RK NEWZ জামুইয়ের ঘটনা ঘিরে তোলপাড় গোটা দেশ। ঘটনার পরই তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। কিন্তু ‘মূল’ অভিযুক্তের নাগাল পাওয়া যায়নি। তাঁর খোঁজে পুলিশের বেশ কয়েকটি দল তল্লাশি চালাচ্ছিল। পুলিশের সঙ্গে ‘এনকাউন্টারে’ গুলিবিদ্ধ বিহারের জামুইয়ে শ্লীলতাহানি এবং হেনস্থার ঘটনায় ‘মূল’ অভিযুক্ত নন্দন যাদব । ঘটনার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে খুঁজে বার করে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সূত্রের খবর, নন্দনের পায়ে গুলি লেগেছে। তবে অভিযুক্তের কোথায় হদিস মিলেছে, তা স্পষ্ট করা হয়নি। সূত্রের খবর, অভিযুক্তকে ধরতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালান তিনি। পাল্টা গুলি চালায় পুলিশও। তখনই গুলিবিদ্ধ হন অভিযুক্ত। তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। অভিযুক্তের হদিস পেতেই তাঁকে ধরতে যায় পুলিশ। কিন্তু অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করেন। তখনই পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হন তিনি। উল্লেখ্য, গত ১৯ সেপ্টম্বর সন্ধ্যা ৬-৭টার মধ্যে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওঠে। পুলিশ সূত্রে খবর, এক কিশোর এবং কিশোরী ওই দিন টিউশন শেষে স্কুটার নিয়ে স্থানীয় মারওয়া পাহাড়ে ঘুরতে গিয়েছিল। সেখান থেকে ফেরার পথে তাদের পথ আটকে দাঁড়ান একদল যুবক। প্রথমে তাদের নানা রকম প্রশ্ন করা হয়। তার পর শুরু হয় মারধর। কাকুতিমিনতি করেও ছাড় পায়নি ওই কিশোর-কিশোরী। অভিযোগ ওঠে, মারধরের পাশাপাশি কিশোরীর শ্লীলতাহানি করেন ওই যুবকেরা। সেই ঘটনার ভিডিয়ো এবং ছবি সমাজমাধ্যমে হু হু করে ছড়িয়ে পড়ে। সোমবার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়। তিন জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ‘মূল’ অভিযুক্ত পলাতক ছিলেন। পুলিশ সূত্রে খবর, কিশোরী এবং তার বন্ধু জামুইয়েরই বাসিন্দা। দু’জনেই দশম শ্রেণির পড়ুয়া। জামুইয়ের এই ঘটনায় রাজনৈতিক উত্তাপও বেড়েছে। বিশেষ করে এই ঘটনাকে ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ বলে বিহারের মন্ত্রীর মন্তব্য ঘিরে রাজ্য এবং জাতীয় রাজনীতি সরগরম।




