Tuesday, April 28, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

প্রকৃত শিক্ষা কী? কী বলেছিলেন বিবেকানন্দ?

RK NEWZ প্রকৃত শিক্ষা কী? বিবেকানন্দের ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করলেন স্বামী মহাপ্রজ্ঞানন্দ। বর্তমানে ডিগ্রি অর্জন আর চাকুরিমুখী শিক্ষাই যখন দস্তুর, তখন স্বামী বিবেকানন্দের প্রকৃত শিক্ষার দর্শন ঠিক কী ছিল, তা নিয়ে নতুন করে ভাবার সময় এসেছে। স্বামীজির মতে, শিক্ষা কেবল তথ্য সংগ্রহ করা নয়, বরং মানুষের অন্তরে আগে থেকেই থাকা পূর্ণতার প্রকাশ। এই ‘প্রকৃত শিক্ষা’ আসলে কী এবং বর্তমান সময়ে তার গুরুত্ব কতখানি, সেই বিষয়েই আলোকপাত করলেন বেলুড় রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যামন্দিরের অধ্যক্ষ স্বামী মহাপ্রজ্ঞানন্দ। তিনি মনে করিয়ে দিলেন, শিক্ষা মানেই হলো নিজেকে নতুন করে চেনা এবং নিজের ক্ষমতার সীমারেখাকে আবিষ্কার করা। ভিডিওটিতে স্বামী মহাপ্রজ্ঞানন্দ একটি অত্যন্ত গভীর কথা বলেছেন— “ধীরে ধীরে আমি জানব আমি কতটা জানি, এটাই আসল শিক্ষা।” অর্থাৎ, বাইরের জগতকে জানার আগে নিজের অন্তরের জ্ঞানকে অনুধাবন করাই হলো প্রকৃত শিক্ষিত হওয়ার লক্ষণ। স্বামী বিবেকানন্দের সেই কালজয়ী শিক্ষাভাবনাকে পাথেয় করে কীভাবে একজন শিক্ষার্থী নিজেকে পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারে, এই আলোচনায় সেই দিশাই ফুটে উঠেছে। আপনি যদি সত্যিকারের মানুষ হওয়ার শিক্ষার খোঁজে থাকেন, তবে রামকৃষ্ণ মিশনের এই সন্ন্যাসীর বিশ্লেষণটি আপনার চিন্তার জগতকে বদলে দিতে পারে।

জীবনকে সুন্দর ও সার্থক করতে সাধুসঙ্গ এবং ঈশ্বরের নাম গুণকীর্তনের বিকল্প নেই— শ্রীরামকৃষ্ণদেব বারবার এই কথাই বলে গিয়েছেন তাঁর ভক্তদের। কিন্তু ‘সাধু’ বলতে আমরা ঠিক কী বুঝি? শ্রীরামকৃষ্ণের মতে, সাধু মানেই কেবল গেরুয়াধারী কেউ নন, বরং যিনি ‘সৎ’ এবং যাঁর হৃদয়ে সততার বাস তিনিই প্রকৃত সাধু। একজন সংসারী মানুষের মধ্যেও যে একজন সাধু লুকিয়ে থাকতে পারেন, কথামৃতের সেই গূঢ় দর্শনই ব্যাখ্যা করেছেন রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অফ কালচার, গোলপার্কের সন্ন্যাসী স্বামী বেদস্বরূপানন্দ
বর্তমান অস্থির সময়ে দাঁড়িয়ে কীভাবে নিজের ভেতরের সেই ইতিবাচকতাকে জাগ্রত করা যায়, এই ভিডিও স্টোরিতে মিলবে সেই হদিশ। স্বামী বেদস্বরূপানন্দ বিস্তারিতভাবে জানিয়েছেন যে, প্রতিদিনের কর্মব্যস্ততার মাঝেও সাধুসঙ্গ এবং ভগবৎ চিন্তা কীভাবে একজন গৃহীকে আধ্যাত্মিক শান্তির পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। জীবনের জটিলতা কাটিয়ে অন্তরের শান্তি ও শুদ্ধতা অর্জনের জন্য শ্রীরামকৃষ্ণের এই উপদেশগুলো আজও কতটা কার্যকর, তা জানতে ভিডিওটি অবশ্যই দেখুন।

জীবনে চড়াই-উতরাই থাকবেই, আর সেই পথেই কোনও না কোনও সময় সাফল্যের মুখ দেখেন সব মানুষই। কিন্তু আসল লড়াইটা শুরু হয় সাফল্য পাওয়ার পর। অনেকেই শিখরে পৌঁছনোর পর তা ধরে রাখতে পারেন না। কেন এমন হয়? কীভাবে অর্জিত সাফল্যকে জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ করে তোলা যায়, সেই পথই দেখালেন রামকৃষ্ণ মিশন রেসিডেন্সিয়াল কলেজ, নরেন্দ্রপুরের অধ্যক্ষ স্বামী একচিত্তানন্দ। শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের অমৃতবাণী ও তাঁর জীবনদর্শনকে পাথেয় করে তিনি ব্যাখ্যা করেছেন, সাফল্যের জোয়ারে গা না ভাসিয়ে কীভাবে মাটির কাছাকাছি থেকে নিজেকে স্থিতধী রাখা সম্ভব। বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক সময়ে দাঁড়িয়ে সাফল্য ধরে রাখার এই উপায় জানা অত্যন্ত জরুরি। স্বামী একচিত্তানন্দের মতে, সাফল্যের স্থায়িত্ব নির্ভর করে মানুষের মানসিক গঠন এবং ত্যাগের আদর্শের ওপর। শ্রীরামকৃষ্ণের উপদেশ অনুযায়ী, অহংকার ত্যাগ এবং নিরন্তর সাধনাই পারে একজন মানুষকে দীর্ঘমেয়াদী সাফল্যের দিশা দেখাতে। আপনিও কি কেরিয়ার বা ব্যক্তিগত জীবনে সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন? তবে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের সন্ন্যাসীর এই বিশেষ আলোচনাটি আপনার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। কীভাবে নিজের কৃতিত্বকে বজায় রেখে আরও উন্নতির পথে এগিয়ে যাবেন, তা জানতে ভিডিওটি অবশ্যই দেখুন।

জীবনে প্রতিকূলতা বা কঠিন পরিস্থিতি এলে আমরা অনেকেই সেখান থেকে দূরে সরে যেতে চাই। কিন্তু স্বামী বিবেকানন্দের দর্শন বলছে অন্য কথা। তাঁর মতে, সমস্যা বা ভয় দেখে পিছিয়ে এলে তা কোনোদিন পিছু ছাড়ে না, বরং নতুন কোনো বড় আঘাত নিয়ে ফিরে আসে বারবার। ভয়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়েই তাকে জয় করার পথ দেখিয়েছিলেন স্বামীজী। সেই পথ ঠিক কীরকম এবং আজকের এই অস্থির সময়ে দাঁড়িয়ে মানুষ কীভাবে নিজের মনের ভয়কে জয় করে ঘুরে দাঁড়াবে, সেই দিশাই দিলেন বেলুড় রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যামন্দিরের অধ্যক্ষ স্বামী মহাপ্রজ্ঞানন্দ। নিজের অভিজ্ঞতায় স্বামী বিবেকানন্দ দেখেছিলেন, বিপদ দেখে পালিয়ে যাওয়ার অর্থ হলো তাকে আরও প্রশ্রয় দেওয়া। তাই তিনি বলতেন, ভয়কে তাড়া করতে হবে, তবেই সে পথ ছাড়বে। স্বামী মহাপ্রজ্ঞানন্দজীর এই আলোচনায় উঠে এসেছে সেই চিরাচরিত সাহসের কাহিনি। কীভাবে প্রতিকূলতাকে অগ্রাহ্য না করে তার চোখের দিকে তাকিয়ে লড়াই করতে হয়, আর সেই লড়াইয়ের জন্য মনের অন্দরে কীভাবে শক্তি সঞ্চয় করা সম্ভব— এই ভিডিও স্টোরিতে অত্যন্ত সহজ ও সাবলীল ভাষায় সেই আত্মিক শক্তির হদিশ দিয়েছেন তিনি। জীবনের যুদ্ধে ক্লান্ত বা ভীত সাধারণ মানুষের কাছে যা এক নতুন আশার আলো হয়ে উঠতে পারে।

সংসার মানেই সেখানে বাধাবিঘ্ন আর হতাশার আনাগোনা থাকবেই। কিন্তু এই চড়াই-উতরাইয়ের মাঝেও কীভাবে মনের শান্তি বজায় রাখা যায়, সেই দিশা যুগ যুগ আগে দেখিয়ে গিয়েছেন শ্রীশ্রী মা সারদা। বর্তমানের দ্রুত গতির জীবনে যখন আমরা মানসিক স্থিরতা হারিয়ে ফেলি, তখন মা সারদার সেই সহজ-সরল জীবনদর্শনই হতে পারে আমাদের শ্রেষ্ঠ আশ্রয়। স্বামী বিবেকানন্দের পৈত্রিক আবাস ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের অধ্যক্ষ স্বামী জ্ঞানলোকানন্দ মা সারদার সেই অমূল্য চিন্তা-চেতনা ও আদর্শের কথা তুলে ধরেছেন, যা আজও মানুষকে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ইতিবাচক থাকার শক্তি জোগায়। স্বামী জ্ঞানলোকানন্দের মতে, মা সারদা শিখিয়েছেন দোষ না দেখে গুণ গ্রহণ করতে এবং সকলকে আপন করে নিতে। সেই আদর্শকে পাথেয় করেই আজকের দিনেও মানুষ খুঁজে পেতে পারেন পরম শান্তি। নেতিবাচকতার ভিড়ে নিজেকে হারিয়ে না ফেলে কীভাবে মায়ের দেখানো পথে ধৈর্য ও বিশ্বাসের মাধ্যমে জীবনের ভারসাম্য রক্ষা করা যায়, সেই হদিশই মিলবে এই আলোচনায়। মা সারদার জীবনমুখী সেই ভাবধারাকে সম্বল করেই আধুনিক জীবনের যাবতীয় অবসাদ ও প্রতিকূলতা জয় করার মন্ত্র পাওয়া সম্ভব।

জীবনে প্রতিকূলতা বা কঠিন পরিস্থিতি এলে আমরা অনেকেই সেখান থেকে দূরে সরে যেতে চাই। কিন্তু স্বামী বিবেকানন্দের দর্শন বলছে অন্য কথা। তাঁর মতে, সমস্যা বা ভয় দেখে পিছিয়ে এলে তা কোনোদিন পিছু ছাড়ে না, বরং নতুন কোনো বড় আঘাত নিয়ে ফিরে আসে বারবার। ভয়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়েই তাকে জয় করার পথ দেখিয়েছিলেন স্বামীজী। সেই পথ ঠিক কীরকম এবং আজকের এই অস্থির সময়ে দাঁড়িয়ে মানুষ কীভাবে নিজের মনের ভয়কে জয় করে ঘুরে দাঁড়াবে, সেই দিশাই দিলেন বেলুড় রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যামন্দিরের অধ্যক্ষ স্বামী মহাপ্রজ্ঞানন্দ। নিজের অভিজ্ঞতায় স্বামী বিবেকানন্দ দেখেছিলেন, বিপদ দেখে পালিয়ে যাওয়ার অর্থ হলো তাকে আরও প্রশ্রয় দেওয়া। তাই তিনি বলতেন, ভয়কে তাড়া করতে হবে, তবেই সে পথ ছাড়বে। স্বামী মহাপ্রজ্ঞানন্দজীর এই আলোচনায় উঠে এসেছে সেই চিরাচরিত সাহসের কাহিনি। কীভাবে প্রতিকূলতাকে অগ্রাহ্য না করে তার চোখের দিকে তাকিয়ে লড়াই করতে হয়, আর সেই লড়াইয়ের জন্য মনের অন্দরে কীভাবে শক্তি সঞ্চয় করা সম্ভব— এই ভিডিও স্টোরিতে অত্যন্ত সহজ ও সাবলীল ভাষায় সেই আত্মিক শক্তির হদিশ দিয়েছেন তিনি। জীবনের যুদ্ধে ক্লান্ত বা ভীত সাধারণ মানুষের কাছে যা এক নতুন আশার আলো হয়ে উঠতে পারে।

নিজের জীবন মন্থন করে যে অভিজ্ঞতায় সম্পৃক্ত হয়েছিলেন সারদা মা, তাই জীবন সায়াহ্নে এসে অকাতরে বিলিয়েছিলেন ভক্তদের। শিখিয়েছিলেন কীভাবে জীবনকে আনন্দের খনিতে পরিণত করা যায়। সেই মণিমুক্তোর সন্ধান দিলেন রামহরিপুর রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের সম্পাদক স্বামী স্তবপ্রিয়ানন্দ। তাঁর আলোচনায় উঠে এল মায়ের সেই অমোঘ মন্ত্র, যা আজও কোটি কোটি মানুষের আধ্যাত্মিক পাথেয়। স্বামী স্তবপ্রিয়ানন্দ তাঁর আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন সারদা মায়ের সেই চিরন্তন আশ্বাসের ওপর, যেখানে তিনি ভক্তদের বলেছিলেন দোষ না দেখে গুণ গ্রহণ করতে। বর্তমানের জটিল ও প্রতিযোগিতামূলক সময়ে দাঁড়িয়ে মানুষের মন যখন ঈর্ষা আর হতাশায় জর্জরিত, তখন মায়ের এই ‘মাতৃত্বের দর্শন’ই পারে সঠিক পথের দিশা দেখাতে। সম্পাদক মহারাজের মতে, মা সারদা কেবল একটি বিশেষ আশ্রমের আরাধ্য নন, তিনি আসলে সাধারণ গৃহী মানুষের কাছে এক আদর্শ জীবনাচরণের প্রতীক। নিজের দুঃখকে তুচ্ছ করে অন্যকে কীভাবে আপন করে নিতে হয়, তা মা নিজের কাজের মাধ্যমেই শিখিয়ে গেছেন। পরিশেষে স্বামীজি স্মরণ করিয়ে দেন যে, জীবনের আনন্দ আসলে বাইরের বস্তুতে নয়, বরং অন্তরের প্রশান্তিতে নিহিত। সারদা মায়ের সেই অন্তিম উপদেশ— “যদি শান্তি চাও, তবে কারও দোষ দেখো না”— এই মন্ত্রটি যদি কেউ দৈনন্দিন জীবনে পালন করতে পারে, তবে যে কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতিও সহজ হয়ে যায়। রামহরিপুর রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের এই আলোচনার মূল লক্ষ্যই ছিল বর্তমান প্রজন্মের কাছে শ্রীমায়ের সেই সহজ অথচ গভীর জীবনবোধকে পৌঁছে দেওয়া, যা মানুষকে সংকীর্ণতা কাটিয়ে প্রকৃত মনুষ্যত্বের পথে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles