Tuesday, June 9, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

তৃণমূল আমলে সীমাহীন দুর্নীতি! ১০০ দিনের কাজে স্বচ্ছতায় কড়া নির্দেশ!‌ইউনিয়ন রুমে কন্ডোম, নেশার সামগ্রী! তৃণমূল ছাত্রনেতাদের লালসার শিকার?

RK NEWZ রাজ্যে ১২৫ দিনের কাজের প্রকল্পে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে জেলাশাসকদের কড়া নির্দেশিকা পাঠাল রাজ‌্য সরকার। নবান্নের সুস্পষ্ট নির্দেশ, ‘মহাত্মা গান্ধী ন‌্যাশানাল রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ‌্যারেন্টি স্কিম’ বা ‘এমজিএনআরইজিএস’ প্রকল্পের বাস্তবায়নে আগের থেকে অনেক বেশি সতর্ক থাকতে হবে জেলাশাসকদের। নবান্নের সুস্পষ্ট নির্দেশ, ‘মহাত্মা গান্ধী ন‌্যাশনাল রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ‌্যারেন্টি স্কিম’ বা ‘এমজিএনআরইজিএস’ প্রকল্পের বাস্তবায়নে আগের থেকে অনেক বেশি সতর্ক থাকতে হবে জেলাশাসকদের। আজ, সোমবার মুখ‌্যসচিব জেলাশাসকদের এই নির্দেশ পাঠিয়ে জানিয়েছেন, জেলাশাসকদের দায়বদ্ধতার পাশাপাশি স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দফায় দফায় নজরদারি চালাতে হবে। তৃণমূল আমলে সীমাহীন দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ। মুখ‌্যমন্ত্রী আগেই  জানিয়েছিলেন, মুর্শিদাবাদ এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা বাদে কেন্দ্রীয় সরকারের নয়া নামকরণ অনুযায়ী ভিবিরামজি প্রকল্প শুরু হবে জুনের প্রথম সপ্তাহ থেকেই। সেই মতো এদিন মুখ‌্যসচিব জেলাশাসকদের জানিয়েছেন, এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের যে আইন রয়েছে, তা পুরোপুরি মেনে চলতে হবে। কঠোরভাবে মানতে হবে আর্থিক গাইডলাইনও। এর আগে এই প্রকল্প ঘিরে বারবার উঠেছে দুর্নীতির অভিযোগ। ফের যাতে তার পুনরাবৃত্তি না হয়, সেজন‌্য আগে থেকেই প্রশাসন সর্তক থাকতে চাইছে বলে মনে করছে আমলা মহল। এদিন তাই নির্দেশিকায় মুখ‌্যসচিব জেলাশাসকদের বলেছেন, আগের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, ভুল পরিকল্পনা, নজরদারির বাইরে বেশ কাজের অনুমোদন দেওয়া, বেঠিক বাস্তবায়ন, সঠিকভাবে তথ‌্য যাচাই না করা, বিভিন্ন বিধি অমান‌্য করা, কাজ শেষ করতে দেরি, এমআইএস আপডেটে বিলম্ব, কাজের যথেষ্ট পরিদর্শন না করা, দুর্বল সামাজিক সমীক্ষা এবং পর্যাপ্ত তথ‌্য না রাখায় এই প্রকল্পটিকে সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। একই সঙ্গে জেলাশাসকদের জানানো হয়েছে, এই প্রকল্পের মূল লক্ষ‌্য হল, উৎপাদনশীল এবং স্থিতিশীল সামাজিক সম্পদ তৈরি করা। যেখানে প্রাকৃতিক সম্পদের সঠিক ব‌্যবহার, জল সংরক্ষণ, খরা প্রতিরোধ, বন্যা রোখা, সেচ ব‌্যবস্থার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া। তাই এক্ষেত্রে অত‌্যন্ত সজাগভাবে প্রকল্পের কাজ নির্বাচন করতে হবে জেলাশাসকদের। বাস্তবায়নের প্রতিটি পর্যায় নির্ধারিত সরকারি ডিজিটাল ব‌্যবস্থার মাধ‌্যমে যাচাইযোগ্য ডিজিটাল নথি তৈরি করতে হবে। স্বচ্ছতা বজায় রাখার পাশাপাশি কোনওভাবেই যেন সরকারি অর্থের অপব‌্যয় না হয়, তার জন‌্য কড়া নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ‌্যসচিব। এর অন‌্যথা হলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিক ও কর্মীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রকল্প শুরুর আগে প্রতিটি জেলা ধরে ধরে ২.৫৬ কোটি জব কার্ডধারীর ডাটাবেস খতিয়ে দেখতে হবে। যাতে অযোগ‌্য কেউ এই তালিকায় না ঢুকে পড়ে। সেক্ষেত্রে প্রত্যেকের ই-কেওয়াইসি যাচাই করে নিশ্চিত হতে হবে। নির্দেশিকা অনুযায়ী আধার-ভিত্তিক পেমেন্ট সিস্টেম (এবিপিএস)-এর মাধ্যমে মজুরি প্রদান করা হবে। জানানো হয়েছে, আইন অনুযায়ী প্রকল্পের ‘প্রোগ্রাম অফিসার’ হিসেবে ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক বা বিডিও যথাযথ পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করবেন। তাঁকে অভিযোগের নিষ্পত্তি এবং নথি সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য তিনি নিয়মিত কাজ পরিদর্শন এবং সময়মতো সংশোধনের ব্যবস্থা করবেন। 

আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংগঠনের ঘরে মিলল কন্ডোম, নেশার সামগ্রী! ঘটনা নিয়ে তুমুল হইচই শিক্ষাঙ্গনে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতর কীভাবে এসব এল, সেই প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনায় অভিযোগের আঙুল তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দিকে। যদিও এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মুখ খুলতে চাননি। আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংগঠনের ঘরে মিলল কন্ডোম, নেশার সামগ্রী! ঘটনা নিয়ে তুমুল হইচই শিক্ষাঙ্গনে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতর কীভাবে এসব এল, সেই প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনায় অভিযোগের আঙুল তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দিকে। যদিও এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মুখ খুলতে চাননি। এর আগে কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজে পাওয়া গিয়েছিল কন্ডোমের প্যাকেট। কলেজের ভিতরেই দেখা যায় বিলাসবহুল এসি বেডরুম। সেই ঘরেই ছিল খাট। শুধু তাই নয়, বন্ধ ইউনিয়ন রুম থেকে পাওয়া যায় উইয়ে খাওয়া লক্ষ লক্ষ টাকা। সেই ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। তৃণমূলের বিভিন্ন কার্যালয় থেকেও উদ্ধার হচ্ছে কন্ডোম! সেই আবহে এবার উত্তরবঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিয়ন রুম থেকে উদ্ধার কন্ডোম, নেশার বিভিন্ন সামগ্রী। তৃণমূল কংগ্রেস আমলেই আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয় শুরু হয়েছে। যদিও একাধিক বিষয়ে অভিযোগ রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে। আজ, সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইউনিয়ন রুমের দরজার তালা ভেঙে ভিতরে ঢুকেছিলেন অখিল ভারতী বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্যরা। ঘরের ভিতরের পরিস্থিতি দেখেই হতবাক হন তাঁরা। দেখা যায়, ঘরের ভিতর প্রচুর সংখ্যায় কন্ডোমের প্যাকেট পড়ে রয়েছে। শুধু তাই নয়, ভিতরে মদের ভাঙা বোতল ছড়িয়েছিটিয়ে রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে গাঁজার কল্কে। নেশার সিরিঞ্জও পাওয়া গিয়েছে ইউনিয়ন রুম থেকে! তৃণমূল আমলে এই ইউনিয়ন রুম তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দখলে ছিল। তৃণমূল আমলে এখানে অসাধু কাজকর্ম হত বলে অভিযোগ। তৃণমূল ছাত্রনেতাদের লালসার শিকার কারা হয়েছেন? সেই প্রশ্ন উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ইউনিয়ন রুমের মধ্যে এভাবে নেশা কীভাবে চলতে পারে? সেই প্রশ্নও উঠেছে। আলিপুরদুয়ার নগর মণ্ডলের এবিভিপির সম্পাদক রজত দে সরকার বলেন, “গাঁজার কল্কে ও পুরিয়া, কন্ডোম, নেশার সিরিঞ্জ, ভাঙা মদের বোতল ও অন্যান্য কিছু মিলেছে। ছাত্র ইউনিয়ন রুমে কারা এসব আনল? আমরা তা তদন্ত করে দেখার দাবি তুলেছি।” বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে এই ঘটনার তদন্ত করে দোষিদের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ দেখায় এবিভিপি। যদিও বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনও মন্তব্য করতে চান নি। আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সরিৎকুমার চৌধুরি বলেন, “এই ঘটনা আমাদের সামনে ঘটেনি। আদালতের নির্দেশে ইউনিয়ন রুম বন্ধ। এখনও তা তালাবন্ধই আছে। ফলে এই বিষয়ে আমি কিছু বলতে চাইছি না।” জানা গিয়েছে, এই ঘটনার পর ছাত্ররাই ফের ইউনিয়ন রুমে তালা মেরে দেয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles