Friday, April 24, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

‘আজ আমি যা তা তোমারই জন্য’, উচ্ছ্বাসে ভেসে নায়িকা!‌ উদয়পুরে বিজয় দেবরাকোন্ডা ও রশ্মিকা মন্দানার রাজকীয় বিয়ে

উদয়পুরে সন্ধ্যায় বিজয় দেবরাকোন্ডা ও রশ্মিকা মন্দানার রাজকীয় বিয়ের পরের পর্ব। তেলুগু রীতিতে বিয়ের পরে এবার কর্নাটকের কোডাভা নিয়মানুসারে গাঁটছড়া বাঁধা। তার মধ্যেই সোশাল মিডিয়ায় স্বামীর উদ্দেশে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস রশ্মিকার। দীর্ঘ সেই পোস্টের শুরুতেই লেখা ‘আপনাদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিই আমার স্বামীর।’ তিনি লিখেছেন, ‘মানুষটি আমাকে সত্যিকারের ভালোবাসা কেমন তা শিখিয়েছে, মানুষটি আমাকে দেখিয়েছে শান্তিতে কেমন করে থাকা যায়! মানুষটি আমাকে প্রতিদিন বলেছে যে বড় স্বপ্ন দেখাই ঠিক এবং ক্রমাগত বলে গিয়েছে, আমি যা ভাবতে পারি তার চেয়েও অনেক বেশি কিছু অর্জন করতে সক্ষম!’ বিজয়ের কথায় এত অল্পতেই অবশ্য থেমে যাননি রশ্মিকা। এরপর তিনি লিখেছেন, ‘এই মানুষটি আমাকে কখনও এমনভাবে নাচতে বাধা দেয়নি যেন কেউ দেখছেই না… মানুষটি আমাকে বুঝিয়েছে বন্ধুদের সঙ্গে বেড়ানোই সবচেয়ে সেরা অভিজ্ঞতা। বিশ্বাস করো আমি এই মানুষটার উপর একটা বই লিখতে পারি!’ তাঁর স্পষ্ট দাবি, বিজয়ের সংস্পর্শ তাঁকে বদলে দিয়েছে। ‘আমি সেই নারী হতে পেরেছি যা আমি সব সময় হতে চেয়েছি। আমি সত্যিই আশীর্বাদধন্য।’ তিনি জানিয়েছেন, বিজয়ের স্ত্রী হতে পেরে তিনি প্রবল উত্তেজিত। গোটা পোস্ট জুড়ে এভাবেই উচ্ছ্বাসের পর উচ্ছ্বাসে ভেসে যেতে দেখা গিয়েছে নায়িকাকে। ১০০ অতিথি নিমন্ত্রিত এদিন বিজয়-রশ্মিকার বিয়ের অনুষ্ঠানে। তারকা যুগলের বিয়ের মেনুতে থাকছে খাঁটি দক্ষিণী খাবারের আয়োজন। ওয়েলকাম ড্রিঙ্কে নারকেল জল। ভূরিভোজ কলাপাতায়। রয়েছে তেলেঙ্গানা, অন্ধ্রপ্রদেশ ও কর্নাটকের নানা সুস্বাদু খাবার। থাকছে হায়দরাবাদি দম বিরিয়ানি, মুরগির মাংসের বিশেষ পদ নাটু কোডি পুলুস, গারেলু বা মেডু বড়া, পাপ্পু যা মূলত দক্ষিণ ভারতীয় স্বাদের এক ধরনের ডাল এবং অবশ্যই কিমা সামোসা। এখানেই শেষ নয়, রশ্মিকা যেহেতু কর্নাটকের মেয়ে তাই কুর্গ অর্থাৎ কোডাগু ছোঁয়ায় কদম্বুটু ও পান্ডি কারি ও শেষ পাতে মাইশোর পাকের মতো মিষ্টি।

ভারতীয় সিনেমার তারকাদ্বয়ের বিয়েতে নজর কাড়লেন বধূ নন, বর। দক্ষিণী নায়ক-নায়িকা বিজয় দেবরকোন্ডা এবং রশ্মিকা মন্দানার বিয়ের ছবিতে বিজয়ের পোশাক দেখে মনে হল কোনও মন্দিরের বিগ্রহ জীবন্ত হয়ে চলে এসেছেন বিয়ের মণ্ডপে। বিজয় পরেছিলেন অনুজ্জ্বল সোনালি সুতোর কাজ করা সাদা ধুতি আর একই ধরনের সুতোর নকশা করা লাল উত্তরীয়। সেই সাজ আর গয়নার সঙ্গে চোখে পড়ছিল বিজয়ের সাজের আরও একটি বিশেষত্ব। হাতে আর পায়ে আলতা পরেছিলেন রশ্মিকার নায়ক। ঠিক যে ভাবে মেয়েরা মেহন্দি বা আলতার রঙে হাত এবং পা রাঙান বিয়ের আগে, সে ভাবেই বিজয়ের হাত এবং পায়ের আঙুল রাঙানো হয়েছিল আলতায়। সঙ্গে ভিজে চুল ব্যাকব্রাশ করে আঁচড়ানো। কপালে বাঁধা ‘বাসিকম’। যা তেলুগুমতে বিবাহের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। বর-বধূ উভয়কেই পরতে হয় হলুদ সুতোয় বাঁধা সোনার তাবিজের মতো দেখতে অলঙ্কার। যা স্বামী-স্ত্রী-র আত্মিক বন্ধনের প্রতীক। এই পোশাকে বিজয় বিয়ের মণ্ডপে এসেছিলেন ঘোড়ায় চড়ে। কপালে তিলক, সাদা গোলাপের সাজ আর মুখের মিষ্টি হাসিটি অমলিন। বোঝা গেল, কেন বিজয়ের ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে রশ্মিকা লিখেছেন, ‘‘আয়্যাম সো সো সো সো এক্সাইটেড টু বিকামিং ইয়োর ওয়াইফ, টু বি ইয়োর ওয়াইফ, টু বি কলড ইয়োর ওয়াইফ!’’ অর্থাৎ ‘‘তোমার স্ত্রী হতে পেরে আমি দারুণ উত্তেজিত। উত্তেজিত তোমার স্ত্রীর হওয়ার যোগ্য হয়ে উঠতে পারার জন্য। তোমার স্ত্রী হতে পেরে এবং তোমার স্ত্রী বলে আগামী দিনে আমাকে সম্বোধিত করা হবে বলে উত্তেজিত আমি।’’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles