RK NEWZ ওপিনিয়ন পোলের সব হিসেব ভেঙেচুরে খানখান। লাতিন আমেরিকায় দক্ষিণপন্থী রাজনীতির বাড়বাড়ন্তের মধ্যেই চতুর্থ বারের জন্য ব্রাজ়িলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন বামপন্থী রাজনীতিবিদ লুইজ় এনাসিও লুলা দা সিলভা। ৮০ বছর বয়সি এই বামপন্থী নেতা প্রাক্তন প্রসিডেন্ট জাইর বোলসোনারোর ছেলে ফ্লাভিও বোলসোনারোকে হারিয়ে ফের ব্রাজ়িলের প্রেসিডেন্ট হলেন। জানা গিয়েছে, এ বছরের প্রেসিডেনশিয়াল ইলেকশনে ৫১.৮ শতাংশ ভোট পেয়েছেন লুলা। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ফ্লাভিও পেয়েছেন ৪৮.২ শতাংশ ভোট। এই প্রথম নয়। রাজনৈতিক কেরিয়ারে এর আগেও একাধিক বার কামব্যাক করেন লুলা। ২০১৮ এবং ২০১৯ সালের দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তার হন তিনি। এরপরে ২০২২ সালে তিনি ফের প্রেসিডেন্ট হওয়ার লড়াইয়ে নামেন। সেই বছরেই দক্ষিণপন্থী রাজনীতিক এবং ব্রাজ়িলের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জাইর বোলসোনারোকে হারান লুলা। ব্রাজ়িলের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে ট্রাম্পের যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে বলে দাবি লুলার। ২০২৬-এর ভোটের প্রচারে তিনি বার বার এই কথাই বলেছিলেন যে, ২০১৮ সালে ট্রাম্পের সাহায্যেই ব্রাজ়িলের প্রেসিডেন্ট পদে বসার সুযোগ পেয়েছিলেন বোলসোনারো। তাঁর নির্বাচনী প্রচারে রাখা একাধিক বক্তব্যে তিনি বলেছিলেন বোলসোনারোর দল আবার ক্ষমতায় এলে দেশের উন্নয়ন খাতে খরচ কমানো হতে পারে, সামাজিক অবক্ষয়ের মাত্রা বাড়তে পারে এবং ব্রাজ়িল অনেকাংশে আমেরিকার উপরে নির্ভরশীল হয়ে যেতে পারে। তাঁর এই প্রচারই ২০২৬-এর ভোটে তাঁর জয়ের অন্যতম কারণ বলে দাবি রাজনৈতিক মহলের একাংশের।২০২৬-এর ভোটের প্রচারের জন্য জীবনের প্রথম মোবাইল ফোন কিনেছিলেন লুলা। ভোটের আগে নিয়মিত একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডল থেকে পোস্ট করতেন তিনি। সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিতেন তাঁর এবং দলের বার্তাও। তাঁর প্রচার মাধ্যমে অভিনবত্বের কারণেই এক সঙ্গে দেশের একটা বড় অংশের মানুষের কাছে তাঁর বার্তা পৌঁছে দিতে পারতেন লুলা, এমনটাই দাবি করেছেন তাঁর দলের কর্মী সমর্থকরা।





