Sunday, May 24, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

ফলতার পুনর্নির্বাচনের ফলাফলেও উধাও ‘‌পুস্পারাজ’‌!‌ ফার্স্ট বয় বিজেপি প্রার্থী, দ্বিতীয় স্থানে সিপিএম, কংগ্রেসের পর চতুর্থ স্থানে তৃণমূল

শুভেন্দু অভিনন্দন জানিয়েছেন বিজেপির প্রার্থী দেবাংশু পাণ্ডাকে। লক্ষাধিক ভোটে বিজেপি প্রার্থীর জয় নিশ্চিত করার জন্য ধন্যবাদ দিয়েছেন ভোটারদেরও। ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’ এখন তৃণমূলের ‘হার-বার মডেল’। ফলতার নির্বাচনে ফল একপ্রকার স্পষ্ট হতেই সমাজমাধ্যমে তৃণমূলকে কটাক্ষ করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সরাসরি নাম না নিলেও তাঁর কটাক্ষের নিশানায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বিভিন্ন নির্বাচনী প্রচারে তাঁর মুখেই শোনা যেত ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’-এর কথা। শুভেন্দুর আরও খোঁচা, আগামী দিনে তৃণমূলের লড়াই হবে ‘নোটা’-র বিরুদ্ধে। এর পরেই শুভেন্দু অভিনন্দন জানিয়েছেন বিজেপির প্রার্থী দেবাংশু পান্ডাকে। লক্ষাধিক ভোটে বিজেপি প্রার্থীর জয় নিশ্চিত করার জন্য ধন্যবাদ দিয়েছেন ভোটারদেরও। শুভেন্দু যখন সমাজমাধ্যমে পোস্ট দিয়েছেন, তখনও ফলতা বিধানসভায় ভোটগণনা শেষ হয়নি। তবে বিজেপি প্রার্থী লক্ষাধিক ভোটে এগিয়ে গিয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে থাকা বামফ্রন্ট প্রার্থীর থেকে। শুভেন্দু সে কথাই উল্লেখ করেন নিজের পোস্টে। ফলতার মানুষকে ‘নতমস্তকে প্রণাম’ জানান তিনি। তার পরে লেখেন, ‘ফলতার ভোটারদের কাছে বিশেষ ভাবে কৃতজ্ঞ। বিজেপির প্রার্থীকে এক লক্ষ ভোটে জেতানোর আবেদন করেছিলাম, জয়ের ব্যবধান এক লক্ষ আট হাজার পেরিয়েছে।’ তার পরেই শুভেন্দু ভোটের আগে দেওয়া নিজের প্রতিশ্রুতি মনে করিয়ে দেন। তিনি লেখেন, ‘উন্নয়নের মাধ্যমে আপনাদের এই ঋণ শোধ করব। সোনার ফলতা গড়ার জন্য আমরা দায়বদ্ধ।’

এর পরেই শুভেন্দু একের পর এক তোপ দাগেন পূর্বতন শাসকদল তৃণমূলকে। তিনি লেখেন, ‘একটি নীতি-আদর্শহীন দল, যা মাফিয়া কোম্পানিতে রূপান্তরিত হয়েছিল, ক্ষমতা হারাতেই তার কঙ্কালসার দশা উন্মোচিত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় শক্তির অপব্যবহার করে সরকারি ধন লুট, মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ তোলাবাজি, সিন্ডিকেট ও থ্রেট কালচারের মাধ্যমে কেড়ে নিয়ে এই দলের নেতারা ধরাকে সরা জ্ঞান করেছিল।’

দীর্ঘ লড়াইয়ের পর বাংলার মসনদে বিজেপি। ‘ভয় আউট ভরসা ইন’ প্রতিশ্রুতিতে আস্থা রেখেছে বাংলার মানুষ। সরকার গঠনের আগে হোক বা পরে বিজেপি বারবার বুঝিয়ে দিয়েছে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনই অন্যতম লক্ষ্য। বাংলায় ক্ষমতায় আসার পরই রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন, কোনও তৃণমূলীকে দলে নেওয়া হবে না। দলে বেনোজল ঠেকাতে প্রথমদিন থেকেই তৃণমূলের এন্ট্রি নিয়ে নিজেদের কড়া অবস্থানের কথা জানিয়ে এসেছেন শমীক। দিন দুয়েক আগে দিল্লির বঙ্গভবনের সামনে মুখ্যমন্ত্রীর ৪০ সেকেন্ডের সৌজন্য সাক্ষাত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হয়। এই প্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্যকে প্রশ্ন করতেই তিনি সাফ জানান, “দলের এদের জন্য দরজা বন্ধ।” অন্যদল থেকে যে অনেকেই যে বিজেপিতে যাওয়ার জন্য উৎসুক হয়ে আছেন, তা ভালোই টের পাচ্ছেন নেতৃত্বরা। আড়ালে-আবডালে আর্জিও জানিয়েছেন অনেকে। সেই প্রশ্নেই শমীক ভট্টাচার্য জানান, “দরজার ভিতরে অনেকেই অবনীকে খুঁজে বেড়াচ্ছেন। কেউ যদি আসতে চায়, দল অবশ্যই চিন্তাভাবনা করবে। তবে যারা সিন্ডিকেট, কয়লা-বালি পাচার, চাকরি বিক্রিতে জড়িত ছিল। তাদের জন্য কখনও বিজেপি দরজা খুলবে না।” কয়েকদিন ধরেই পরমব্রতর ‘সদ্যজাত’ মন্তব্য নিয়ে জলঘোলা কম হচ্ছে না। সমাজ মাধ্যমেও পরমব্রতর ‘পাল্টি’ নিয়ে কম চর্চা হয়নি। তবে কি গেরুয়া ঝড়ে তিনিও সামিল হতে চলেছেন বন্ধু রুদ্রনীলের দলে? প্রসঙ্গ উঠতেই তিনি কড়া সুরে জানিয়ে দেন, “এদের জন্য বিজেপির দরজা বন্ধ। যারা সক্রিয় কর্মী হিসেবে কাজ করে বিজেপিকে এই জায়গায় নিয়ে এসেছেন, তাদের ভরসাতেই দল এগোবে। বিজেপির ইমপোর্টর কোনও প্রয়োজন নেই।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles