Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

এক ‘ভণ্ড’ সাধু!‌ বাংলায় এসে বাঙালিকেই অপমান! ‘ভণ্ড’ বিতর্কে বাগেশ্বরের বিরুদ্ধে ভবানীপুর থানায় দায়ের অভিযোগ

RK NEWZ মধ্যপ্রদেশের সাধু বাগেশ্বর বাবা ওরফ ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রীর বিতর্কিত মন্তব্যের বিরোধিতায় মঙ্গলবার ভবানীপুর থানায় এফআইআর দায়ের করল প্রদেশ কংগ্রেস। অভিযোগ দায়ের করেছেন মধ্য কলকাতা জেলা কংগ্রেস কমিটির সভাপতি তথা ছাব্বিশের ভোটে চৌরঙ্গীর প্রার্থী মানস সরকার। দক্ষিণ কলকাতা জেলা কংগ্রেসের সভাপতি তথা ছাব্বিশের ভোটে ভবানীপুরের প্রার্থী প্রদীপ প্রসাদের অভিযোগ, বাংলায় এসে বাঙালিকেই অপমান করেছেন বাগেশ্বর বাবা। তার তীব্র বিরোধিতায় তাঁদের এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছেন। এফআইআরের কপিতে বাগেশ্বর বাবার ‘পাখণ্ডী’, ‘গন্দা গন্দা কুকিং’-এর মতো শব্দপ্রয়োগের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এদিন ভবানীপুর থানার সামনে কংগ্রেস কর্মী, সমর্থকরা জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ দেখান। মুখ্যমন্ত্রীর নিজের কেন্দ্র ভবানীপুর থানায় এই অভিযোগ দায়ের হওয়ায় তার গুরুত্ব বাড়ল বলে মনে করা হচ্ছে। দুর্গাপুজোয় আমিষ-নিরামিষ বিতর্কে নিয়ে জল গড়াল থানায়। হাওড়ায় ‘হনুমান কথা’ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে বাগেশ্বর বাবা দুর্গাপুজোর সময়ে বাঙালির খাদ্যাভ্যাসকে তীব্র আক্রমণ করেছেন। তাঁর মন্তব্য, পুজোর সময় যাঁরা মাছ-মাংস খান, তাঁরা আদৌ ধার্মিক নন। তাঁরা ‘পাখণ্ডী’ অর্থাৎ ‘ভণ্ড’। এ সময়ে বাঙালির আজেবাজে খাবার খায়, এই মন্তব্যও শোনা গিয়েছে তাঁর মুখে। কীভাবে বাঙালির সেরা উৎসব বাঙালি পালন করবে, তা নিয়ে বিস্তর জ্ঞান বিতরণ করেছেন তরুণ সন্ন্যাসী বাগেশ্বর বাবা। তা নিয়েই তৈরি হয়েছে তীব্র বিতর্ক। পুজোর দিনগুলিতে আমিষ-নিরামিষ বিতর্কের মাঝে বিজেপির নেতা-মন্ত্রীরা অবশ্য আমিষের পাশেই দাঁড়িয়েছেন। দিলীপ ঘোষ, শমীক ভট্টাচার্যদের মতে, বাঙালি যেভাবে এতদিন দুর্গাপুজো পালন করে এসেছেন, সেভাবেই এবারও পালন করবেন। মাছ-মাংস বা নিরামিষ, যাঁর যা খেতে ইচ্ছে হবে, সেটাই খাবেন। এনিয়ে আর বিতর্কের অবকাশ নেই। শাসকদলের নেতারা এভাবেই যতই বাগেশ্বর বাবার মন্তব্য বিতর্কে ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা করুন, কংগ্রেস এনিয়ে নাছোড়। বাগেশ্বরের বিরুদ্ধে সোজা আইনের দ্বারস্থ হয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব। ভবানীপুর থানায় দায়ের করা মানস সরকারের অভিযোগপত্রে উল্লেখ, উনি বাংলায় এসে বাঙালিকেই শেখাতে চাইছেন, কীভাবে দুর্গাপুজো করা হবে। কোন কাজ উচিত, কোনটা অনুচিত, তাও চাপিয়ে দিতে চাইছেন। এটা বাংলা ও বাঙালির সংস্কারের পক্ষে অত্যন্ত অবমাননাকর। এই অভিযোগও তোলা হয়েছে, উনি যে আমিষভোজী বাঙালিকে ‘ভণ্ড’ বলছেন, উনি নিজেই এক ‘ভণ্ড’ সাধু। তাই তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে কংগ্রেস নেতৃত্বের দাবি, দ্রুত যথাযথ পদক্ষেপ করুক পুলিশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles