RK NEWZ সিএলটি টেবিল টেনিসের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে ইন্দ্রনীল খাঁ! সিএলটি টেবিল টেনিসের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। বিজয়দের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ক্রীড়ামন্ত্রী নিজেই। উপস্থিত ছিলেন পদ্মশ্রী মৌমা দাস। বাংলার টেবিল টেনিসের প্রাণপুরুষ রবি চ্যাটার্জ্জীর উদ্যোগে প্রথম থেকে এই সিএলটি টেবিল টেনিস হয়ে আসছে।

৪৭তম সিএলটি টেবল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬-এ মেয়েদের বিভিন্ন বয়সভিত্তিক বিভাগে সেমিফাইনালে ৭-১১, ১১-৫, ১২-১০ ব্যবধানে হারিয়ে দেন শ্রুতি দাসকে। অন্য সেমিফাইনালে অলঙ্কৃতা পান্থি ১১-৬, ১১-৮ ফলে নিতারা রায়কে পরাজিত করে ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেন। অনূর্ধ্ব ১১ বিভাগেও ছিল আকর্ষণীয় দুই সেমিফাইনাল। অভিজ্ঞা মিতা ১১-৫, ১১-৮ ফলে আধ্যা ঘোষকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠেন। অন্যদিকে দীপশিখা রজক প্রথম গেমে পিছিয়ে পড়েও দুরন্ত প্রত্যাবর্তন করে স্নেহা দত্তকে ৫-১১, ১১-২, ১১-৮ ব্যবধানে পরাজিত করে শেষ লড়াইয়ের টিকিট নিশ্চিত আ করেন।

প্রতিযোগিতার পাশাপাশি অবদানের জন্য একাধিক বিশিষ্ট প্রশিক্ষককে সংবর্ধনা জানায় চিলড্রেন লিটল থিয়েটার। সম্মানিত হন অভিজিৎ রায় চৌধুরী, পার্থ প্রতিম দত্ত, কৌশিক দাস, গোবিন্দ জানা, সৌম্যদীপ পাল, অনির্বাণ নন্দী, সৌরভ সেন, প্রদীপ রায় এবং ইন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য। তাঁদের দীর্ঘদিনের নিষ্ঠা ও অবদানের স্বীকৃতি হিসাবে এই সম্মান প্রদান করা হয়।। প্রতিযোগিতা শেষে সকল অংশগ্রহনকারীদের হাতে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

ডুরান্ড কাপে কলকাতা ডার্বিতে জয়ের পর কলকাতা লিগে একই দিনে মাঠে নামল ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান। মোহনবাগান মাঠে উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। তাঁকে উত্তরীয় পরিয়ে সংবর্ধনা জানানো হয় ক্লাবের তরফ থেকে। দু’দলই জুনিয়রদের মাঠে নামিয়েছিল। জয় পেয়েছে দু’দলই। লাল-হলুদ বাহিনী যতটা সহজে জয় পেয়েছে, মোহনবাগান ততটা সহজে জেতেনি। চাকু মান্ডিরা পাঠচক্রের বিরুদ্ধে জিতল ৫-১ গোলে। সেখানে সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়রা ইউনাইটেড কলকাতার বিরুদ্ধে জয় পেলেন ১-০ গোলে। দু’দিন ধরে উদযাপিত হবে আসন্ন মোহনবাগান দিবস। এবার মোহনবাগান রত্ন সম্মানে ভূষিত হবেন প্রয়াত অঞ্জন মিত্র। গোষ্ঠ পাল সরণির সবুজ-মেরুন ক্লাব তাঁবুতে মোহনবাগান অ্যাথলেটিক ক্লাবের কার্যকরী সমিতির ষষ্ঠ বৈঠকে সিদ্ধান্ত। খেলার মাঠ থেকে একসময় প্রতিবাদের বীজ অঙ্কুরিত হয়েছিল মোহনবাগানের হাত ধরে। পরাধীনতার অপমান তখন ভারতবাসীদের কুরে কুরে খাচ্ছে। বাংলার এগারোজন দামাল ছেলে খেলার মাঠে এর জবাব দিয়েছিলেন। ১৯১১ সালের ২৯ জুলাই। আইএফএ শিল্ড ফাইনালে ব্রিটিশ দল ইস্ট ইয়র্কশায়ার রেজিমেন্টকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ে সবুজ-মেরুন ক্লাব। ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণেই প্রতি বছর ২৯ জুলাই পালিত হয় মোহনবাগান দিবস। এবার দু’দিন ধরে উদযাপিত হবে আসন্ন মোহনবাগান দিবস। প্রয়াত অঞ্জন মিত্রকে মরণোত্তর ‘মোহনবাগান রত্ন’ সম্মানে ভূষিত করার সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতভাবে নেওয়া হয়েছে। গত বছরই ঠিক করা হয়েছিল, এ বছর তাঁকেই এই সর্বোচ্চ সম্মান দেওয়া হবে। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবার অঞ্জন মিত্রকে এই সম্মানে ভূষিত করা হচ্ছে। ২৯ জুলাই মোহনবাগান মাঠে ঐতিহ্যবাহী পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে উৎসবের সূচনা হবে। পাশাপাশি প্রাক্তন মোহনবাগান ফুটবলারদের নিয়ে একটি প্রদর্শনী ম্যাচও হবে। ৩০ জুলাই নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। এদিন মোহনবাগান দিবস উপলক্ষে পুরস্কারপ্রাপকদের নামও ঘোষণা করা হয়েছে।

সর্বোচ্চ সম্মান ‘মোহনবাগান রত্ন’ পাচ্ছেন প্রয়াত অঞ্জন মিত্র। দীর্ঘদিন মোহনবাগানের অন্যতম কাণ্ডারি ছিলেন অঞ্জন মিত্র। ২০১৯ সালে প্রয়াত হন তিনি। ১৯৯৫ সালে মোহনবাগান ক্লাবের প্রশাসনের সঙ্গে যুক্ত হন তিনি। পরে ক্লাবের সচিবও হন। টুটু বোসের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্বের গল্প কার্যত মিথে পরিণত হয়েছিল। সবুজ-মেরুনের বহু উত্থানপতনের সাক্ষী ছিলেন তিনি। ২০২৬-এ মরণোত্তর মোহনবাগান রত্ন সম্মানে ভূষিত করা হবে তাঁকে। এবছর মোহনবাগান দিবসে মোহনবাগান রত্ন। ২০২৫-২৬ মরশুমের সেরা ফুটবলারের (শিবদাস ভাদুড়ি পুরস্কার) সম্মান পাচ্ছেন আলবার্তো রডরিগেজ। সেরা ফরোয়ার্ড (সুভাষ ভৌমিক পুরস্কার) নির্বাচিত হয়েছেন লিস্টন কোলাসো। সেরা যুব ফুটবলারের পুরস্কার সুহেল আহমেদ ভাটের। এছাড়া সেরা ক্রীড়া সাংবাদিক হিসাবে (মতি নন্দী পুরস্কার) সম্মানিত হবেন গৌতম ভট্টাচার্য। সেরা ক্রীড়া সংগঠকের (অঞ্জন মিত্র পুরস্কার) মরণোত্তর সম্মান পাচ্ছেন গোপীনাথ ঘোষ। সেরা রেফারি অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন সাগর সেন। হকির বর্ষসেরা কেশব দত্ত পুরস্কার পাচ্ছেন মহম্মদ রহিল মহসিন। অ্যাথলেটিক্সে প্রণব বন্দ্যোপাধ্যায় পুরস্কার পাচ্ছেন তাহুরা খাতুন। ক্রিকেটে অরুণ লাল পুরস্কার পাচ্ছেন অভিষেক রমন। বিশেষ সংবর্ধনা দেওয়া হবে বাংলার ক্রিকেটার অনুষ্টুপ মজুমদারকে। সেরা সমর্থকের (উমাকান্ত পালধি পুরস্কার) পুরস্কার পাচ্ছেন রাজীব রায় ও সৌরভ ঘোষ চক্রবর্তী। আজীবন সম্মাননা দেওয়া হবে প্রতাপ ঘোষকে। সর্বসম্মতিক্রমে মোহনবাগান রত্ন প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অসিত চট্টোপাধ্যায়কে ক্লাবের সহ-সভাপতি হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে।




