RK NEWZ বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত কখনও মুখোমুখি হননি লিয়োনেল মেসি এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। এই বিশ্বকাপে সেই সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তিনটি সম্ভাবনার একটি মিলে গেলেই রোনাল্ডো এবং মেসিকে বিশ্বকাপের মঞ্চে মুখোমুখি দ্বৈরথে দেখা যেতে পারে। এক সময় স্পেনের লিগে নিয়মিত মেসি-রোনাল্ডো দ্বৈরথ দেখা যেত। তবে শেষ বার প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ম্যাচে দু’জনকে একসঙ্গে দেখা গিয়েছে ছ’বছর আগে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে মেসির বার্সেলোনার বিরুদ্ধে খেলেছিল রোনাল্ডোর জুভেন্টাস। রোনাল্ডো ম্যাচে দু’টি গোলও করেছিলেন। দেশের জার্সিতেও প্রদর্শনী ম্যাচে খেলেছেন। সাম্প্রতিক দ্বৈরথ ২০২৩-এর অক্টোবরে। মেসির প্যারিস সঁ জরমঁ প্রদর্শনী ম্যাচ খেলেছিল রিয়াধের দলের বিরুদ্ধে। সেই ম্যাচে রোনাল্ডো দু’টি এবং মেসি একটি গোল করেছিলেন।
দু’জনের মুখোমুখি হওয়ার কোন কোন সম্ভাবনা রয়েছে বিশ্বকাপে?
সম্ভাবনা ১: যদি আর্জেন্টিনা (গ্রুপ জে) এবং পর্তুগাল (গ্রুপ কে) নিজেদের গ্রুপে জেতে তা হলে দুই দেশই প্রতিযোগিতার একই অর্ধে থাকবে। যদি দুই দেশই রাউন্ড অফ ৩২ এবং রাউন্ড অফ ১৬-এর ম্যাচ জেতে, তা হলে কোয়ার্টার ফাইনালে দেখা হবে আর্জেন্টিনা এবং পর্তুগালের।
সম্ভাবনা ২: যদি আর্জেন্টিনা এবং পর্তুগাল দুই দেশই গ্রুপে রানার্স-আপ হয়, তা হলে প্রতিযোগিতার সূচি অনুযায়ী আরও আগেই দেখা হতে পারে মেসি-রোনাল্ডোর। রাউন্ড অফ ১৬-এই দেখা হবে দুই দেশের। যদিও দু’দেশের গ্রুপের বাকি প্রতিপক্ষ যারা, তাতে এই পরিস্থিতি দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা কম।
সম্ভাবনা ৩: যদি আর্জেন্টিনা এবং পর্তুগালের মধ্যে কোনও একটি দেশ গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয় এবং অপর দল গ্রুপে রানার্স-আপ হয়, তা হলে দুই দেশ দুই অর্ধে চলে যাবে। সে ক্ষেত্রে ফাইনাল ছাড়া মেসি-রোনাল্ডোর দেখা হবে না।
দুর্দিনে কংগ্রেসকে আঁকড়ে ধরার চেষ্টায় মমতা-অভিষেক!
পিসির সঙ্গে সনিয়ার বৈঠকের পরদিনই রাহুলের সঙ্গে সাক্ষাৎ ভাইপোর
কংগ্রেসে থাকাকালীন রাজীব গান্ধীর অত্যন্ত প্রিয়পাত্রী ছিলেন মমতা। দিল্লির ১০ জনপথে সনিয়া গান্ধীর বাসভবনে গিয়ে কংগ্রেস নেত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন তৃণমূলনেত্রী। আর বুধবার সকালে ওই বাড়িতেই রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর এ বার ১০ জনপথে গেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার দিল্লির ১০ জনপথে সনিয়া গান্ধীর বাসভবনে গিয়ে কংগ্রেস নেত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী। আর বুধবার সকালে ওই বাড়িতেই রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সূত্রে খবর, রাহুল এবং অভিষেকের মধ্যে প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে বৈঠক হয়। দু’জনের মধ্যে ‘ইতিবাচক বৈঠক’ হয়েছে বলে ওই সূত্রের দাবি। সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্র উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’-কে শক্তিশালী করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে দুই নেতার মধ্যে। কী ভাবে, মতপার্থক্য দূরে সরিয়ে বিজেপি বিরোধিতার প্রশ্নে দলগুলি এককাট্টা হতে পারে, তা নিয়েও আলোচনা হয়। তবে তৃণমূল সূত্রে খবর, বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও কথাবার্তা বলেছেন রাহুল এবং অভিষেক। বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর একের পর এক ধাক্কা খাচ্ছে তৃণমূল। পরিষদীয় দলের পর সংসদীয় দলেও ভাঙন ধরেছে। তৃণমূলের ২০ জন লোকসভার সাংসদ ‘বিদ্রোহী’ হয়ে বিজেপির নেতৃত্বাধীন শাসকজোট এনডিএ-কে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে রাহুল-অভিষেক বৈঠককে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দুর্দিনে কংগ্রেসকে আঁকড়ে ধরে ঘুরে দাঁড়াতে চাইছেন মমতা এবং অভিষেক। সেই কারণেই মমতা-সনিয়া বৈঠকের পরের দিনই অভিষেক রাহুলের দুয়ারে গেলেন বলে মনে করছেন অনেকে। বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র বৈঠকে মমতা এবং সনিয়ার সৌজন্যসাক্ষাৎ হয়েছিল। একে অপরকে আলিঙ্গন করেছিলেন তাঁরা। তার পরের দিন বিকেলেই সনিয়ার বাসভবনে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন মমতা। ঘটনাচক্রে, সেই সময়েই আবার সই জাল-কাণ্ডের তদন্তে মমতার বাড়ি সংলগ্ন তৃণমূল কার্যালয়ে তল্লাশি চালায় পুলিশ।
কংগ্রেসে থাকাকালীন রাজীব গান্ধীর অত্যন্ত প্রিয়পাত্রী ছিলেন মমতা। সেই সূত্র ধরেই সনিয়ার সঙ্গে মমতার রসায়ন বরাবরই ভাল। ১৯৯৮ সালে কংগ্রেস ভেঙে তৃণমূল গড়লেও গান্ধী পরিবারের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ভেঙে যায়নি। জাতীয় রাজনীতির বিভিন্ন ইস্যুতে রাহুলের সঙ্গে মমতার মতপার্থক্য সামনে এসেছে একাধিক বার। কিন্তু সনিয়া-মমতা সম্পর্কে প্রকাশ্যে তার কোনও প্রভাব পড়েনি। রাহুলকে একাধিক বার নিশানা করলেও প্রকাশ্যে সনিয়ার সমালোচনা করতে দেখা যায়নি তৃণমূলনেত্রীকে। পশ্চিমবঙ্গের ভোটে ভরাডুবির পরে প্রকাশ্যে কংগ্রেসের সঙ্গে সহযোগিতার বার্তাও দিয়েছেন মমতা। প্রসঙ্গত, ১৯৯৮ সালে কংগ্রেস ভেঙেই তৃণমূল গঠন করেছিলেন মমতা। ২৮ বছর পর সেই মমতাই দল বাঁচাতে কংগ্রেসের শরণাপন্ন হলেন।





