Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

বাজারে এল গেরুয়া ফুলঝুরি ও সেল!‌ বদলের বাংলায় পরিবর্তনের ছোঁয়া বুড়িমার বাজিতেও!

RK NEWZ সরকারি নিয়ম ও পরিবেশের কথা মাথায় রেখে গ্রিন ক্র্যাকার্স তৈরি করছেন বুড়িমার পরিবারের সদস্যরা। রাজ্যে পালাবদলের রং এবার দীপাবলির আতশবাজিতেও! হাওড়ার বেলুড়ের ঐতিহ্যবাহী ‘বুড়িমার বাজি’তে গেরুয়া ছোঁয়া। পরিবর্তন বাংলায় তারা নিয়ে এসেছে গেরুয়া ফুলঝুরি ও গেরুয়া রঙের আকাশছোঁয়া আতশবাজি। খুব স্বাভাবিকভাবেই তা ‘সবুজবাজি’। দীপাবলি মানে আলোর উৎসব। অন্ধকার দূর করে চারিদিকে দেখা যায় আলোর ঝলকানি। বঙ্গের দীপাবলিতে সেই আলোর সঙ্গে সমর্থক হয়ে উঠে শব্দবাজি। আর শব্দবাজির কথা উঠলেই মানুষের মনে ভেসে উঠত বেলুড়ের ‘বুড়িমা’র নাম। চকলেট বোম থেকে আমড়া আঁটি। কিনা ছিল সেই তালিকায়। শুধু হাওড়া নয়, বিভিন্ন জেলা থেকে ক্রেতারা আসতেন এই বাজি কিনতে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ‘বুড়িমার বাজি’ একটি পরিচিত ব্র্যান্ডে পরিণত হয়। আজও বাজিপ্রেমীদের মুখে মুখে ফেরে সেই নাম।

দূষণের কথা মাথায় রেখে শব্দবাজি নিষিদ্ধ। তবে ‘বুড়িমার বাজি’ রয়েই গিয়েছে। সরকারি নিয়ম ও পরিবেশের কথা মাথায় রেখে গ্রিন ক্র্যাকার্স তৈরি করছেন বুড়িমার পরিবারের সদস্যরা। সদস্য সুমিত দাস জানান, “এবারের দীপাবলিতে ক্রেতাদের জন্য বিশেষ চমক হিসেবে নিয়ে আসা হয়েছে গেরুয়া ফুলঝুরি ও গেরুয়া সেল। সেল ফাটার পর আকাশে ছড়িয়ে পড়বে গেরুয়া রঙের আলোর ঝলকানি।” রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে এই নতুন রঙের আতশবাজি ক্রেতাদের মধ্যে বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করবে বলেই আশা তাঁদের। ‘বুড়িমার বাজি’তে যে ছবি আমরা দেখি, সেটি অন্নপূর্ণা দাসের। হাওড়ার বেলুড়ে প্রথমে ছোট্ট একটি দোকানে মরশুমের চাহিদা অনুযায়ী সামগ্রী বিক্রি করতেন। সেই তালিকায় ছিল বাজিও। পরে অন্নপূর্ণা দেবী ঠিক করেন নিজেই বাজি বানিয়ে বিক্রি করবেন। সেটিই করেন। তারপর তো ইতিহাস। তা আমাদের সামনে। এবার পরিবর্তনের বাংলায় গেরুয়া ‘সবুজ বাজি’ তৈরি করে বদলের অংশ হল ‘বুড়িমার বাজি’।‌

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles