আফগানিস্তান: ১৫৯-৮ (জাদরান ৩৭, রশিদ ২৮, নীতীশ ৩-২৪)
ভারত: ১৬৩-৩ (সঞ্জু ৫৭, অভিষেক ৩৯, রশিদ ৩-৩৬)
ভারত ৭ উইকেটে জয়ী।
RK NEWZ ওপেনার হিসাবে রোহিত শর্মা, শিখর ধাওয়ানদের পাশে বসল সঞ্জুর নাম। ভারতের মাটিতে আফগানিস্তান যে টিম ইন্ডিয়াকে খুব বেশি বেগ দিতে পারবে না, সেটা একপ্রকার জানাই ছিল। হলও তাই। প্রথম টি-টোয়েন্টিতে একপেশে জয়ের পর, দ্বিতীয় ম্যাচেও আফগানদের উড়িয়েই দিল টিম ইন্ডিয়া। বোলারদের দাপট এবং দুই ওপেনারের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে দিল্লিতে আফগানদের ৭ উইকেটে পরাস্ত করল টিম ইন্ডিয়া। রশিদ খান একা ব্যাটে বলে খানিকটা প্রতিরোধ করার চেষ্টা করলেও সেটা নেহাতই নগণ্য।
বৈভব সূর্যবংশী খেলবেন কিনা, এদিন ম্যাচ শুরুর আগেই প্রশ্ন ঘোরাফেরা করছিল সমর্থকদের মুখে মুখে। শেষমেশ দিল্লির যে দর্শকরা বৈভবের খেলা দেখতে মাঠে এসেছিলেন, তাঁদের হতাশ হতে হল। তরুণতুর্কীকে বাদ দিয়ে এদিন সঞ্জু স্যামসনকে আরও একটা সুযোগ দেয় টিম ম্যানেজমেন্ট। সঞ্জু জানতেন, এই সুযোগটা কাজে লাগাতে না পারলে তাঁর জন্য প্রথম একাদশের রাস্তা ফের বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আফগানদের ১৬০ রানের টার্গেটের জবাবে তিনি শুরুতেই ২২ বলে ৫৭ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে দিলেন। সেই সঙ্গে পঞ্চম ভারতীয় ওপেনার হিসাবে টি-২০ ক্রিকেটে ওপেনার হিসাবে ১ হাজার রানের মালিক হলেন তিনি। এই তালিকায় নাম রয়েছে রোহিত শর্মা, শিখর ধাওয়ান, বীরেন্দ্র শেহওয়াগের। আরেক ওপেনার অভিষেক শর্মাও খেলে গেলেন ১৯ বলে ৩৯ রানের ইনিংস। ৭.১ ওভারেই ভারত পৌঁছে গেল ১০০ রানে। তারপর রশিদ খানের ঘূর্ণি ঈশান কিষান, শ্রেয়স আইয়ারদের খানিকটা বিব্রত করলেও ভারতের জয়ের পথে বাধা হতে পারেনি। টিম ইন্ডিয়া মাত্র ১৪.৫ ওভারে নির্ধারিত ১৬০ রানের লক্ষ্যে পৌঁছে গিয়েছে। আফগানদের হয়ে রশিদ একাই নিয়েছেন ৩ উইকেট।
আর শুধু বল হাতে কেন। ব্যাট হাতেও এদিন নজর কেড়েছেন আফগান মহাতারকা। টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে আগের দিনের মতোই শুরুটা ভালো করেনি আফগানরা। রহমনুল্লাহ গুরবাজ এদিন ফের ব্যর্থ। শূন্য রানে ফেরেন তিনি। অপর ওপেনার জাদরান ৩৩ বলে ৩৭ রানের মন্থর ইনিংস খেলেন। আফগান মিডল অর্ডারের অবস্থা আরও খারাপ। একটা সময় মাত্র ১০০ রানে ৬ উইকেট খোয়ায় আফগানরা। সেখান থেকে মূলত রশিদের ১৬ বলে ২৮ রান এবং নবির ১৪ বলে ২০ রান আফগানিস্তানকে ১৫৯ রানের সম্মানজনক স্কোরে পৌঁছে দেয়। কিন্তু দিল্লির পিচে ১৬০ রানের টার্গেট যে যথেষ্ট নয়, সেটা বোঝা গেল ভারতের ব্যাটিং দেখেই। এই ম্যাচ জয়ের ফলে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই ৩ ম্যাচের সিরিজ পকেটে পুরে ফেলল টিম ইন্ডিয়া।




