Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

প্রকৃতির ‘তাণ্ডবনৃত্য’!‌ হিমালয়ের কোলে প্রলয়! নিমেষে বিধ্বস্ত নেপাল

RK NEWZ পাহাড়ি নদী ভোটকোশী। হিমবাহ গলা শীতল জলে পুষ্ট। তার সৌন্দর্যে বিভোর হতেন হিমালয়ের কোলের দেশে বেড়াতে আসা পর্যটকেরা। সেই নদীই এখন রাক্ষুসে রূপ ধারণ করেছে। মেঘভাঙা বৃষ্টি তৎসহ হড়পা বানে বিধ্বস্ত নেপাল। এখনও পর্যন্ত ঘোষিত মৃতের সংখ্যা ৫০। প্রতি ঘণ্টায় বাড়ছে এই সংখ্যা। অন্যদিকে নিখোঁজ ১০৫ ভারতীয়-সহ ৪০০ কৈলাসযাত্রী। সাম্প্রতিক অতীতে এত বড় বিপর্যয় চাক্ষুষ করেনি নেপাল। আতঙ্কে কাঁপছে গোটা দেশ। ২০১৫ সালের ২৫ এপ্রিল প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্পের সাক্ষী হয়েছিল নেপাল। ‘গোর্খা ভূমিকম্প’ নামে পরিচিত ওই দুর্যোগে মৃত্যু হয়েছিল প্রায় ৯ হাজার মানুষের। এরপর ২০২৬ সালের ২৬ আগস্ট দিনটিকেই সম্ভবত লেখা হবে কালো অক্ষরে। জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে বাড়ি-ঘর-সেতু-রাস্তা-সহ বহু জনপদ। ভাইরাল ভিডিও দেখলে মনে হবে হলিউডের সাইফাই সিনেমার দৃশ্য। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, বিপর্যয়ের সূত্রপাত চিনের তিব্বতে। সেখান থেকে বন্যার জল প্রবেশ করে নেপালের রসুয়া জেলায়। কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ১২৫ কিমি দূরে অবস্থিত এই জেলার উপর দিয়েই বয়ে গিয়েছে ভোটেকোশী নদী। বুধবার সকাল থেকেই আচমকা নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পেতে থাকে। এরপরই চিন সীমান্তবর্তী ওই জেলায় হড়পা বান নামে। আকস্মিক বন্যার জেরে রীতিমতো ধ্বংসযজ্ঞ চলে রসুয়া জেলায়। চিনের সংবাদ সংস্থা ‘সিনহুয়া’র খবর অনুযায়ী, হড়পা বানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তিব্বতের গাইরং প্রদেশ-সহ বহু এলাকা। সেখানেও হতাহতের সংখ্যা বহু। হড়পা বানের কারণ নিয়ে নানা মত উঠে আসছে। নেপালের বন্যা পূর্বাভাস বিভাগ জানিয়েছে, রসুয়ায় ভারী বৃষ্টির জেরে এই বিপর্যয় ঘটেছে, এমন সম্ভাবনা কম। ফলে তিব্বত থেকে জল নেমে আসার বিষয়টিই প্রকট। পাশাপাশি, হিমবাহের জলাধার ভাঙা বা ‘গ্লেসিয়াল লেক আউটবার্স্ট ফ্লাড’-এর সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নেপাল পর্যটন বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, বন্যাদুর্গত এলাকা থেকে অন্তত ৩৮৪ জন পর্যটক নিখোঁজ। তাঁদের মধ্যে ২৯১ জন বিদেশি এবং ৯৩ জন নেপালি নাগরিক। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিদেশিদের মধ্যে ১০৫ জন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন। অন্যদিকে, রাসুয়া জেলায় নেপাল পুলিশের অন্তত ২৬ জন আধিকারিক এখনও নিখোঁজ। পাশাপাশি, খোঁজ মিলছে না নেপালি আধাসেনার কমপক্ষে ৭ জওয়ানেরও। নদী তীরবর্তী বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মুগলিন এলাকা-সহ ত্রিশূলী নদীর তীরবর্তী বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে নেপালি প্রশাসন। ভয়াবহ এই দুর্যোগে উদ্বিগ্ন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ। তিনি জানিয়েছেন, বিপর্যয় মোকাবিলায় নেমে পড়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, চিকিৎসক দল, স্কাউট, রেড ক্রস। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলিতে অতিরিক্ত অ্যাম্বুল্যান্স ও চিকিৎসাকর্মীদের পাঠানো হচ্ছে। প্রতিবেশী দেশে দুর্যোগের মৃতদের প্রতি শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ফোন করে নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহকে সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টে মোদি লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহর সঙ্গে কথা বলেছি। নেপালে বন্যায় প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছি। এই কঠিন সময়ে ভারতের জনগণ নেপালের ভাই-বোনদের পাশে রয়েছে।” আরও লিখেছেন, “নেপালকে সম্ভাব্য সব ধরনের মানবিক সহায়তা দিতে ভারত প্রস্তুত।” এদিকে নেপালের দুর্যোগ থাবা বসাতে পারে ভারতেও! এই আশঙ্কা বাড়ছে। ইতিমধ্যে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরীর সঙ্গে কথা বলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিপর্যয় সামাল দিতে বিহারের প্রশাসন কতটা প্রস্তুত রয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে দু’জনের মধ্যে। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। মুখ্যসচিব এবং ডিজিপি ক্রমাগত নজর রাখছেন পরিস্থিতির দিকে। সতর্ক করা হয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তরকেও। নেপালে বিপর্যয়ে পড়েছেন শতাধিক ভারতীয় পর্যটকও। কৈলাস-মানস সরোবর দর্শনে গিয়েছিলেন তাঁরা। পড়শি দেশে আটকে পড়া ভারতীয় নাগরিকের তথ্য ও খবরাখবর নেওয়ার জন্য ভারতের বিদেশ মন্ত্রক দু’টি জরুরি নম্বর প্রকাশ করেছে— +৯৭৭৯৮৫১৩১৬৮০৭ এবং +৯৭৭৯৭০৯১০৭৫০০। নেপালের বিপর্যয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ভারতীয়রা সহায়তা এবং তথ্যের জন্য ওই নম্বরে যোগাযোগ করতে পারবেন। নেপালের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছে দিল্লি। উদ্ধারকাজ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যের কাজে সাহায্য করছে ভারত।

নেপালের এই বিপর্যয়ের সূত্রপাত চিনের তিব্বতে। সেখান থেকে বন্যার জল প্রবেশ করে নেপালের রসুয়া জেলায়। কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ১২৫ কিমি দূরে অবস্থিত এই জেলার উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে ভোটেকোশী নদী। বুধবার সকাল থেকেই আচমকা নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পেতে থাকে। এরপরই চিন সীমান্তবর্তী ওই জেলায় ওই হড়পা বান নামে। ভয়ংকর হড়পা বানে বিপর্যস্ত নেপাল। লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। নিখোঁজ বহু। আচমকা বিপুল জলরাশি নেমে এলে কী অবস্থা হতে পারে, তার টাটকা উদাহরণ নেপাল। এই আবহে তিব্বত থেকে উৎপত্তি হওয়া ইয়ারলুং সাংপো নদীর নিম্ন অববাহিকায় চিনের বৃহত্তম বাঁধ নির্মাণকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠতে করছে। কোনও কারণে এই বাঁধে বড়সড় বিপর্যয় ঘটলে ভয়ংকর বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে ভারতে। তাই বেজিংয়ের এই প্রকল্পকে ‘টাইমবোমা’ হিসাবে দেখছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তিব্বতে এই বাঁধ নির্মাণের কথা আগেই ঘোষণা করেছিল চিন। গোয়েন্দা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েকমাসে এই বাঁধ নির্মাণের কাজ অনেকখানি এগিয়েও ফেলেছে তারা। সীমান্তবর্তী অঞ্চলে চিনের তৈরি এই বাঁধকে কেন্দ্র করে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন ভারত সরকার। ইয়ারলুং সাংপো নামে যে নদীর উপর চিন এই বাঁধ তৈরি করছে সেটির উৎপত্তিস্থল তিব্বত। এরপর অরুণাচল প্রদেশে নদীটির নাম হয়েছে সিয়াং। সেখান থেকে অসমে প্রবেশ করার পর ব্রহ্মপুত্র নামে প্রবেশ করেছে বাংলাদেশে। ভারতের লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন জীবিকা পরিচালিত হয় এই নদীকে কেন্দ্র করে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, চিন বাঁধ নির্মাণ করলে গ্রীষ্মকালে নিম্ন অববাহিকায় ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত জল কমে আসবে। যা ভারত ও বাংলাদেশে কৃষিকাজের পাশাপাশি ধাক্কা দেবে শিল্পকেও। পাশাপাশি, পলি পরিবহণ বাধাপ্রাপ্ত হবে যা পরিবেশের উপর গুরুতর প্রভাব ফেলবে। এই বাঁধের ফলে ব্রহ্মপুত্রের মূল নিয়ন্ত্রণ যেহেতু চিনের হাতে থাকবে সেক্ষেত্রে নানা দিক থেকে ভারতকে বিপদে ফেলার সুযোগ পাবে চিন। বেজিং অবশ্য জানিয়েছে, বাঁধের মূল উদ্দেশ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন। এতে অন্য কোনও দেশের ক্ষতি করবে না। কিন্তু ভারত কোনও ঝুঁকি নিতে নারাজ। বেজিংয়ের প্রতিটি পদক্ষেপের উপর কড়া নজর রাখার পাশাপাশি কৌশলগতভাবে পালটা জবাবের পথ তৈরি করছে ভারত। অরুণাচল প্রদেশ থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই প্রকল্পের পালটা পদক্ষেপ শুরু করেছে নয়াদিল্লি। চিনা বাঁধের জবাবে অরুণাচলে ‘সিয়াং আপার মাল্টিপারপাস প্রোজেক্ট’ তৈরির তৎপরতা শুরু হয়েছে। প্রস্তাবিত এই বাঁধ ১১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ তৈরির পাশাপাশি বন্যা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এটাই হবে ভারতের বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র। নেপালের এই বিপর্যয়ের সূত্রপাত চিনের তিব্বতে। সেখান থেকে বন্যার জল প্রবেশ করে নেপালের রসুয়া জেলায়। কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ১২৫ কিমি দূরে অবস্থিত এই জেলার উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে ভোটেকোশী নদী। বুধবার সকাল থেকেই আচমকা নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পেতে থাকে। এরপরই চিন সীমান্তবর্তী ওই জেলায় ওই হড়পা বান নামে। আকস্মিক বন্যার জেরে রীতিমতো ধ্বংসযজ্ঞ চলে রসুয়া জেলায়। ভোটেকোশী নদীর জলে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চিন সীমান্তবর্তী তিমুর ও স্যাফ্রুবেসি এলাকা। সেখানে বহু ঘরবাড়ি, যানবাহন ভেসে গিয়েছে। জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে একটি সেতুও। কাঠমান্ডু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক তথা জলবায়ু গবেষক রিজান ভক্ত কায়স্থ বলেন, “হড়পা বানের কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সূত্রের খবর, নেপাল-সংলগ্ন কোনও এলাকা থেকে বরফ ধসে লেন্দে নদীতে পড়ে এর প্রবাহ আটকে দেয়। প্রায় একই সময়ে তিব্বতেও একটি ভূমিকম্প হয়।” যদিও হড়পা বানের নেপথ্যে এগুলির কোনও ভূমিকা ছিল কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তিনি আরও জানান, হিমবাহ-সৃষ্ট কোনও হ্রদের বাঁধ ভেঙে এই দুর্যোগ সৃষ্টি হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতে কিছদিন সময় লাগবে। ওই অঞ্চলে বেশ কয়েকটি বড় হিমবাহ-সৃষ্ট হ্রদ রয়েছে। উল্লেখ্য, বুধবার সকাল ৮টা ৩৭ মিনিট নাগাদ তিব্বতের গোসাইকুন্ডা থেকে প্রায় ৪৭ কিলোমিটার উত্তরে একটি ভূমিকম্প হয়। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৪।

আকাশে চক্কর কাটছে একের পর এক কপ্টার। নীচে জল থইথই জনপদ। বিপন্ন মানুষের আর্তনাদ। কিন্তু কপ্টার নেমে বানভাসিদের উদ্ধার করে যে নিয়ে যাবে সেই উপায় নেই। বুধবার সকালে এমনই মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী রইল উত্তর নেপালের রসুয়া জেলা। কিন্তু কেন এমন পরিস্থিতি! তথ্য বলছে, গত২৪ ঘন্টায় দেশের কোনও প্রান্তে মেঘভাঙা বৃষ্টি হয়নি। তারপরও এত জলরাশি এল কোথা থেকে! নেপালের ভয়াবহ পরিস্থিতি সামনে আসতেই এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে বিভিন্নমহলের। যদিও ভূবিজ্ঞানীদের একাংশের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ, নদীর গতিপথে তুষারধসের জেরে পাথর এবং বরফের স্তূপ আটকে ছিল। এই অবস্থায় ক্রমশ বাড়তে থাকে জলের চাপ। আর সেই চাপ থেকে ভয়াবহ হড়পা বান। কাঠমাণ্ডুর ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্ডিগ্রেটেড মাউন্টেন-এর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটি হিমবাহ থেকে হওয়া তুষারধসের কারণেই এই ভয়াবহ বিপর্যয়। সবথেকে ভয়ঙ্কর বন্যা হয়েছে লেন্ডে খোলা নদীতে। জলবায়ু গবেষণা সংস্থার বিশেষজ্ঞ শাশ্বত সান্যাল সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমকে জানাচ্ছেন, ১৪ মাসে পরপর দুবার বন্যায় ফুলে ফেঁপে উঠেছে এই লেন্ডে নদী। কিন্তু এবার তুষারধস বিপদ বাড়িয়েছে। আচমকা জলের স্রোত বেড়ে যাওয়ায় তোড়ে ভেসে গিয়েছে সব। এই ঘটনায় বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, হিমালয়ের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার এ এক বিপদ সঙ্কেত। কার্যত একইমত ভূগোলের গবেষক তথা চোপড়া কলেজের অধ্যক্ষ মধুসূদন কর্মকারেরও। তিনি বলেন, ”মঙ্গলবার রাতে উত্তর নেপালের কোথাও মেঘভাঙা বৃষ্টির খবর নেই। তবে স্যাটেলাইটে প্রাপ্ত ছবি বলছে তিব্বতে অতিভারী বৃষ্টি হয়েছে। সেখানে তুষারধসের কারণে নদীর স্বাভাবিক গতিপথ সাময়িকভাবে আটকে ছিল কিনা সেটাও দেখার বিষয় রয়েছে।” তবে ভূমিকম্পের কোনও তথ্য তিনি পাচ্ছেন না বলেই জানাচ্ছেন মধুসূদন কর্মকার। এদিকে ‘দ্য কাঠমান্ডু পোস্ট’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তুষার ধসের কারণে লেন্ডে নদী বাধাগ্রস্ত হয়ে একটি হ্রদ তৈরি হয়েছিল। সেই হ্রদের বাঁধ ভেঙে যায়। পত্রিকাটিতে আরও বলা হয়েছে, প্রায় একই সময়ে তিব্বত অংশে ভূমিকম্প হয়। ভারতের আবহাওয়া গবেষকরাও খতিয়ে দেখছেন তিব্বতের কেরুং বা সংলগ্ন উচুঁ এলাকায় তুষারধসের কারণে নদীর স্বাভাবিক গতিপথ সাময়িকভাবে আটকে গিয়েছিল কিনা। আর তা ‘ভেঙে’ বিশাল জলরাশি নিয়ে নেপালে ঝাপিয়ে পড়েছে। পাহাড়ের কোলে ঝাঁ-চকচকে ভবন। আশপাশে দোকানপাটও কম নেই। রাস্তা দিয়ে ইতিউতি চলছে গাড়ি। আচমকা বিপর্যয় নেমে এল সেখানেই! নেপাল-চিন সীমান্তে বুধবার হড়পা বানে ভেসে গিয়েছে বহু ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, সেতু। বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। অনেকের খোঁজই পাওয়া যায়নি। বানের সেই মুহূর্তের ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। কী ভাবে নদীর প্রবল স্রোত, কাদামাটির তাল এবং পাথর ছুটে এসে এক লহমায় গিলে নিয়েছে আস্ত লোকালয়কে, তা ধরা পড়েছে সিসি ক্যামেরায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles