Saturday, May 16, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

ধৃত পুলিশকর্তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ সিএবির? পালাবদলে ডিসিপি শান্তনুর উপর বিশেষ ব্যবস্থা সৌরভ গাঙ্গুলির?‌

RK NEWZ কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করেছে ইডি। প্রায় সাড়ে ১০ ঘণ্টার ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর বৃহস্পতিবার তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করেছে ইডি। প্রায় সাড়ে ১০ ঘণ্টার ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর বৃহস্পতিবার তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোনা পাপ্পু-কাণ্ডে দীর্ঘদিন ধরেই তাঁকে তলব করছিল তদন্তকারী সংস্থা। ইডি সূত্রে দাবি, পাঁচবার নোটিস পাঠানো হলেও তিনি হাজিরা এড়িয়ে যাচ্ছিলেন। তদন্তেও সহযোগিতা করছিলেন না। শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার ইডি দফতরে হাজিরা দিতে যান তিনি। সেদিনই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের আগেই বড় পদক্ষেপ নেয় ক্যালকাটা পুলিশ ক্লাব। ক্লাবের এক্সিকিউটিভ কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের সদস্যপদ সাসপেন্ড করা হবে। সেই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে সিএবি-কে চিঠিও পাঠানো হয়েছে। এতদিন তিনি ক্যালকাটা পুলিশ ক্লাবের প্রতিনিধি হিসাবে সিএবি-তে যুক্ত ছিলেন। এখন সদস্যপদও বাতিল করা হয়েছে। ক্লাব জানিয়েছে, ভবিষ্যতে নতুন প্রতিনিধি মনোনীত হলে তা সিএবি-কে জানানো হবে। চলতি আইপিএলে শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের জন্য সিএবি অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডও ইস্যু করেছিল। যদিও তাঁর গ্রেফতারের পর সেই কার্ড কার্যত নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে। তবে আলাদা করে তা বাতিল করা হয়নি। তবে ইডি লুক আউট নোটিস জারি করার পরেও কেন তাঁর অ্যাক্রিডিটেশন বহাল ছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সিএবি-র অন্দরেই। সিএবি-র এক কর্তা বলেন, “ক্লাব কাকে প্রতিনিধি করবে, সেটা তাদের নিজস্ব বিষয়। সিএবি শুধু ক্লাব রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসাবে আমন্ত্রণপত্র বা টিকিট পাঠায়। আর কেউ অভিযুক্ত মানেই অপরাধী নয়, আগে দোষ প্রমাণিত হোক।” আরও জানা গিয়েছে, তিনি যদি সিএবি-র অ্যাপেক্স কাউন্সিলের সদস্য হতেন, তাহলে সংবিধান অনুযায়ী গ্রেপ্তার হলেও বার্ষিক সাধারণ সভার আগে তাঁকে অপসারণ করা যেত না।

এদিকে আদালতে শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে হেফাজতে চেয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছে ইডি। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, কাউন্সিলরদের তোলাবাজির র‌্যাকেট পরিচালনায় পুলিশি ‘ম্যানেজমেন্ট’-এর দায়িত্বে ছিলেন তিনি। ইডির অভিযোগ, প্রোমোটার, অপরাধী ও পুলিশের এক ত্রিমুখী সিন্ডিকেট চলত তাঁর ছত্রছায়ায়। ইডির দাবি অনুযায়ী, কোনও বাড়ি তৈরির কাজ শুরু হওয়ার আগেই সংশ্লিষ্ট এলাকায় পৌঁছে যেত কাউন্সিলরদের লোকজন। প্রোমোটারদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার পর নির্দিষ্ট সিন্ডিকেট থেকেই নির্মাণ সামগ্রী কিনতে বাধ্য করা হত। কেউ সেই নির্দেশ না মানলে গুনতে হত মোটা অঙ্কের জরিমানা। তদন্তকারী সংস্থা আদালতে জানিয়েছে, এই গোটা চক্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতেন ধৃত ডিসিপি শান্তনু।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles