RK NEWZ কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচারণ মন্ত্রকের তরফ থেকে বুধবার প্রকাশিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে ‘সেন্সর বোর্ড ফর ফিল্ম সার্টিফিকেশন’-এর ১৮ জন সদস্যের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। সেই তালিকায় রয়েছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ও। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এ বার ‘সেন্সর বোর্ড ফর ফিল্ম সার্টিফিকেশন’-এর (সিবিএফসি) সদস্য হলেন। কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের তরফ থেকে বুধবার প্রকাশিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে ১৮ জন সদস্যের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। সেই তালিকায় রয়েছে বাংলার তারকার নামও। ২০১৭ সালের পর এ বছরই পুনর্গঠিত হল সিবিএফসি। মন্ত্রকের এক জন আধিকারিক জানিয়েছেন, সেন্সর বোর্ডের নতুন করে গঠনপ্রক্রিয়া অনেক দিন ধরেই হওয়ার কথা চলছিল। কারণ, ২০১৭ সালে শেষ বার ১২ জন সদস্যকে নিয়ে বোর্ড গঠিত হয়েছিল এবং তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েক জনের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল। বোর্ডের সদস্যদের তালিকায় কিছু পরিবর্তন এলেও, এই সময়কালে সেন্সর বোর্ডের দায়িত্ব ও কাজের নিয়মকানুনে কোনও পরিবর্তন হয়নি বলে জানা যাচ্ছে। সিবিএফসি সদস্য-তালিকায় প্রসেনজিৎ ছাড়াও রয়েছেন আরও এক বাঙালি অভিনেত্রী রুপালি গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি অবশ্য হিন্দি ছোটপর্দার অভিনেত্রী হিসাবেই জনপ্রিয়। এ ছাড়াও, সেন্সর বোর্ডের নতুন সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন বেশ কয়েক জন জনপ্রিয় অভিনেতা-অভিনেত্রী। আছেন পঙ্কজ ত্রিপাঠী, প্রীতি জ়িন্টা, পল্লবী জোশী, মনোজ জোশী, সুনীল শেট্টী, সুপ্রিয়া ইয়রালগড্ডা, নিশিগন্ধা ওয়াড। পরিচালক প্রিয়দর্শনও রয়েছেন এই তালিকায়। আর আছেন গায়ক তথা বিজেপি শিবিরের সাংসদ হংসরাজ হংস, সুরকার ও পরিবেশবিদ রিকি কেজ, প্রযোজক-পরিচালক নীল মাধব পণ্ডা, নাট্যপরিচালক বামন কেন্দ্রে, লেখক রমেশ পতঙ্গে। অর্থাৎ, ছবিতে এ বার থেকে কী কী দেখানো যাবে বা যাবে না, তার সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্বে থাকবেন এই ১৮ জন সদস্য। প্রসেনজিৎ জানান, তিনি এই দায়িত্ব পেয়ে খুশি। তাঁর কথায়, “একটি চিত্রনাট্য শুনতে শুনতে খবরটি পেলাম। ৪০ বছরের বেশি সময় ধরে বাংলা ছবিতে কাজ করছি। তাই এটা আমার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। এমন সম্মাননীয় স্থানে থেকে পুরো বাংলা ইন্ডাস্ট্রির জন্য দায়িত্ব পালন করার সাধ্যমতো চেষ্টা করব।” সম্প্রতি সেন্সর বোর্ড-সংক্রান্ত আরও একটি বিষয় নিয়েও আলোচনা হচ্ছে। বড়পর্দার মতোই ওটিটি-র ছবি বা সিরিজ়েও নজরদারির প্রয়োজনীয়তার কথা ভাবছেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (আরএসএস) প্রধান মোহন ভাগবত। দু’বছর আগেই বিষয়টি প্রথম তোলেন তিনি। ওটিটি-র কিছু বিষয়বস্তুতে সঙ্ঘ যে ‘সাংস্কৃতিক দূষণ’ দেখছে, তা ঠেকানোর উপায় খুঁজতে এ বার তাঁর উদ্যোগে তৈরি হয়েছে একটি প্যানেল। কয়েক মাস আগে তৈরি ওই প্যানেলে রয়েছেন শিক্ষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত কয়েক জন প্রাক্তন উপাচার্য এবং সঙ্ঘের প্রচারক। গত মাসে হয়েছে ওই প্যানেলের প্রথম বৈঠক। আপাতত জানা গিয়েছে, ওটিটি-র বিষয়বস্তু নিয়ে একটি প্রস্তাব তৈরি করে তা কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের কাছে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে ওই প্যানেলের।




