RK NEWZ যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে থাকার বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ বার সেই বার্তাই প্রতিধ্বনিত হল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর কণ্ঠে। হুঁশিয়ারি দিলেন, নিষিদ্ধ কাশির সিরাপের কারবারিদেরও। দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে নেশাদ্রব্যের উপর রোড রোলার চালালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বালুরঘাট পুলিশ সুপারের অফিসের সামনে সাজানো ছিল বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রায় দু’লক্ষ নিষিদ্ধ কাশির সিরাপের বোতল। সেগুলির উপর দিয়ে রোড রোলার চালান মুখ্যমন্ত্রী। রোলারে তাঁর সঙ্গী ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারও। ২০২৯ সালের মধ্যে ‘নেশামুক্ত ভারত’ গড়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তরুণ প্রজন্মকে নেশা থেকে দূরে থাকার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। বলেছেন, “ক্ষণিকের নেশা গোটা জীবনকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিতে পারে।” এ বার তরুণদের উদ্দেশে নেশামুক্তির ডাক দিলেন শুভেন্দুও। নিষিদ্ধ কাশির সিরাপের উপর রোলার চালানোর পরে বললেন, “আমার কর্মসূচির প্রথম বার্তা হল— যুবসমাজকে নেশা থেকে বের করে আনতে হবে।” রোড রোলার দিয়ে নেশাদ্রব্য দুরমুশ করার ঘটনা অবশ্য একেবারে নতুন নয়। অতীতে গুজরাত বা বিহারে রোলার দিয়ে মদের বোতল দুরমুশ করতে দেখা গিয়েছে। গত জুলাইয়ে অসমেও রোড রোলার দিয়ে নেশার দ্রব্য দুরমুশ করেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। এ বার সেই একই পথে হাঁটলেন পশ্চিমবাংলার মুখ্যমন্ত্রীও। বুধবার দুপুর ৩টে নাগাদ বালুরঘাটে পুলিশ সুপারের অফিসের সামনে রোড রোলারে ওঠেন মুখ্যমন্ত্রী এবং সুকান্ত। দু’জনেরই মাথায় ছিল হেলমেট। রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ও ছিলেন সেখানে। তবে তিনি রোলারে ওঠেননি। সাজিয়ে রাখা কাশির সিরাপের বোতলগুলির একটি অংশের উপর দিয়ে রোড রোলার চালান শুভেন্দু। পরে নেমে এসে বলেন, “নেশামুক্ত ভারত অভিযান চালাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। এটা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক এবং সময়োপযোগী। সরকারের আসার পরে আমরা ব্যাপক পরিমাণে নেশাদ্রব্য বাজেয়াপ্ত করেছি।”
‘বছরের পর বছর জেলে থাকতে হবে এ সবের কারবারে’! নিষিদ্ধ কাশির সিরাপের উপরে রোড রোলার চালালেন শুভেন্দু!




