জীবিকা নির্বাহের এই করুণ কাহিনি। মাসে ৩৫ হাজার বেতন। সপ্তাহে ছ’দিনের চাকরি। যুবক কার্যত চাকরি করেন সকাল ৬টা থেকে রাত ১১টা অবধি। অফিসে পৌঁছতে সময় লাগে তিন ঘণ্টা, ফিরতেও একই সময় লাগে। বদলাপুর থেকে গোরেগাঁওয়ের অফিস। সোশাল মিডিয়ায় এই বেদনার কাহিনি শেয়ার করেছেন যুবক। যা নিয়ে শোরগোল। সমাজমাধ্যমে যুবক লিখেছেন, “যাতায়াত করতে করতে আমি ক্লান্ত। ভোর ৫টায় ঘুম থেকে উঠি। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে বাড়ি থেকে বের হই। সোয়া ৭টায় বদলাপুর স্টেশন থেকে লোকাল ট্রেনে চড়ি। দাদরে পৌঁছে ওয়েস্টার্ন লাইনের ট্রেন ধরি, গোরেগাঁও স্টেশনে নামি এবং সেখান থেকে প্রতিদিন ৩০ মিনিট শেয়ার রিকশার লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর অবশেষে অফিসে পৌঁছাই। আমি সকাল ১০টা নাগাদ অফিসে পৌঁছাই। সন্ধ্যা ৭টায় অফিস থেকে বেরিয়ে বদলাপুরে নিজের বাড়িতে পৌঁছাই রাত ১১টায়। এটাই আমার প্রতিদিনের রুটিন। রবিবারটাই একমাত্র ছুটির দিন। অফিসের আশপাশে পিজিতে থাকার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু কম বেতনের কারণে পেরে উঠিনি। অফিসের কাছাকাছি পিজি খোঁজার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু সেগুলোর বেশিরভাগই বেশ ব্যয়বহুল। যেগুলি সস্তা সেগুলির পরিবেশ খুবই অস্বাস্থ্যকর। আমার মাসিক বেতন মাত্র ৩৫,০০০ টাকা। তাই আলাদা করে বাড়ি ভাড়া নেওয়া আমার সাধ্যের অতীত। একবার ভাবুন তো, প্রতিদিন যাতায়াতেই ৬ ঘণ্টা সময় চলে যায়! রাতে শুধু ঘুমানোর জন্যই বাড়ি।” অধিকাংশ মানুষ ওই যুবকের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন।




