Wednesday, July 29, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

শতাধিক ‘খুনি’, ধর্ষণে অভিযুক্ত ৬১! ফের হুঁশিয়ারী?‌ দিল্লিতে বিক্ষোভ দেখানো ‘ককরোচ’দের অতীতে অপরাধের দাগ

RK NEWZ অতীতে অপরাধের দাগ। যন্তরমন্তরে আরশোলাদের বিক্ষোভে সমাজ বিরোধীরা ঢুকে পড়েছিল। কারও বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ, কারও বিরুদ্ধে ধর্ষণের। কেউ আবার অভিযুক্ত পকসো মামলায়। দিল্লির যন্তর মন্তর ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভে হিংসা ছড়ানোয় যে ২ হাজার ৮৭৩ জনকে সনাক্ত করেছিল দিল্লি পুলিশ। তাঁদের বিরুদ্ধে একের পর এক বিস্ফোরক সব অভিযোগ উঠছে। দিল্লি পুলিশ যা তথ্য দিচ্ছে, সেটা সত্যি হলে যন্তরমন্তরে আরশোলাদের বিক্ষোভে যে সমাজ বিরোধীরা ঢুকে পড়েছিল, সেটা এবার দিনের আলোর মতোই পরিষ্কার। দিল্লি পুলিশ বলছে, বিক্ষোভের সময় হিংসায় জড়িত থাকা মোট ২ হাজার ৮৭৩ জনকে সনাক্ত করে দিল্লি পুলিশ। মিছিলের পর দিল্লি পুলিশ যন্তর মন্তরে ‘ফেস রেকগনিশন সিস্টেম’ (এফআরএস) ব্যবস্থা স্থাপন করে। এর মাধ্যমেই আড়াই হাজারের বেশি বিক্ষোভকারীদের শনাক্ত করা হয়। দিল্লি পুলিশের সূত্রের বক্তব্য, মিছিলে তারা ছুরি, ধারালো অস্ত্র নিয়ে উপস্থিত হয়েছিল। সেগুলি নিয়েই তারা পুলিশের উপর হামলা চালায়। পরে দিল্লি পুলিশ নিজেদের অতীতের ‘অপরাধ কুণ্ডলী’ খতিয়ে দেখে ওই বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক সব তথ্য পেয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী শনাক্ত হওয়া ওই হাজার ৮৭৩ বিক্ষোভকারীর মধ্যে ৯৮৯ জনেরম নামে অতীতে কোনও না কোনও অপরাধে জড়িয়ে থাকার রেকর্ড রয়েছে। এর মধ্যে ১০১ জনের বিরুদ্ধে রয়েছে খুনের অভিযোগ। ৬২ জনের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগ রয়েছে। ৬১ জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা রয়েছে। ২৫ জনের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির মামলা আছে। এছাড়াও রয়েছে চুরি-রাহাজানির মতো মামলা। এই তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর স্বাভাবিকভাবেই ওই বিক্ষোভের ‘চরিত্র’ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। নিট প্রশ্ন ফাঁসের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ কর্মসূচি শুরু করে ‘ককরোচ’রা। তাঁদের একাধিক দাবি থাকলেও শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার দাবি ছিল প্রধান। তাঁদের এই কর্মসূচিতে যোগ দেন পরিবেশকর্মী তথা শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক। ধীরে ধীরে রাজধানীর বুকে এই আন্দোলন বড়সড় বিদ্রোহের রূপ নেয়। এই পরিস্থিতিতে আন্দোলনকারীদের অধিকাংশ দাবি মেনে নেয় কেন্দ্র। শনিবার ইস্তফা দেন ধর্মেন্দ্রও। পরে বিক্ষোভ তুলে নিয়েছে ককরোচরা।

বিক্ষোভকারীদের মুক্তি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে আপত্তি! ফের দেশজুড়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ‘ককরোচ’দের। সিজেপি সাফ বলছে, কেন্দ্রীয় সরকার শনিবার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তার সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণের মিল নেই। প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছে, সেটি গ্রহণযোগ্য নয়। এই অভিযোগ তুলে ফের দেশজুড়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিল ককরোচ জনতা পার্টি। ককরোচদের অভিযোগ, সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল দেশের সব প্রান্তে বিক্ষোভকারীদের উপর হওয়া সব মামলা প্রত্যাহার করা হবে। কিন্তু সেই সমঝোতাকে সম্মান করা হচ্ছে না। সুপ্রিম কোর্ট মঙ্গলবার যে রায় দিয়েছে, সেই রায় ব্যবহার করে কেন্দ্র ও বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি বিক্ষোভকারীদের আটকে রাখতে পারে, এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র সৌরভ দাস। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, অপরাধের ইতিহাস নেই, এমন নাবালক বিক্ষোভকারীদের আটক বা গ্রেপ্তার করে রাখা যাবে না। তবে অপরাধের ইতিহাস থাকলে সেই সব বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে অতীতের মামলা চালিয়ে যাওয়া যাবে। এই পর্যবেক্ষণেই আপত্তি ককরোচ জনতা পার্টির। সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস জানান, শীর্ষ আদালতের এই পর্যবেক্ষণকে তাঁরা শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। কিন্তু তা বলে নিজেদের দাবি থেকে সরছেন না। তাঁর সাফ কথা, আন্দোলন প্রত্যাহারের অন্যতম শর্ত ছিল, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নিট-কাণ্ডে প্রতিবাদীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর প্রত্যাহার। যাঁদের আটক করা হয়েছিল, তাঁদেরও মুক্তির দাবি। কখনওই বলা হয়নি কেবল নাবালক বা অপরাধের ইতিহাস না থাকাদের ছাড়া হবে। সিজেপি সাফ বলছে, কেন্দ্রীয় সরকার শনিবার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তার সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণের মিল নেই। সৌরভ দাস বলছেন, “সুপ্রিম কোর্ট এখন বলছে যাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর রয়েছে, তা প্রত্যাহার করা হবে না। সরকার আমাদের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সেটার সঙ্গে এই পর্যবেক্ষণের কোনও মিল নেই।” তবে সৌরভ দাসের দাবি, কেন্দ্র সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ কার্যকর করুক। তবে ওই নির্দেশে কোথাও বলা নেই যে সব মামলা প্রত্যাহার করা যাবে না। তাই ওই চুক্তিকেও সম্মান করা হোক। সিজেপি মুখপাত্রের বক্তব্য, “কেন্দ্রের সঙ্গে যে শর্তে আন্দোলন প্রত্যাহার করা হয়েছে, সেই শর্ত পূরণের শেষদিন ছিল মঙ্গলবার। শেষ পর্যন্ত শর্ত যদি পূরণ না হয়, তাহলে ফের আন্দোলনে নামবে সিজেপি।” ককরোচদের আরও অভিযোগ, যে চুক্তিপত্রে সই হয়েছিল, সেই চুক্তিপত্র এখনও ফেরত দেয়নি কেন্দ্র। তবে কেন্দ্রীয় সরকারি সূত্র বলছে, যাঁদের বিরুদ্ধে অতীতে অভিযোগ ছিল, তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করার কোনও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি।

ধৃত নিট-বিক্ষোভকারীদের মুক্তি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া শর্ত ‘গ্রহণযোগ্য নয়’! কেন্দ্রের দেওয়া প্রতিশ্রুতিতেই অনড় ‘ককরোচ’। সৌরভ জানান, যন্তর মন্তরে আন্দোলন প্রত্যাহারের অন্যতম শর্ত ছিল, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নিট-কাণ্ডে প্রতিবাদীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর প্রত্যাহার। যাঁদের আটক করা হয়েছিল, তাঁদেরও মুক্তির দাবি জানানো হয়েছিল। আবার মতবিরোধের পরিস্থিতি তৈরি হল কেন্দ্রীয় সরকার এবং ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) মধ্যে। সিজেপির বক্তব্য, শনিবার আলোচনার সময়ে কেন্দ্রীয় সরকার তাদের যে আশ্বাস দিয়েছিল, সুপ্রিম কোর্টের মঙ্গলবারের পর্যবেক্ষণ তার পরিপন্থী। প্রতিবাদে শামিল কাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ হবে, কাদের বিরুদ্ধে হবে না, তা নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট যে শর্ত দিয়েছে, তা গ্রহণযোগ্য নয়। কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সূত্র বলছে, অতীতে অপরাধের ইতিহাস রয়েছে, এমন কেউ আন্দোলন সংক্রান্ত হিংসায় জড়িত থাকলে, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ না-করার কোনও আশ্বাস দেওয়া হয়নি। সুপ্রিম কোর্ট মঙ্গলবার জানিয়েছে, অপরাধের ইতিহাস নেই, এমন নাবালক বিক্ষোভকারীদের আটক বা গ্রেফতার করে রাখা যাবে না। সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস জানান, শীর্ষ আদালতের এই পর্যবেক্ষণকে তাঁরা শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। কিন্তু তা বলে নিজেদের দাবি থেকে সরছেন না। তাঁর কথায়, ‘‘শীর্ষ আদালত যদি দেশের যুবসমাজের স্বার্থে পদক্ষেপ করে, তা হলে এই নির্দেশ বা পর্যবেক্ষণকে স্বাগত জানাই। তবে আমাদের দাবিও পূরণ করতে হবে। সেটা আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।’’

সৌরভ জানান, যন্তর মন্তরে আন্দোলন প্রত্যাহারের অন্যতম শর্ত ছিল, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নিট-কাণ্ডে প্রতিবাদীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর প্রত্যাহার। যাঁদের আটক করা হয়েছিল, তাঁদেরও মুক্তির দাবি জানানো হয়েছিল। তাঁদের তরফে কখনওই বলা হয়নি যে, কেবল নাবালক বলে বা অতীতে অপরাধে না জড়ালে মুক্তি দিতে হবে। তাঁদের দাবি ছিল, আন্দোলনস্থল থেকে আটক সকলের মুক্তি। শনিবার সাংবাদিক বৈঠকে সৌরভেরা যখন এই কথা বলছিলেন, তখন সেখানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নড্ডা। সিজেপি মুখপাত্রের কথায়, ‘‘সাংবাদিক বৈঠকে সরকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তার সম্মান করা উচিত।’’ সিজেপির বক্তব্য, কেন্দ্রীয় সরকার শনিবার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তার সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণের মিল নেই। সৌরভের বক্তব্য, ‘‘সুপ্রিম কোর্ট এখন বলছে, যাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর হয়েছে, তা প্রত্যাহার করা হবে না। সরকারের সঙ্গে আমাদের যে আলোচনা হয়েছিল, তার সঙ্গে এর কোনও মিল নেই। সুপ্রিম কোর্ট যে শর্ত দিয়েছে, তা আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।’’ তাঁরা এ-ও জানিয়েছেন, তাঁদের দাবির পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ কার্যকর করা হোক। তবে তাঁদের দাবি সর্বপ্রথম পূরণ করতে হবে। তা না হলে দিল্লির পথে আবার নামবেন, সেই হুঁশিয়ারি সোমবারই দিয়ে রেখেছিলেন ককরোচেরা। সিজেপি এ-ও জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার এখনও সই করে চুক্তিপত্র ফেরত দেয়নি। কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সূত্রের দাবি, ‘শান্তিপূর্ণ ভাবে’ যাঁরা প্রতিবাদ করছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা হবে না বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। যাঁরা ‘সমাজবিরোধী’, তাঁদের নিয়ে কোনও আশ্বাস দেওয়া হয়নি। সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-কে এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, ‘‘কেন্দ্রীয় সরকার এবং সিজেপির মধ্যে সমঝোতা হয়েছিল। তার পরে সিজেপি আন্দোলন প্রত্যাহার করে। শনিবার সাংবাদিক বৈঠক করে বিষয়টি তুলে ধরা হয়। নড্ডাজি (স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নড্ডা) সুচারু ভাবে সরকারের আশ্বাস তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট বলেন, প্রতিবাদ করার জন্য প্রতিবাদী এবং আয়োজকদের বিরুদ্ধে মামলা হবে না। কিন্তু যাঁদের বিরুদ্ধে অপরাধের মামলা রয়েছে, যাঁরা হিংসায় জড়িয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হবে।’’ তাঁর দাবি, যে লিখিত আশ্বাস দেওয়ার পরে সমাজসৈনিক সোনম ওয়াংচুক ২৬ দিনের অনশন শেষ করেছিলেন, তাতেও এই একই কথা বলা হয়েছিল। সেই লিখিত আশ্বাসপত্রে কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়ে দিয়েছিল, ‘শান্তিপূর্ণ ভাবে’ যাঁরা প্রতিবাদ করেছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা হবে না। অন্য এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানিয়েছেন, সিজেপি এবং কেন্দ্রীয় সরকারের মধ্যে লিখিত কোনও চুক্তিই ছিল না। উভয় পক্ষের বৈঠকে যা হয়েছিল, তা শনিবার নড্ডা সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছিলেন। সিজেপি একটি প্রস্তাব জমা দিয়েছিল, যা সই করে মঙ্গলবারের মধ্যে ফেরত দেওয়ার কথা ছিল কেন্দ্রের। শনিবার নড্ডা সাংবাদিক বৈঠকে বলেছিলেন, ‘‘ওঁদের দাবি ছিল, কোনও এফআইআর রুজু হবে না (প্রতিবাদীদের বিরুদ্ধে)। হয়ে থাকলে তা প্রত্যাহার করতে হবে। সে দিল্লি হোক বা অন্য বিজেপিশাসিত রাজ্যে। আমরা ওদের এফআইআরের প্রতিলিপি দেব। এফআইআর প্রত্যাহারের পরে কোনও পদক্ষেপ করব না। (প্রতিবাদের জন্য) প্রতিবাদী, আয়োজকদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে কোনও মামলা হবে না।’’ যদিও ওয়াংচুককে দেওয়া লিখিত প্রতিশ্রুতিতে জানানো হয়েছিল, ‘‘দিল্লির যন্তর মন্তরে এবং ২০ জুলাই সংসদ চলো কর্মসূচিতে যাঁরা শান্তিপূর্ণ ভাবে আন্দোলন করেছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও মামলা যাতে রুজু না হয়, তা নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ করা হবে।’’ বিহার এবং অসমের সরকার জানিয়েছে, ২৬ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার আগে আটক প্রতিবাদীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করা হবে। কলকাতায় সিজেপি-র মিছিলে অশান্তির ঘটনায় ধৃত ১৬ জনের ৫০০ টাকার বন্ডে জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে। সিজেপি যদিও অনড়, শর্ত নয়, আন্দোলনের সময় আটক কারও বিরুদ্ধেই কোনও আইনি পদক্ষেপ করা যাবে না। কেন্দ্রীয় সরকারের সূত্র বলছে, এই আশ্বাস দেওয়া হয়নি। তার পরেই নতুন করে শুরু টানাপড়েন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles