জ্ঞাপনে প্রাক্তন ক্রিকেটার থেকে বিপক্ষ রাজনৈতিক দলের বিধায়কও। সিএবি প্রেসিডেন্টের ঘরে বসিয়ে মিষ্টিমুখ করালেন সৌরভ এবং স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়। সবমিলিয়ে কলকাতার ম্যাচ চলাকালীন এক অভিনব দৃশ্যের সাক্ষী। ক্লাব হাউসে স্ত্রী রিঙ্কুকে পাশে নিয়ে খেলা দেখলেন দিলীপ। প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা বিজেপি বিধায়ক অশোক দিন্দা নতুন জীবনের শুভেচ্ছা জানালেন দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতিকে। ক্লাব হাউসে কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র দিলীপকে জড়িয়ে ধরে নতুন ইনিংসের জন্য শুভেচ্ছা জানান। উপস্থিত ছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। নব দম্পতিকে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি মিষ্টিমুখ করান।নব দম্পতিকে। দিলীপ ঘোষের উত্তর, “এটাই দিলীপ ঘোষ। মাঠে খেলাও করে আবার আন্দোলনও করে। ৪০ বছর ধরে এটা করছে।”

ইডেন গার্ডেন্সে দাপটের সঙ্গে কেকেআরকে হারাল গুজরাট টাইটান্স। প্রশ্নের মুখে নাইট শিবির। নাইটদের বিরুদ্ধে নায়ক ইডেনে অধিনায়ক শুভমান গিল। যোগ্য সঙ্গত সাই সুদর্শনের। ৫৫ বলে ৯০ রানের দুর্দান্ত ব্যাটিং গিলের। ৩৬ বলে ৫২ রান সুদর্শনের। ব্যাট হাতে ঝড় তুলে জস বাটলার ২৩ বলে ৪১ রানে অপরাজিত। ৩ উইকেটে ১৯৮ রান গুজরাত টাইটান্সের। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৩৯ রানে হার কলকাতা নাইট রাইডার্সের। টসে জিতে এদিন প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নাইট অধিনায়ক রাহানে। প্রথম একাদশে জোড়া বদল। কুইন্টন ডি’কককে বসিয়ে দলে গুরবাজ। চলতি আইপিএলে প্রথমবার নেমে ফিরলেন মাত্র ১ রান করে। আনরিখ নখিয়ার পরিবর্তে মইন আলি। ৩ ওভারে ২৭ রান দিয়ে ঝুলি শূন্য। ইডেন দর্শকদের মন জয় করলেন প্রাক্তন নাইট শুভমান গিল। অধিনায়কের ৫৫ বলে ৯০ রানের চোখ ধাঁধানো ইনিংস। ক্রিকেটের নন্দনকাননে অধিনায়ক হিসেবেও মাস্টারস্ট্রোক গিলের। কেকেআরের সবচেয়ে বড় শক্তি বরুণ ও নারাইন। দু’জন বিশ্বমানের স্পিনার। শিক্ষা নিতে হবে রশিদ খান, সাই কিশোর, ওয়াশিংটন সুন্দরদের কাছে। কী ভাবে শুকনো পিচ কাজে লাগাতে হয় দেখালেন গুজরাতের স্পিনারেরা। রশিদ খানের হাতে কেকেআরকে কার্যত আত্মসমর্পণ করল। আফগান স্পিনারও নেন জোড়া উইকেট।
রান তাড়া করতে নেমে বেরিয়ে এল কেকেআরের কঙ্কালসার অবস্থা। ১৯৯ রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংএর দেখা নেই। রাহানে অন্তত চেষ্টা করে অর্ধশতরানও করলেন। আন্দ্রে রাসেল ২১ রানে ফিরলেন প্যাভিলিয়নে। ২৩ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকার বেঙ্কটেশ আয়ার? আইপিএলের আগে যিনি অধিনায়ক হতে চেয়েছিলেন, সেই বেঙ্কটেশকে মাঠে চোখে পড়ে না। গুজরাত। তাদের কোচ আশিস নেহরা কখনও ডাগআউটে বসেন না। বাউন্ডারির ধারে ঘুরে বেড়ান। যখন যাঁকে দরকার, গিয়ে পরামর্শ দেন। ইডেনেও সেটা দেখা যাচ্ছিল। শুভমনের কানের কাছে অনেক কিছু বললেন। পরের ওভারেই নারাইন আউট হলেন। কেকেআরের প্রধান কোচ চন্দ্রকান্ত পণ্ডিত সারা ক্ষণ হতাশ মুখে ডাগআউটে বসে থাকেন। আরও এক বার কেকে-হার হয়ে উঠেছে দল। তার নেপথ্যে বড় ভূমিকা রাহানের। তাঁকে বুঝতে হবে, শুধু পিচের দোষ দিলে হবে না, ম্যাচ জিততে গেলে ভাল খেলতে হবে। উত্তরের খোঁজ কিং খানের টিম ম্যানেজমেন্ট?
প্লে-অফে কেকেআর? দরকার ১৬ পয়েন্ট। জিততে হবে ৫টি ম্যাচ। ইডেনে গুজরাট টাইটানসের কাছে হার। নাইট রাইডার্সের প্লে-অফে যাওয়ার রাস্তা কঠিন। ২০১৯ আইপিএলে শেষবার ১২ পয়েন্ট নিয়ে প্লে-অফে ওঠে। সেবার লড়াই ছিল ৮ দলের। আইপিএল ১০ দলের টুর্নামেন্ট। ২০২৪ সালে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে প্লে-অফে ওঠে আরসিবি। ১৬ পয়েন্টের কমে প্লে-অফে যাওয়া সম্ভব নয়। চলতি আইপিএলে ইতিমধ্যেই ১০ পয়েন্টে দিল্লি, আরসিবি, পাঞ্জাব ও লখনউ দাঁড়িয়ে। ১২ পয়েন্টে গুজরাট। কেকেআর ৮ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট। কেকেআরের ম্যাচ বাকি ৬। নাইট রাইডার্সকে ১৬ পয়েন্টে পৌঁছতে ৫ ম্যাচ জিততেই হবে। ১৪ পয়েন্টে কেকেআরকে জিততে হবে ৪ ম্যাচ। কেকেআরের হোম ম্যাচ বাকি ৩টি। পাঞ্জাব, রাজস্থান ও চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে ইডেনের তিনটি ম্যাচে কলকাতা জিতলেও দিল্লি, হায়দরাবাদ ও আরসিবির বিরুদ্ধে অ্যাওয়ে ম্যাচের ২টিতে জেতা রাহানেদের পক্ষে সহজ নয়। কেকেআর ঘরের মাঠে ৪টি ম্যাচের মধ্যে ৩টিতে হেরেছে। লিগ টেবিলের প্রথম চারে থেকে প্লে-অফে যাওযার রাস্তা ক্রমশ কঠিন কেকেআরের। কেকেআরের সামনে প্লে-অফে যাওয়ার সুযোগ এখনও আছে। আর একটি ম্যাচ হারলেই পরিস্থিতি ডু-অর-ডাই। ২টি ম্যাচ হারলে ভাগ্যের উপর নির্ভর নাইট রাইডার্সের প্লে-অফ। নেট রান-রেটের জটিল অঙ্কও সামনে চলে আসবে। ২টি ম্যাচ হারলে কেকেআরের বিদায়ের সম্ভাবনা নিশ্চিত।
কলকাতা নাইট রাইডার্সের ঘরের মাঠ ইডেন গার্ডেন্সে ৩৯ রানে জয়ী গুজরাট টাইটান্স। শুভমন গিলের শতরান মিস। নাইট রাইডার্সের ব্যাটিং ব্যর্থতাই এই হারের কারণ। ইডেন গার্ডেন্সে টস জিতে রাহানে ফিল্ডিং নিলেও এবারের আইপিএলে কেকেআরের চেজ ভালো না। উইকেট কেকেআর নিজেদের পছন্দ মতো পাচ্ছে না। ফলে টস জিতে ফিল্ডিং নেওয়ায় রাহানে আরও চাপে। এই ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করলে ইডেনের ফ্রেশ পিচে ব্যাটিং করতে পারত। পরের দিকে উইকেটে ফাটল ধরলে কেকেআরের স্পিনাররা সামান্য হলেও সুবিধা পেতে পারতেন। প্রথমে বল করে বরুণ, মইন, সুনীলরা রানের ইকোনমি থেকে রাশিদ খান, সাই কিশোরদের বোলিং ইকোনমিত ভালো। কেকেআরের হারের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ালেন আন্দ্রে রাসেল। বছরের পর বছর রাখা হয়েছে ফিনিশ করার জন্য। অথচ ১৫ বল খেলে ১৫০র কম স্ট্রাইক রেটে করলেন ২১ রান। এবারের আইপিএলে রাসেলের সংগ্রহ ৫৫ রান, ৮ ম্যাচে। কেকেআরের ওপেনাররা পাওয়ারপ্লের মধ্যে সাজঘরে। ডি ককেক পরিবর্তে গুরবাজ এবং নারিন দুজনেই ফ্লপ। রাহানেকে পাওয়ার প্লের মধ্যে নেমে হাফ সেঞ্চুরি করেও দলকে জেতানো সম্ভব হল না। ৯ নম্বরে ব্যাট করতে পাঠানো হল