অনুমতি না নিয়েই ৪ জন রেফারির বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলানোর অভিযোগ। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে লিওনেল মেসির ইভেন্টকে ঘিরে বিতর্কে এবার প্রদর্শনী ম্যাচের রেফারিরাও। শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে তাঁদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। ১৩ ডিসেম্বর যুবভারতীতে মেসির অনুষ্ঠান ছিল। মোহনবাগান লেজেন্ডস্ একাদশ বনাম ডায়মন্ড হারবার লেজেন্ডস্-এর প্রদর্শনী ম্যাচে অনুমতি না নিয়েই ৪ জন রেফারির বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলানোর অভিযোগ। আইএফএ ও রাজ্য রেফারি নিয়ামক সংস্থার অনুমতি না নেওয়ার অভিযোগ। ২০ জানুয়ারি, আইএফএ-র শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির বৈঠকে ৪ রেফারিকে তলব। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি, জানিয়েছেন আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত।
যদিও তা জানাজানি হওয়ার পর অনেকেই বেশ স্তম্ভিত। বলাবলি শুরু হয়েছে, বিশৃঙ্খলার জন্য চারজন রেফারির দোষ থাকতে পারে, কিন্তু তাঁরাই একমাত্র দায়ী কী করে হন? মেসির চারপাশে যে দেড়-দুশো লোকের ভিড় জমে গিয়েছিল, যাঁদের মধ্যে দেখা গিয়েছিল কয়েকজন প্রভাবশালীকেও, তাঁরা কেন কোনও শাস্তি পাবেন না? লিওনেল মেসির কলকাতা সফরের পর এক মাসেরও বেশি সময় কেটে গিয়েছে। সল্টলেকের যুবভারতী স্টেডিয়ামে বেনজির বিশৃঙ্খলা ও ভাঙচুরের পর গ্রেফতার করা হয়েছিল মূল উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্তকে। এখনও স্বস্তি মিলল না শতদ্রুর। তাঁর জেল হেফাজতের মেয়াদ বেড়েছে। আদালতে তোলা হয়েছিল শতদ্রুকে। সেখানে তাঁর পক্ষ থেকে জামিনের আবেদন করা হয়েছিল। তাঁর আইনজীবী সৌমজিৎ রাহা আদালতে বলেন, ‘আমার মক্কেল ২৭ দিন ধরে জেল হেফাজতে রয়েছেন। এখন তদন্ত যে অবস্থায় রয়েছে, তাতে তাঁকে আর হেফাজতে রাখার প্রয়োজন নেই। তদন্তে সবরকম সহযোগিতা করবেন শতদ্রু।’ আইনজীবী মারফত শতদ্রু আদালতে জানান, যখনই প্রয়োজন হবে বা তাঁকে তলব করবে পুলিশ বা আদালত হাজিরা দেবেন। শতদ্রু এ-ও জনান যে, মেসির সফরের জন্য দু’টি বিমা করা হয়েছিল। একটি ১৫০ কোটি টাকার। আর একটি সাড়ে ৪২ কোটি টাকার। শতদ্রু প্রশ্ন তোলেন, ‘যদি লোক ঠকানোর উদ্দেশ্য থাকত, তবে কেন বিমা করেছিলাম?’ যদিও তাতে বরফ খুব একটা গলেনি। তাঁর যুক্তি ধোপে টেকেনি। বিচারক জেল হেফাজতের নির্দেশই দিয়েছিলেন শতদ্রুকে।





