Sunday, July 26, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

রাত গভীর হলেই আরশোলার নিঃশব্দ আতঙ্ক!‌ অনাহূত অতিথিদের চিরতরে বিদায় জানাতে সহজ স্থায়ী সমাধান

RK NEWZ আলো নিভলেই রান্নাঘরের তাক কিংবা বাথরুমের ড্রেন বেয়ে বেরিয়ে আসে ছোট ছোট আরশোলার দল। রাত গভীর হলেই ঘরের কোণে শুরু হয় নিঃশব্দ আতঙ্ক। দিনের বেলায় ঘরদোর চকচকে পরিষ্কার। অথচ আলো নিভলেই রান্নাঘরের তাক কিংবা বাথরুমের ড্রেন বেয়ে বেরিয়ে আসে ছোট ছোট আরশোলার দল। বাজারে নানা রাসায়নিক স্প্রে মেলে বটে, তবে তাতে সাময়িক নিস্তার পাওয়া যায় মাত্র। দু’দিন কাটতে না কাটতেই আবার একই চিত্র। আসলে এই খুদে অনাহূত অতিথিদের চিরতরে বিদায় জানাতে খুব বড় আয়োজনের প্রয়োজন নেই। আমাদের হেঁশেল বা হাতের কাছে থাকা মাত্র ৪টি প্রাকৃতিক উপাদানেই লুকিয়ে রয়েছে এর সহজ স্থায়ী সমাধান। আরশোলা তাড়াতে বোরিক পাউডার অত্যন্ত কার্যকর একটি উপাদান। ঘরের যেসব জায়গায় এদের আনাগোনা বেশি, সেখানে এই গুঁড়ো ছড়িয়ে দেওয়া যেতে পারে। আরও ভালো ফল পেতে সামান্য আটা বা ময়দার সঙ্গে বোরিক পাউডার মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ রান্নাঘরের কোণ এবং সিঙ্কের পাইপের মুখে ছড়িয়ে রাখলে আরশোলার উপদ্রব ঝটপট কমবে। তেজপাতার কড়া গন্ধ একেবারেই সহ্য করতে পারে না আরশোলা। তাই রাসায়নিকের প্রাকৃতিক বিকল্প হিসেবে এটি ব্যবহার করা খুব সহজ। কয়েকটি শুকনো তেজপাতা ভালো করে গুঁড়ো করে নিন। তারপর রান্নাঘর ও বাথরুমের মেঝেতে সেই গুঁড়ো ছড়িয়ে দিন। বিশেষ করে ডাস্টবিন ও ড্রেনের মুখে তেজপাতার গুঁড়ো ছড়িয়ে রাখলে আরশোলা আর ঢোকার সাহস পাবে না। বিশেষ করে বর্ষার দিনে পোকামাকড়ের উপদ্রব বাড়লে নিম তেল দারুণ কাজে দেয়। একটি স্প্রে বোতলে জল নিয়ে তার মধ্যে কিছুটা নিম তেল মিশিয়ে নিন। রাতে শুতে যাওয়ার আগে মিশ্রণটি ঘরের কোণে, বেসিন বা সিঙ্কের পাইপে এবং রান্নাঘরের তাকে স্প্রে করুন। নিয়মিত এই অভ্যাসে সকালে উঠে আর আরশোলার দেখা মিলবে না। ঘর থেকে আরশোলা তাড়াতে বেকিং সোডাও দারুণ উপযোগী। সামান্য চিনির গুঁড়োর সঙ্গে বেকিং সোডা মিশিয়ে ঘরের মেঝে কিংবা তাকে ছড়িয়ে দেওয়া যেতে পারে। চিনির মিষ্টি গন্ধে আকৃষ্ট হয়ে আরশোলা তা খাবে এবং বেকিং সোডার প্রভাবে নিমেষেই শেষ হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles