RK NEWZ ভোটের ময়দানে নামছেন লিয়েন্ডার, তবে সেটা ক্রীড়া প্রশাসনে। ইতিমধ্যেই গতবছর বেঙ্গল টেনিস অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনে জিতে প্রেসিডেন্ট হয়েছেন তিনি। এবার লিয়েন্ডারের পাখির চোখ অল ইন্ডিয়া টেনিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি পদ। জানা গিয়েছে, স্পোর্টস পার্সন অফ আউটস্ট্যান্ডিং মেরিট রস্টারে যোগ দিতে চেয়ে ইতিমধ্যেই আবেদন করে ফেলেছেন লিয়েন্ডার। তারপরই প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসাবে তাঁর নাম প্রস্তাব করেছে বঙ্গ টেনিস সংস্থা। লিয়েন্ডারের প্রতিপক্ষ হতে পারেন রোহিত রাজপাল। লিয়েন্ডার বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর একদিকে যেমন জল্পনা ছিল তাঁর ভোটে লড়া নিয়ে, অপরদিকে মনে করা হচ্ছিল কিংবদন্তি খেলোয়াড়কে ক্রীড়া প্রশাসনের দিকেই ব্যবহার করবে গেরুয়া শিবির। ২০৩৬ সালের অলিম্পিক আয়োজনের জন্য বহু চেষ্টা করছে ভারত। পাশাপাশি তৈরি হয়েছে মিশন অলিম্পিক ২০৩৬। দশ বছর পর গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ থেকে ভারত যেন অন্তত ১০০টি পদক পায়, সেটা নিশ্চিত করতেই এই মিশন প্রতিষ্ঠা। সম্ভবত এই মিশনের শীর্ষ পদে বসানো হতে পারে লিয়েন্ডারকে। তবে তার আগে টেনিস অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনে লড়বেনবিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। তাঁর মতো বিরাট মাপের তারকাকে নিয়ে স্বভাবতই জল্পনা শুরু হয়, ভোটে লড়ছেন কিনা। প্রায় ছ’মাস ধরে নানা গুঞ্জন চলেছে অলিম্পিক পদকজয়ী লিয়েন্ডার পেজকে নিয়ে। অবশেষে জল্পনার অবসান। এবার তাঁকে ভোটে লড়তে দেখা যাবে। তবে এখনও ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা কর হয়নি। চলতি বছর মার্চ মাসের শেষে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু এবং বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেন লিয়েন্ডার। তার আগে প্রাক্তন টেনিস তারকা বৈঠক করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতীন নবীনের সঙ্গে। বিধানসভা নির্বাচনের বিজেপি’র প্রচারের অন্যতম মুখ ছিলেন, তবে প্রার্থী হননি। বিধানসভা নির্বাচন মিটতেই চর্চা শুরু হয়, মোদি সরকারের মন্ত্রী হতে পারেন লিয়েন্ডার। তবে সেটা এখনও হয়নি।



