Thursday, July 2, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

মহারাজের সুনাম এবং মানসিক শান্তি বিঘ্নিত!‌ লালবাজারে অভিযোগ দায়ের করলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়‌

ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়কের বিরুদ্ধে ওই ব্যক্তি কিছু আপত্তিকর মন্তব্য!‌ লালবাজারে অভিযোগ দায়ের করলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। আর্জেন্টিনার ফুটবল দলের এক ফ্যান ক্লাবের কর্তার বিরুদ্ধে লালবাজারে অভিযোগ দায়ের করলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়কের বিরুদ্ধে ওই ব্যক্তি কিছু আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন বলে অভিযোগ। সৌরভের বক্তব্য, এর ফলে তাঁর সুনাম এবং মানসিক শান্তি বিঘ্নিত হচ্ছে। ওই ঘটনায় কলকাতা পুলিশের সাইবার সেলে অভিযোগ দায়ের করেছেন। ইমেল করে লালবাজারে ওই অভিযোগটি জানিয়েছেন তিনি। অভিযোগপত্রে জনৈক উত্তম সাহার কথা উল্লেখ করেছেন সৌরভ। অভিযোগ, ওই ব্যক্তি প্রকাশ্যে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মন্তব্য করছেন। জনৈক ওই উত্তম কলকাতার ‘আর্জেন্টিনা ফুটবল ফ্যান ক্লাব’-এর সভাপতি। অভিযোগপত্রে সৌরভ লিখেছেন, ওই ব্যক্তি জেনেশুনে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা, বিদ্বেষপূর্ণ, আপত্তিকর এবং মানহানিকর মন্তব্য করেছেন। প্রকাশ্যে তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন, যার কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই। লালবাজারে পাঠানো চিঠিতে সৌরভ আরও জানিয়েছেন, ক্রীড়াবিদ এবং ক্রীড়া প্রশাসক হিসাবে এক দশকের পেশাগত জীবনে তিনি দেশে এবং বিদেশে সুনাম অর্জন করেছেন। এই ধরনের অবাস্তব অভিযোগ তুলে তাঁর সেই সুনাম নষ্ট করার চেষ্টা হচ্ছে বলে পুলিশকে জানিয়েছেন। শতদ্রুর সঙ্গে সৌরভের নাম জুড়ে উত্তম কিছু মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ। ওই মন্তব্যেরই আপত্তি জানিয়ে বৃহস্পতিবার লালবাজারে চিঠি পাঠিয়েছেন সৌরভ। তাঁকে নিয়ে কী মন্তব্য করা হয়েছে, পুলিশকে পাঠানো চিঠিতে বিস্তারিত উল্লেখ করেছেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক। লালবাজারে পাঠানো চিঠিতে সৌরভ আরও জানিয়েছেন, ক্রীড়াবিদ এবং ক্রীড়া প্রশাসক হিসাবে এক দশকের পেশাগত জীবনে তিনি দেশে এবং বিদেশে সুনাম অর্জন করেছেন। এই ধরনের অবাস্তব অভিযোগ তুলে তাঁর সেই সুনাম নষ্ট করার চেষ্টা হচ্ছে বলে পুলিশকে জানিয়েছেন। মিথ্যা, বিদ্বেষপূর্ণ, আপত্তিকর এবং মানহানিকর মন্তব্য করেছেন বলে অভিযোগ।

সল্টলেকে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে এসেছিলেন ফুটবল তারকা লিয়োনেল মেসি। প্রায় ২০ মিনিট সেখানে ছিলেন তিনি। যত ক্ষণ মেসি মাঠে ছিলেন, একটি জটলা সর্বক্ষণ ঘিরে রেখেছিল তাঁকে। অভিযোগ, এর ফলে গ্যালারি থেকে দর্শকেরা মেসিকে ঠিকমতো দেখতেই পাননি। মেসি স্টেডিয়াম ছেড়ে চলে যাওয়ার পরে এই রোষই আছড়ে পড়ে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে। চলে ভাঙচুর, তাণ্ডব। মেসির সফরসূচির মূল আয়োজক শতদ্রু দত্তের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ, ক্রোধ উগরে দিতে থাকে জনতা। লিয়োনেল মেসির অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা শুরু করেন কারা? গ্যালারির কোন জায়গা থেকে প্রথম বোতল ছোড়া শুরু হয়? কাদের কাছে গ্রাউন্ড অ্যাক্সেস কার্ড ছিল? এ বার এ সব প্রশ্নের আরও গভীরে ঢুকতে চাইছে রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)। পুলিশ সূত্রে খবর, গত ১৩ ডিসেম্বর মেসির অনুষ্ঠানে ঠিক কী হয়েছিল, তা জানতে ইতিমধ্যেই স্টেডিয়ামের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ওই দিন স্টেডিয়ামে কত জন দর্শক ছিলেন, কারা প্রথম বোতল ছোড়েন, সে সব জানার চেষ্টা চলছে। জানা গিয়েছে, স্টেডিয়ামের নীচের টিয়ার থেকে প্রথম বোতল ছোড়া হয়। তার পর একে একে বোতল ছুড়তে শুরু করেন বাকিরাও। যে ব্লক থেকে বিশৃঙ্খলার সূত্রপাত হয় যুবভারতীতে, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে সেই ব্লকও চিহ্নিত করার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। সিটের এক সদস্য পীযূষ পাণ্ডে বলেন, ‘‘আমরা সিসি টিভির ফুটেজ পেয়েছি। তদন্ত করে দেখছি। তদন্তে অগ্রগতি জানতে পারবেন।’’ মেসির অনুষ্ঠানের দিন কত জনের কাছে গ্রাউন্ড অ্যাক্সেস কার্ড ছিল, কারা সেই কার্ড দিয়েছিলেন, যুবভারতীকাণ্ডের পর সে সব নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। যাঁরা সে দিন মাঠে ছিলেন, সবার কাছে গ্রাউন্ড অ্যাক্সেস কার্ড ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে সিট। বুধবার সকালে যুবভারতীতে যায় তদন্তকারী দল। ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর তাঁরা স্টেডিয়াম লাগোয়া বিধাননগর কমিশনারেটের অফিসে যান। কিছু ক্ষণ সেখানে থাকার পর বেরিয়ে যান তাঁরা। যুবভারতী ভাঙচুরের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ছ’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে ধরপাকড় চলছে। অন্য দিকে, বুধবার যুবভারতী ঘুরে দেখেছেন ফরেন্সিক দলের সদস্যেরাও। স্টেডিয়াম ঘুরে পড়ে থাকা জলের বোতল-সহ বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করেছেন তাঁরা। স্টেডিয়ামের ভাঙা জায়গা এবং একাধিক অংশের ছবি তোলা হয়েছে। সেই সব নমুনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যুবভারতীকাণ্ডে গঠিত অনুসন্ধান কমিটির পরামর্শ মেনে মঙ্গলবার সিট গঠন করেছে রাজ্য পুলিশ। মেসির অনুষ্ঠানে কেন বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছে বিশেষ ওই দল। দলে রয়েছেন রাজ্যের নিরাপত্তা অধিকর্তা পীযূষ পাণ্ডে, এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) জাভেদ শামিম, এডিজি (দক্ষিণবঙ্গ) সুপ্রতিম সরকার এবং ব্যারাকপুর পুলিশের কমিশনার মুরলীধর। বুধবার শোনা গিয়েছে, সিটের সদস্যসংখ্যা চার থেকে বাড়িয়ে আট করার কথা ভাবা হচ্ছে। ডিএসপি পদমর্যাদার এক আধিকারিকও সিটে থাকছেন বলে খবর।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles