Monday, July 6, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

করণের দাপটে জিতল বাংলা!‌ এক লাফে দ্বিতীয় স্থানে উঠল লক্ষ্মীরতনের ছেলেরা

হায়দরাবাদের জিমখানা মাঠে মুকেশ কুমার, মহম্মদ সামি ও আকাশ দীপকে একসঙ্গে পেয়েছিল বাংলা। কিন্তু পিচ এতটাই ব্যাটিং-সহায়ক যে একটির বেশি উইকেট পাননি সামি ও মুকেশ। করণের শতরানে লড়াকু জয় বাংলার। ৫০ বলে ১১৩ রান নায়কের। হিমাচল প্রদেশের বিরুদ্ধে মরণ-বাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠলেন করণ লাল। ২০৯ রান তাড়া করতে নেমে ৫০ বলে ১১৩ রানের বিধ্বংসী ইনিংস উপহার দিলেন তিনি। তাঁর শতরানের সৌজন্যেই হিমাচল প্রদেশকে পাঁচ উইকেটে হারিয়ে পরবর্তী পর্বে যাওয়ার স্বপ্ন টিকিয়ে রাখল বাংলা। হায়দরাবাদের জিমখানা মাঠে মুকেশ কুমার, মহম্মদ সামি ও আকাশ দীপকে একসঙ্গে পেয়েছিল বাংলা। কিন্তু পিচ এতটাই ব্যাটিং-সহায়ক যে একটির বেশি উইকেট পাননি সামি ও মুকেশ। আকাশ দীপকে দু’ওভারের বেশি বলই দেওয়া যায়নি। তাতেই ৩৫ রান দিয়ে ফেলেন ভারতীয় পেসার। শামি যদিও এ দিন খুব একটা খারাপ বল করেননি। চার ওভারে ৩১ রান দিয়ে তুলে নেন এক উইকেট। অন্য দিকে মুকেশ চার ওভারে দেন ৪১ রান। তাঁর ঝুলিতেও এক উইকেট। তিন উইকেট শাহবাজ় আহমেদের।

২০৯ রান তাড়া করা যে কোনও পিচেই কঠিন। বাংলার দুই ওপেনার অভিষেক ও করণ সাত ওভারের মধ্যে ১০৫ রানের জুটি গড়ে জয়ের ভিত তৈরি করে দেন। ২৬ বলে ৪১ রান করে অভিষেক ফিরে গেলেও করণ মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন নিজেকে প্রমাণ করতে। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে বরাবরই করণ বাংলার হয়ে ভাল খেলেছেন। দলকে জিতিয়ে বুঝিয়ে দিলেন, তাঁর উপরে কেন আস্থা রেখেছে কোচ। মোট আটটি চার ও সাতটি ছক্কার সৌজন্যে এই ইনিংস গড়েন করণ। কলকাতা নাইট রাইডার্সে খেলে যাওয়া বৈভব অরোরাকে জায়গায় বলই ফেলতে দেননি। ৩.৪ ওভারে ৫৮ রান দিয়েছেন বৈভব। করণই তাঁর আত্মবিশ্বাস গুড়িয়ে দিয়েছিলেন শুরুতে। প্রথম দু’ওভারেই ৩০ রান দিয়েছিলেন নাইট পেসার। তারপর থেকে আর ম্যাচে ফিরতে পারেননি। সুদীপ কুমার ঘরামি ও আকাশ দীপেরও অবদান আছে এই জয়ে। আট বলে ১৮ রানে অপরাজিত থাকেন সুদীপ। পাঁচ বলে ১৭ রান করেন আকাশ। পরপর চারটি চার মেরে জয় নিশ্চিত করেন। জয়ের পরে এক লাফে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে বাংলা। বরোদার বিরুদ্ধে পাঞ্জাব হেরে যাওয়ায় বাংলার চেয়ে পয়েন্ট কমে গিয়েছে। শেষ তিনটি ম্যাচের মধ্যে যদিও তিনটিই জিতে থাকা ভাল। কারণ, আট দলের গ্রুপ থেকে মাত্র দু’টি দল যাবে পরবর্তী পর্বে। গুজরাত বাংলার উপরে। তাদের পয়েন্টও চার ম্যাচে ১২। কিন্তু নেট রানরেটে বাংলার চেয়ে এগিয়ে। গুজরাতের নেট রানরেট +১.৯২০। বাংলার -০.৬৫৫।

বাংলার কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্লা খুশি। পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে হারের পরে হিমাচল প্রদেশের সঙ্গে লড়াকু জয় আত্মবিশ্বাস ফিরিয়েছে তাঁর। লক্ষ্মীরতন বলছিলেন, ‘‘যে কোনও প্রতিযোগিতা জিততে গেলে বড় ম্যাচ জিততে হয়। কঠিন পরিস্থিতি থেকে আমরা জিতেছি। করণ যে ইনিংস খেলেছে তা সত্যি অসাধারণ। ও শট খেলতে ভালবাসে। তাই বলে আউট হয়ে যায়নি। বাংলার জয় নিশ্চিত করে প্যাভিলিয়নে ফিরেছে। আরও কম রানে ওদের আটকে দিতে পারতাম। মুকেশ এত দিন পরে ম্যাচ খেলছে। ছন্দে ফিরতে কিছু দিন সময় লাগতে পারে। সামি খুব ভাল বল করেছে। পরের ম্যাচে প্রতিপক্ষ সার্ভিসেস। আশা করি, এই ছন্দই ধরে রাখবে দল।’’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles