Monday, May 18, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

রূপা-রুদ্রনীল জোট বিধ্বংসী মেজাজে!‌ সাফ কথা, ‘ব্যান’ সংস্কৃতি আর না, ফেডারেশনের ‘দাদাগিরি’ বন্ধ

RK NEWZ রূপা-রুদ্রনীল জোট এ দিন শুরু থেকেই ছিলেন বিধ্বংসী মেজাজে। কখনও রঙ্গ-ব্যঙ্গ, কখনও শাণিত উত্তর, ঠোঁটের ডগায় উপস্থিত ছিল উভয়েরই। যে জয়ী চার তারকা প্রার্থীর হাতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী টলিউডের দায়িত্ব দিয়েছেন, রূপা-রুদ্রনীল তাঁদের মধ্যে অন্যতম। এ দিন তাঁরা সাফ জানিয়ে দেন, ‘ব্যান’ সংস্কৃতি আর থাকবে না। ফেডারেশনের ‘দাদাগিরি’ বন্ধ হবে। প্রযোজক-পরিচালক-শিল্পীরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবেন। প্রযোজকদের ঘাড়ে নিয়মনীতির বোঝা আর চাপিয়ে দেওয়া হবে না। কারও গায়ে রাজনৈতিক রং লাগতে দেওয়া হবে না। আভাসে এ-ও বোঝান, বদল আসতে পারে ইন্ডাস্ট্রির একাধিক সংগঠনে। তবে সেই বদল যে রাতারাতি নয়, সে কথা তাঁদের বক্তব্যে স্পষ্ট। রুদ্রনীল যেমন বলেন, “আমরা সবাইকে নিয়ে কাজ করব। এখানে ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’-এর ‘টুকরে টুকরে সংস্কৃতি’ চলবে না। বিভেদের রাজনীতিকে আর কোনও ভাবে টলিউডে ঢুকতে দেওয়া হবে না।” টলিউডের মঙ্গল প্রার্থনা করে রুদ্রনীলের আহ্বান, “সব ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা রাখুন। সকলের প্রতি সম্মানজনক আচরণ করুন। দেশের প্রতি, রাজ্যের প্রতি সকলের সমান শ্রদ্ধা থাক। বিজেপি সরকার এটাই চায়।” আরও একটি আশ্বাস দেন রূপা এবং রুদ্রনীল। শহর রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের পোস্টারমুক্ত করবেন তাঁরা। নাম না করে উভয়েই মনে করিয়ে দেন, কী কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব কী রবীন্দ্রজয়ন্তী! সর্বত্র প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর মুখ। আগামী দিনে এই ‘সংস্কৃতি’ আর দেখবে না শহর। এ দিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ‘প্রত্যাবর্তন’ ছবির অন্যতম অভিনেতা-গায়ক শিলাজিৎ মজুমদার। তিনি প্রকাশ্যে রূপা এবং রুদ্রনীলকে অনুরোধ করেন, “এর বদলে বর্তমান সরকারের নেতৃস্থানীয়দের ছবি যেন জায়গা করে না নেয়। তা হলে একই ভাবে তিনি আবার প্রতিবাদ জানাবেন।” দুটো ছবিরই পরিবেশক অজন্তা, গ্লোব সিনেমাহলের মালিক শতদীপ সাহা। তিনি বলেন, “আগামী দিনে কলকাতা আগের মতো বাংলা ছবির পোস্টারে সেজে উঠবে।” শিলাজিৎ কি নতুন সরকারকে নিয়ে গান বাঁধবেন? সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে গায়ক-অভিনেতা বলেন, “১৯৯৪ সালে একটা গান বেঁধেছিলাম, ‘তোদের ঘুম পেয়েছে বাড়ি যা’। কাদের উদ্দেশে গানটি করেছিলাম, কেউ বুঝতে পারেননি। ফলে অনেক দেরিতে সবার ঘুম ভেঙেছিল। আর এ সবে নেই। গান গাইছি, অভিনয়ে আছি। আর কী চাই?” নিজের শহরে তিন বার মুক্তি পেল জয়ব্রত দাসের ‘দি অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস’। একই সঙ্গে মুক্তি পেয়েছে সমর্পণ সেনগুপ্তের ছবি ‘প্রত্যাবর্তন’। এই ছবি দু’টির হাত ধরে নন্দনে বহু বছর পরে ফিরলেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, রুদ্রনীল ঘোষ। ওঁরা পদ্ম শিবিরের, এই ‘দোষ’-এ আগের রাজ্য সরকার তাঁদের অভিনয়দুনিয়া এবং নন্দন আঙিনা থেকে ব্রাত্য করেছিল।

গত বছর পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন, বাংলা ছবির উন্নতির স্বার্থে ১০০টি ছোট প্রেক্ষাগৃহ বানাবেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। ‘মাইক্রো ফরম্যাট’-এ এক একটি প্রেক্ষাগৃহে ৪০-৫০ জন দর্শকের বসার জায়গা থাকবে। এই প্রেক্ষাগৃহ তৈরি হবে শহর থেকে প্রত্যন্ত গ্রামে, যাতে সব ছবি সব শ্রেণির মানুষের কাছে পৌঁছে যায়। বিজেপি সরকার কি এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত করতে এগিয়ে আসবে? বিজেপি বিধায়ক এবং অভিনেতা রুদ্রের কথায়, “এই ভাবনা একা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের নয়। এই ভাবনা ইন্ডাস্ট্রির ছোট-বড় সকলের। বুম্বাদা প্রকাশ্যে বলেছেন। তাই হয়তো সে কথা বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছে গিয়েছে। এই ভাবনা আমাদের সবার। দেখছি, কী ভাবে সেই ভাবনা বা স্বপ্ন বাস্তবায়িত করা যায়।” নন্দন ১ কানায় কানায় পূর্ণ। দর্শকের শুভেচ্ছা বন্যায় ভাসতে ভাসতে মঞ্চে টিম ‘ফাইন আর্টস’ এবং ‘প্রত্যাবর্তন’। তাঁদের এ দিনের ‘ট্যাগ লাইন’, ‘ফাইন আর্টসের নান্দনিক প্রত্যাবর্তন’। এমন আবহে রূপাকে পাশে নিয়ে রুদ্রের বার্তা, “ইন্ডাস্ট্রিতে অবশ্যই ভাল ছবি তৈরি হবে। তবে ক্রমাগত কঠিন ছবি তৈরি হলে কিন্তু টলিউডের বিপদ। ওই ধারার ছবিতে ইন্ডাস্ট্রি বাঁচবে না। আগে তো খেয়েপরে বাঁচতে হবে!” একই সঙ্গে তিনি এ-ও জানান, শহরে প্রেক্ষাগৃহের সংখ্যা কমতে কমতে ৭৫০ থেকে ১২০-তে দাঁড়িয়েছে। বাংলা ছবিকে বাঁচাতে গেলে হলের সংখ্যাও বাড়াতে হবে।

কত দিন পরে নন্দন চত্বরে? রূপা গঙ্গোপাধ্যায় আনমনা। আঙুল গুণে হিসাব করলেন। মৃদু হেসে বললেন, “১০ বছর পরে।” তার পরেই কনফারেন্স রুমের ডান দিকের একটি চেয়ার দেখিয়ে বলে উঠলেন, “ওই চেয়ারটায় বসতাম। আর্টিস্ট ফোরামের বৈঠক হত। কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবের বৈঠকও। উৎসবের সময় ঘন ঘন আসা-যাওয়া করতাম।” রাজনৈতিক পালাবদল রূপার ‘নান্দনিক প্রত্যাবর্তন’ ঘটিয়েছে। সমর্পণ সেনগুপ্তের পরিচালনায় ‘প্রত্যাবর্তন’ ছবির হাত ধরেই নেত্রী-অভিনেত্রী ফের তাঁর পুরোনো জায়গায়। ১০ বছরে কি অনেক বদলে গিয়েছে তাঁর প্রিয় জায়গা? প্রশ্ন শুনে রূপা একটু ভাবলেন। বললেন, “কনফারেন্স রুম ঝকঝকই আছে। এখানে নেতা-মন্ত্রীরা বসতেন তো! প্রেক্ষাগৃহের হয়তো কিছু সারাইয়ের দরকার।” তার পরেই চওড়া হেসে জানালেন, সবে ১০ দিন হল বিজেপি সরকার পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্ব নিয়েছে। “আমাদের একটু সময় দিন। আস্তে আস্তে সব হবে।” টলিউডের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’ অরূপ এবং স্বরূপ বিশ্বাস। বদলে পাপিয়া অধিকারী, রুদ্রনীল ঘোষ, হিরণ চট্টোপাধ্যায় এবং রূপা বাংলা বিনোদনদুনিয়ার দায়িত্বে। ইন্ডাস্ট্রির ভাল-মন্দ কি আপনারা চার জন আলোচনায় ঠিক করবেন? নাকি, নিজেদের মধ্যে দায়িত্ব ভাগ করে নেবেন? প্রশ্ন করেছিল আনন্দবাজার ডট কম। রূপার চটজলদি জবাব, “আমাদের সম্মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যা বলবেন, সে ভাবেই কাজ করব আমরা। এই বিষয়ে এখনও কিছুই ঠিক হয়নি।” তবে শুধু এই চার জন নন, ইন্ডাস্ট্রির সবাই এক হয়ে টলিউড সামলাবেন, এই বার্তাও দেন তিনি।

‘ব্যান’ সংস্কৃতি আর থাকবে না, ফেডারেশনের ‘দাদাগিরি’ বন্ধ হবে, প্রযোজক-পরিচালক-শিল্পীরা স্বাধীন ভাবে কাজ করতে পারবেন এবং কারও গায়ে রাজনৈতিক রং লাগতে দেওয়া হবে না– এই আশ্বাস দেন রূপা। বদল আসতে পারে ইন্ডাস্ট্রির একাধিক সংগঠনে, এমন আভাসও দেন তিনি।। তবে রাতারাতি বদল হয়তো হবে না, এমনই মত তাঁর। তার পরেই স্পষ্ট বলেন, “ইমপা, আর্টিস্ট ফোরাম নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাই না। কারণ, আমি বিতর্কে জড়াতে ভালবাসি না।” ‘ব্যান’ কালচারের তালিকাভুক্ত ছিলেন রূপা নিজেও। দীর্য দিন তিনি তাই অভিনয় থেকে দূরে। তার মধ্যেও তৃণমূল সাংসদ-অভিনেতা দেব কিন্তু সকলের সঙ্গে কাজ করেছেন। তাঁর ছবিতে মিঠুন চক্রবর্তী, অঞ্জনা বসু, রুদ্রনীল এবং রূপা অভিনয় করেছেন। তার জন্য দেবের কিছু ছবি নন্দনে জায়গা পায়নি। প্রসঙ্গ তুলতেই মিষ্টি করে হাসলেন রূপা। স্বীকার করলেন সবটা। বললেন, “একমাত্র দেব ব্যতিক্রম। ওর তরফ থেকে যতটা করা যায়, ততটা করেছে। কখনও বাছবিচার করেনি। ও আমার ছোট্ট ভাই।” তবে অভিনয় নয়, রূপা এখন মন দিয়ে রাজনীতি করবেন। তাই আপাতত কারও সঙ্গেই হয়তো পর্দায় দেখা যাবে না তাঁকে। রাজনৈতিক পালাবদল রূপার ‘নান্দনিক প্রত্যাবর্তন’ ঘটিয়েছে। সমর্পণ সেনগুপ্তের পরিচালনায় ‘প্রত্যাবর্তন’ ছবির হাত ধরেই নেত্রী-অভিনেত্রী ফের তাঁর পুরোনো জায়গায়। ১০ বছরে কি অনেক বদলে গিয়েছে তাঁর প্রিয় জায়গা? প্রশ্ন শুনে রূপা একটু ভাবলেন। বললেন, “কনফারেন্স রুম ঝকঝকই আছে। এখানে নেতা-মন্ত্রীরা বসতেন তো! প্রেক্ষাগৃহের হয়তো কিছু সারাইয়ের দরকার।” তার পরেই চওড়া হেসে জানালেন, সবে ১০ দিন হল বিজেপি সরকার পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্ব নিয়েছে। “আমাদের একটু সময় দিন। আস্তে আস্তে সব হবে।”