অংকৃষ রঘুবংশীকে। করেনও ২৭ রান। স্পেশালিস্ট ব্যাটারই নাইটদের হয়ে সব থেকে বেশি স্ট্রাইক রেটে রান করেন। বেঙ্কটেশ আইয়ার বা রমনদীপ সিংয়ের আগে নামানো হল না। বেঙ্কি এবং রমন দুজনেই কেকেআরের বিড়ম্বনার কারণ। টিম ম্যানেজমেন্টই ফিল সল্ট, মিচেল স্টার্কদের ছেড়ে ভুল করেছে। বেঙ্কটেশ আইয়ারকে অলরাউন্ডার হিসেবে ব্যবহার করতে পারলে নেওয়ার দরকার ছিল এত দামে? দল নির্বাচনের ক্ষেত্রে ম্যানেজমেন্ট এবং কোচ চন্দ্রকান্ত পণ্ডিতের দূরদর্শিতা নিয়েও বড়সড় প্রশ্ন।
আন্দ্রে রাসেল। আট ম্যাচে ৫৫ রান। বার বার স্পিনারের বলে আউট। রভমান পাওয়েলের মতো বিকল্প থাকা সত্ত্বেও আন্দ্রে রাসেল কেন? রাসেলের ব্যর্থতা ঢাকতে মরিয়া দলের মেন্টর ডোয়েন ব্র্যাভো। ব্র্যাভো বলেন, “রাসেল যথেষ্ট অভিজ্ঞ এবং সফল ক্রিকেটার। দুটো ম্যাচে লেগস্পিনারের বলে আউট হলেও মনো হয় না দল হিসাবেও আমরা ভাল ব্যাট করেছি। এটাই বাস্তব। একা রাসেলকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। সমস্যা সবার। দল হিসাবে আমাদের আরও পরিশ্রম করতে হবে এবং দায়িত্ব নিতে হবে। আইপিএল একটা কঠিন প্রতিযোগিতা। অনেক সময়ই মাঝে আত্মবিশ্বাস হারিয়ে যায়। এখন আমাদের সেটাই হচ্ছে। বেশির ভাগ সময় রাসেল যখন ব্যাট করতে আসে তখন প্রতি ওভারে ১৪/১৫ রান দরকার। ও যাতে ম্যাচ শেষ করতে পারে সেই মঞ্চ আগের ব্যাটারদেরই তৈরি করে দিতে হবে। সবাইকে ভাল ব্যাট করতে হবে। রঘুবংশীকে নয়ে নামাব এমন পরিকল্পনা নিয়ে তো নামিনি। ম্যাচটা এমন দিকে গড়াল যে ওকে নয়ে নামাতেই হল। আমরা ডান হাতি-বাঁ হাতি কম্বিনেশন খেলাতে চেয়েছিলাম। দলে অনেক বাঁ হাতি ব্যাটার রয়েছে। তাই ব্যবহার করতে চেয়েছিলাম।”
৮ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে এই ম্যাচের পর পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে গুজরাট টাইটান্স। দিল্লি ক্যাপিটালসের ৭ ম্যাচে পয়েন্ট ১০, নেট রানরেট ০.৫৮৯, দ্বিতীয় স্থানে অক্ষর প্যাটেলরা। তৃতীয় স্থানে আরসিবির পয়েন্ট ৮ ম্যাচে ১০, নেট রানরেট ০.৪৭২। ৮ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট পাঞ্জাব কিংসের, নেট রানরেট ০.১৭৭। ১০ পয়েন্টে লখনউ সুপার জায়ান্ট। ৮ ম্যাচ শেষে নেট রানরেট ০.০৮৮, পয়েন্ট টেবিলে পঞ্চম স্থানে। ৮ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স, নেট রানরেট ০.৪৮৩। কেকেআর সপ্তম স্থানে, ৮ ম্যাচে পয়েন্ট ৬, নেট রান রেট ০.২১২। অষ্টম স্থানে রাজস্থান রয়্যালসের পয়েন্ট ৮ ম্যাচে ৪, নেট রানরেট -০.৬৩৩। নবম স্থানে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের পয়েন্ট ৭ ম্যাচে চার, নেট রান রেট -১.২১৭। শেষে চেন্নাই সুপার কিংস, ৮ ম্যাচ থেকে পয়েন্ট ৪। নেট রান রেট -১.৩৯২।




