RK NEWZ রনজির প্রথম ম্যাচে জয় বাংলার। ৬ পয়েন্ট দিয়ে অভিযান শুরু লক্ষ্মীরতন শুক্লার দলের। ব্যাটে যেমন সুদীপ কুমার ঘরামি, অভিষেক পোড়েলরা সেঞ্চুরি করে কাজ সহজ দিলেন। তেমনই মহম্মদ শামি থেকে প্রদীপ্ত প্রামাণিক-আমির গনি, সফল গোটা বোলিং বিভাগ। শেষদিনে ১ উইকেট হারিয়ে প্রয়োজনীয় ৮৯ রান তুলে নেয়। তবে ১০ উইকেটে ম্যাচ না জেতায় বোনাস-সহ ৭ পয়েন্ট এল না বাংলার ঘরে। গত কয়েক বছরে রনজির অন্যতম ধারাবাহিক দল হয়েও ট্রফি স্পর্শ করা হয়নি। এবার কি সেই স্বপ্নপূরণ হবে? আশায় বাংলার ক্রিকেটভক্তরা। কল্যাণীতে টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলা। মাত্র ২৪০ রানে গুটিয়ে দেয় দিল্লিকে। ৪ উইকেট মহম্মদ শামির। ৩ শিকার স্পিনার আমির গনির। বোলারদের পর ব্যাটাররাও ছত্রভঙ্গ করে দিল্লিকে। ১৩৩ রান করেন সহঅধিনায়ক সুদীপ। অন্যদিকে ধর্ষণের মামলায় জামিনে ছাড়া পাওয়া অভিষেক পোড়েল ১৪৯ রানে আউট হন। তবে তৃতীয় দিনে দুই ক্রিকেটার ফিরতেই বাংলার ব্যাটিং লাইনআপ ভেঙে পড়ে। মাত্র ৩৯ রানে ৫ উইকেট হারায়। শেষমেশ বাংলার ইনিংস থামে ৪২৯ রানে। হাতে ছিল ১৮৯ রানের লিড। দ্বিতীয় ইনিংসেও বাংলার পেস বিভাগ নিজের কাজটা করে দেয়। তৃতীয় দিনের শেষে দিল্লির রান ছিল ৩ উইকেট হারিয়ে ১০১। অপেক্ষা ছিল চতুর্থ দিনে বাংলার বোলিং বিভাগ কত তাড়াতাড়ি দিল্লিকে অলআউট করে দেয়। নাকি পালটা লড়াই দিয়ে ম্যাচ বাঁচিয়ে ফেলে দিল্লি? একমাত্র লড়াই করেন দিল্লির অধিনায়ক আয়ুষ বাদোনি। কিন্তু নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট ফেলতে থাকেন প্রদীপ্ত প্রামাণিক, সুমন্ত গুপ্তরা। একটি করে উইকেট শামি, আকাশ ও মুকেশের। দু’টি করে উইকেট আমির ও সুমন্তর। প্রদীপ্ত ৭২ রান দিয়ে ৩ উইকেট পান। দিল্লি গুটিয়ে যায় ২৭৭ রানে। বাংলার জন্য লক্ষ্য দাঁড়ায় মাত্র ৮৯ রান। ম্যাচ জিততে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। চ্যালেঞ্জ ছিল একটাই। ১০ উইকেটে ম্যাচ জিতে কি বোনাসের ৭ পয়েন্ট ঘরে তুলতে পারবে? নাকি ৬ পয়েন্টেই ঘরে তুলতে হবে? অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণ ও অঙ্কুর পালের ওপেনিং জুটি সেই পরীক্ষায় সফল হল না। অযথা চালাতে গিয়ে ৩৮ রানে আউট হন অঙ্কুর। রনজির নিয়ম হল, ইনিংসে বা ১০ উইকেটে জিতলে ৬ পয়েন্টের সঙ্গে বোনাসের অতিরিক্ত এক পয়েন্ট পাওয়া যায়। সেটা হল না। ইশ্বরণ অপরাজিত থাকেন ৩৪ রানে। শেষমেশ দিল্লিকে ৯ উইকেটে হারিয়ে বাংলার ঝুলিতে ঢুকল ৬ পয়েন্ট।