টলিউডের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’ অরূপ এবং স্বরূপ বিশ্বাস। বদলে পাপিয়া অধিকারী, রুদ্রনীল ঘোষ, হিরণ চট্টোপাধ্যায় এবং রূপা বাংলা বিনোদনদুনিয়ার দায়িত্বে। ইন্ডাস্ট্রির ভাল-মন্দ কি আপনারা চার জন আলোচনায় ঠিক করবেন? নাকি, নিজেদের মধ্যে দায়িত্ব ভাগ করে নেবেন? প্রশ্ন করেছিল আনন্দবাজার ডট কম। রূপার চটজলদি জবাব, “আমাদের সম্মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যা বলবেন, সে ভাবেই কাজ করব আমরা। এই বিষয়ে এখনও কিছুই ঠিক হয়নি।” তবে শুধু এই চার জন নন, ইন্ডাস্ট্রির সবাই এক হয়ে টলিউড সামলাবেন, এই বার্তাও দেন তিনি। ‘ব্যান’ সংস্কৃতি আর থাকবে না, ফেডারেশনের ‘দাদাগিরি’ বন্ধ হবে, প্রযোজক-পরিচালক-শিল্পীরা স্বাধীন ভাবে কাজ করতে পারবেন এবং কারও গায়ে রাজনৈতিক রং লাগতে দেওয়া হবে না– এই আশ্বাস দেন রূপা। বদল আসতে পারে ইন্ডাস্ট্রির একাধিক সংগঠনে, এমন আভাসও দেন তিনি।। তবে রাতারাতি বদল হয়তো হবে না, এমনই মত তাঁর। তার পরেই স্পষ্ট বলেন, “ইমপা, আর্টিস্ট ফোরাম নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাই না। কারণ, আমি বিতর্কে জড়াতে ভালবাসি না।” ‘ব্যান’ কালচারের তালিকাভুক্ত ছিলেন রূপা নিজেও। দীর্য দিন তিনি তাই অভিনয় থেকে দূরে। তার মধ্যেও তৃণমূল সাংসদ-অভিনেতা দেব কিন্তু সকলের সঙ্গে কাজ করেছেন। তাঁর ছবিতে মিঠুন চক্রবর্তী, অঞ্জনা বসু, রুদ্রনীল এবং রূপা অভিনয় করেছেন। তার জন্য দেবের কিছু ছবি নন্দনে জায়গা পায়নি। প্রসঙ্গ তুলতেই মিষ্টি করে হাসলেন রূপা। স্বীকার করলেন সবটা। বললেন, “একমাত্র দেব ব্যতিক্রম। ওর তরফ থেকে যতটা করা যায়, ততটা করেছে। কখনও বাছবিচার করেনি। ও আমার ছোট্ট ভাই।” তবে অভিনয় নয়, রূপা এখন মন দিয়ে রাজনীতি করবেন। তাই আপাতত কারও সঙ্গেই হয়তো পর্দায় দেখা যাবে না তাঁকে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর একটি ঘোষণা হাসি ফিরিয়েছে বাংলার নাট্যদুনিয়ার মানুষদের মুখে। তিনি ঘোষণা করেছেন, পুণের মতো কলকাতায় নাট্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হবে। এমন খুশির আবহেও কৌশিক সেনের মনে শঙ্কার মেঘ, “মঞ্চের স্বাধীনতা থাকবে তো? পরিচালক স্বাধীন ভাবে নাটকের বিষয় ভাবতে পারবেন? স্বাধীন ভাবে সেই নাটক মঞ্চস্থ করতে পারবেন?” রূপার কাছে সেই শঙ্কার কথা জানাতেই ফের তাঁর মুখে হাসি। বললেন, “ভয়, শঙ্কা রাজ্যবাসীর রন্ধ্রে রন্ধ্রে। তাই তাঁরা আতঙ্কিত। তাঁদের বলছি, ভয়, শঙ্কা সরিয়ে আমাদের উপর একটু ভরসা করেই দেখুন না!” ২২ মে ইমপার পক্ষ থেকে বিজেপির জয়ী তারকা প্রার্থীদের সংবর্ধনা দেবেন সভাপতি পিয়া সেনগুপ্ত। রূপার কাছে হয়তো আমন্ত্রণলিপি পৌঁছেছে। রূপা যাবেন? এ বার প্রকাশ্যে তাঁর লড়াকু মনোভাব। রূপা স্পষ্ট বলেছেন, “আমি কথা কম, কাজ বেশিতে বিশ্বাসী। তাই সংবর্ধনা, ফুলের মালার প্রতি কোনও লোভ নেই।” একটু থেমে যোগ করেছেন, “পিয়া সেনগুপ্ত যতই বলুন, তিনি ‘অরাজনৈতিক’, আদতে কি তিনি তা-ই? স্বরূপ বিশ্বাসও তো দাবি করতেন, তিনি নাকি রাজনীতির ধারেপাশে নেই! ওঁরা ওঁদের কাজ দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন, আসলে ওঁরা কী।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles