RK NEWZ বিধানসভায় উপবিরোধী দলনেতা হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হল তৃণমূলের দুই মহিলা বিধায়ককে। অসীমা পাত্র এবং নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়। এ ছাড়াও, বিধানসভায় তৃণমূল পরিষদীয় দলের মুখ্য সচেতক হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হল ফিরহাদ হাকিমকে। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসাবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বেছে নিল তৃণমূল। পাশাপাশি ঘোষণা করল তাঁর দুই ডেপুটির নামও। বিধানসভায় উপবিরোধী দলনেতা হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হল তৃণমূলের দুই মহিলা বিধায়ককে। অসীমা পাত্র এবং নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়। এ ছাড়াও, বিধানসভায় তৃণমূল পরিষদীয় দলের মুখ্য সচেতক হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হল ফিরহাদ হাকিমকে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবি হয় তৃণমূলের। ২৯৩ আসনের (ফলতা বিধানসভা কেন্দ্র বাদে) মধ্যে তারা জিতেছে মাত্র ৮০টি আসন। ২০৭টি আসন জিতে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতা দখল করেছে বিজেপি। শনিবারই ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন শুভেন্দু অধিকারী। আর সে দিন রাতেই রাজ্য বিধানসভার পরবর্তী বিরোধী দলনেতার নাম জানিয়ে দিল তৃণমূল।
শোভনদেব তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা। ২০২১ সালে প্রথমে ভবানীপুর কেন্দ্রে জয়ী হন তিনি। পরে এই আসনটি তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যাপাধ্যায়কে ছেড়ে দেন। উপনির্বাচনে খড়দহ থেকে লড়ে জেতেন। মমতার মন্ত্রিসভায় কৃষি দফতরের দায়িত্বও সামলেছেন তিনি। এ বার বালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ী হন শোভনদেব। গত মন্ত্রিসভার অনেক সদস্যেরই শোচনীয় পরাজয় হয়। তবে শোভনদেব এবং ফিরহাদ নিজ নিজ কেন্দ্রে জেতেন। দুই বর্ষীয়ান নেতাকেই বিধানসভায় বিশেষ দায়িত্ব দিল তৃণমূল। ২০২৬ সালের ভোটে কলকাতা বন্দর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে লড়েছিলেন ফিরহাদ। তবে ভবানীপুর থেকে এ বার জিততে পারেননি মমতা। শুভেন্দুর কাছে হেরে যান। তৃণমূলের বিপর্যয়ের পর একে একে অনেক নেতাই দলের বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন। সেই আবহে শনিবার রাতে শোভনদেব সমাজমাধ্যমে একটি ছবি পোস্ট করে মমতার পাশে থাকার বার্তা দিলেন। ছবিটা পুরনো। ছবির ক্যাপশনে বর্ষীয়ান নেতা লেখেন, ‘সঙ্গে ছিলাম, সঙ্গে আছি, সঙ্গে থাকব।’ শোভনদেব, ফিরহাদ ছাড়াও তৃণমূলের আরও দুই হবু বিধায়ককে বিধানসভায় বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ধনেখালি কেন্দ্র থেকে লড়ে এ বারও জয়ী হয়েছেন অসীমা। আর চৌরঙ্গী বিধানসভা কেন্দ্রের জয়ী প্রার্থী নয়না। দু’জনকে তৃণমূলের পরিষদীয় দলের উপনেতা করা হয়েছে। বিজেপি, তৃণমূল ছাড়া ২৯৩ আসনের মধ্যে কংগ্রেস দু’টি, সিপিএম একটি, আইএসএফ একটি এবং আমজনতা উন্নয়ন পার্টি (এজেইউপি) দু’টি আসনে জয়ী হয়েছে। কমিশনের পরিসংখ্যান অনুসারে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ভোট পেয়েছে ৪৫.৮৪ শতাংশ। তৃণমূলের ভোটের হার ৪০.৮০ শতাংশ। কংগ্রেস পেয়েছে ২.৯৭ শতাংশ ভোট। সিপিএমের ভোটের হার ৪.৪৫ শতাংশ। নোটাতে পড়েছে ০.৭৯ শতাংশ ভোট। অন্যেরা ৪.২৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে।





