Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

রেজিনগরে গ্রেপ্তার হুমায়ুন কবীর!‌ নন্দীগ্রামের বুথে বিক্ষোভের মুখে কংগ্রেসের মিলন

RK NEWZ পুলিশের বিরুদ্ধে ‘কুকথার’ পর পরই নিয়ে যাওয়া হয় থানায়, উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ। মঙ্গলবার সকালে রেজিনগরে সপরিবার ভোট দেন হুমায়ুন। ভোট দিতে যাওয়ার সময় থেকেই পুলিশকে তোপ দাগতে থাকেন তিনি। বেরিয়ে ফের দফায় দফায় নিশানা করেন বাহিনীকে। পুলিশের বিরুদ্ধে সকাল থেকেই সুর চড়াচ্ছিলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর। ভোট দিয়ে বেরিয়ে পুলিশের উদ্দেশে দফায় দফায় ‘কুকথা’ বলার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে । ওই মন্তব্যের কিছুক্ষণের মধ্যেই থানায় নিয়ে যাওয়া হয় হুমায়ুনকে। পরে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। ভোটারদের প্রভাবিত করা এবং উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। ভোটে দিতে যাওয়ার সময় থেকেই পুলিশকে বিঁধে একের পর এক মন্তব্য করে যাচ্ছিলেন হুমায়ুন। দিনের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন তিনি। ভোট দেওয়ার পরও বুথের বাইরে দাঁড়িয়ে এবং আরও পরে দলীয় কার্যালয় থেকে ফের পুলিশকে তোপ দাগেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা। এ সবের মাঝে রেজিনগরে হুমায়ুনের দলীয় কার্যালয়ে পৌঁছে যায় পুলিশ। বাহিনী সেখানে পৌঁছোতেই পুলিশকর্মীদের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা। সেখানেও পুলিশের উদ্দেশে হুমায়ুন বলতে থাকেন, “দালালি করবেন না, দালালি করবেন না।” পুলিশের সঙ্গে তাঁর ধস্তাধস্তিও হয়। শেষে জামা ধরে টানতে টানতে হুমায়ুনকে গাড়িতে তোলেন পুলিশকর্মীরা। সেখান থেকে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় থানায়। হুমায়ুনের দাবি, মঙ্গলবার সকাল থেকেই রেজিনগরে তাঁর বাড়ির সামনে পুলিশ মোতায়েন ছিল। তা নিয়ে ভোটের লাইনে দাঁড়িয়েও পুলিশকে নিশানা করেন তিনি। ভোট দিয়ে বেরিয়েও পুলিশের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন হুমায়ুন। তাঁর কথায়, “প্রত্যেকটা বুথে অ্যালসেশিয়ান ছেড়ে দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।” আম জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা বাহিনীকে বিঁধে বলেন, “পুলিশ যদি আমাকে মারতে আসে, আমি পুলিশকে ছেড়ে দেব না কি!” রেজিনগরবাসীকে ‘মুগুর নিয়ে’ রুখে দাঁড়ানোর বার্তাও দেন। “পুলিশ ধোয়া তুলসিপাতা না কি! শুভেন্দু অধিকারীর পুলিশ ভোটের নামে মানুষের অধিকার ছিনিয়ে নেবে? আমাদের ৬৪ জনকে গ্রেফতার করেও শান্তি হয়নি। আজ সকালে পুলিশ যে ধরনের আচরণ করছে, মানুষকে বলব এদের বিরুদ্ধে মুগুর নিয়ে দাঁড়াতে। পুলিশ যদি আমাকে মারতে আসে, আমি পুলিশকে ছেড়ে দেব না কি?” বলেন হুমায়ুন। এর পরে তিনি চলে যান নিজের দলীয় কার্যালয়ে। হুমায়ুন সেখানে পৌঁছোনোর কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশের একটি দলও পৌঁছোয় সেখানে। বাগ্‌বিতণ্ডা পর্ব শেষে পুলিশের গাড়িতে করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় আম জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতাকে। মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপার সচীন মক্কর জানিয়েছেন, হুমায়ুন উপনির্বাচনের প্রার্থী নন, তিনি এজেন্টও নন। তাই তিনি এ ভাবে ঘুরতে পারেন না। সেই কারণেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রেজিনগরের পাশাপাশি এ দিন উপনির্বাচন চলছে নন্দীগ্রামেও। মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত রেজিনগরে ১৮.০৫ শতাংশ এবং নন্দীগ্রামে ২০.৮৯ শতাংশ ভোট পড়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles