Friday, July 24, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

ফ্রেন্ডশিপ ডে, ‘বন্ধু বিনে প্রাণ বাঁচে না’!‌ বন্ধু ছাড়া জীবন একেবারেই অসম্পূর্ণ, বন্ধুত্ব মানে লেনদেন নয়, চাওয়া পাওয়া নয়!

পৃথিবীর অনেকে দেশে ৩০ জুলাই ফ্রেন্ডশিপ ডে পালন হলেও, ভারতে এই দিনটি উদযাপন হয় অগাস্ট মাসের প্রথম রবিবার। এই বছর ফ্রেন্ডশিপ ডে। ৩ আগস্ট, রবিবার। বন্ধু দিবস নিয়ে রয়েছে নানা মতভেদ। শোনা যায়, ১৯৩৫ সালে আমেরিকা সরকার এক ব্যক্তিকে হত্যা করায়, তার প্রতিবাদে পরের দিন তাঁর বন্ধু আত্মহত্যা করেন। দিনটি ছিল অগাস্টের প্রথম রবিবার। এরপর আমেরিকান কংগ্রেস এই দিনটিকে ‘বন্ধু দিবস’ হিসাবে ঘোষণা করেন। একটি কাহিনি অনুসারে ১৯৫৮ সালে হলমার্ক কার্ড নির্মাতা জয়েস হল ‘বন্ধু দিবস’ পালনের প্রস্তাব রাখেন। এরপর ২০১১ সালে জাতিসংঘ, ৩০ জুলাই বিশ্ব বন্ধু দিবস হিসাবে ঘোষণা করে। বিশ্ব বন্ধু দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠান হয় ভারতেও। রেস্তোরাঁ থেকে শপিং মল সেজে ওঠে ভিন্ন ভাবে। একাধিক দোকানে দেওয়া হয় বিশেষ ছাড়। সেই সঙ্গে এই বিশেষ দিনে কার্ড, গিফট, খাওয়া দাওয়া, ছবি ভিডিও শেয়ার পর্ব চলতেই থাকে বন্ধুদের মধ্যে। বলা চলা এটা এখন কার্যত একটি উৎসবে পরিণত হয়েছে। ফ্রেন্ডশিপ ডে-র প্রস্তুতি। অনেকে মনে করেন শুধু একদিন কেন, রোজ হয়ে উঠুক ‘ফ্রেন্ডশিপ ডে’। তবে বর্তমান সময়, প্রতিদিনের ব্যস্ততার ফাঁকে অসম্ভব সেটা। তাই একটা দিন যদি বন্ধুরা একটু ‘স্পেশাল ফিল’ করেন, মনের আনন্দে কাটান তাহলে ক্ষতি কী?

ফ্রেন্ডশিপ ডে। বন্ধু ছাড়া জীবন একেবারেই অসম্পূর্ণ। সেই অর্থে বলতে গেলে ‘বন্ধু বিনে প্রাণ বাঁচে না’। তবে হ্যাঁ, একইসঙ্গে বন্ধু রূপে শত্রুর অভাবও আমাদের জীবনে হয় না। তাই বন্ধুত্বের ক্ষেত্রে যে বিষয়টি সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ তা হল সঠিক বন্ধু চেনা। জেনে নিন সঠিক বন্ধু চেনার উপায়। বন্ধু হল আমাদের এমন এক ভরসাস্থল যাকে বিশ্বাস করে আমরা আমাদের মনের অনেক কথাই তার সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারি। তবে আপনি আপনার জীবনের সিক্রেটটি বন্ধু ভেবে যার সঙ্গে ভাগ করলেন সে কতটা তার মান রাখতে পারল সেটাও বোঝার বিষয়। আপনার সিক্রেট বিষয় নিজের মধ্যে না রেখে পাঁচ কান করা ব্যক্তি কখনই আপনার ভালো বন্ধু হতে পারে না। একথা অবশ্যই মাথায় রাখবেন। বন্ধুত্বের ক্ষেত্রেও কিন্তু প্রেম-ভালোবাসার সম্পর্কের মতোই মানসিকতার মিল থাকা ভীষণ প্রয়োজন। মানসিকতার মিল না থাকলে সেই বন্ধুত্ব দীর্ঘস্থায়ী হওয়া বা মতের মিল হওয়া খুব মুশকিল। বন্ধুত্বে ভীষণভাবে প্রয়োজন বিশ্বাস। বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করেই কিন্তু যে কোনও সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বন্ধু নির্বাচন করার সময় অথবা কোনও বন্ধুকে চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করার সময় যাচাই করে নেবেন অবশ্যই যাতে বিশ্বাসের জায়গায় সে আঘাত না করে। যাকে কাছের বন্ধু মনে করেন সে যদি বন্ধুত্বের আড়ালে ব্যক্তিগত বিষয় বা খারাপ লাগার বিষয় নিয়ে লাগাতার আপনাকে ছোট করে। মজা করে সকলের সামনে আপনার তাহলে বুঝবেন সে কখনই কাছের বন্ধু নয়। যে বন্ধু প্রতিনিয়ত আপনার সাফল্যে হিংসাপরায়ন হয়। অসুস্থ প্রতিযোগিতার দিকে ঠেলে দেয় সে একেবারেই ছদ্মবেশী বন্ধু। প্রকৃত বন্ধু নয়। তাই বন্ধুত্বের ক্ষেত্রে বা কোনও বন্ধুকে চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করার আগে এই বিষয়গুলি অবশ্যই যাচাই করে নেবেন।

যুদ্ধ, দ্বন্দ্ব, বৈষম্য এবং ভয়ের কারণে যখন বিভাজনের আওয়াজ আরও তীব্র হয়, তখন বন্ধুত্ব তার সরলতায় প্রায় মৌলিক বলে মনে হয়। ধুমধাম বা নীতির মাধ্যমে আসে না। এর জন্য বক্তৃতা বা স্বাক্ষরের প্রয়োজন হয় না। এটি শুরু হয় আরও নীরব কিছু দিয়ে: একটি কথোপকথন, একটি ভাগ করা মুহূর্ত, একে অপরকে অপরিচিত হিসেবে নয় বরং মানব অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে সহযাত্রী হিসেবে দেখার ইচ্ছা। আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব দিবস উদযাপন মনে করিয়ে দেওয়া হচ্ছে যে প্রকৃত শান্তি কেবল আলোচনার মাধ্যমে বা চুক্তিতে লিখিতভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় না। সুতোর পর সুতো, দৈনন্দিন জীবনে আমরা একে অপরের প্রতি যে আস্থা রাখি তার মাধ্যমেই নির্মিত হয়। বন্ধুত্ব, বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে, এক বিশেষ ধরণের শক্তি ধারণ করে। এটি ভাষা, বিশ্বাস এবং ইতিহাসকে অতিক্রম করতে পারে যা অন্যথায় আমাদের বিভক্ত করতে পারে। এটি আমাদের বিচার করার আগে শোনার জন্য আমন্ত্রণ জানায়, যখন দূরে চলে যাওয়া সহজ হয় তখন থাকার জন্য। এবং যখন সংস্কৃতি এবং সম্প্রদায়ের মধ্যে লালিত হয়, তখন বন্ধুত্ব কেবল একটি বন্ধনের চেয়েও বেশি কিছু হয়ে ওঠে। পুনর্মিলনের জন্য একটি নীলনকশা হয়ে ওঠে। এটি আমাদের শেখায় যে বোঝাপড়া কোনও মহান অর্জন নয়; এটি একটি অভ্যাস, একটি অনুশীলন, বিশ্বের মধ্য দিয়ে চলার একটি উপায় যা বলে যে ‘‌তোমার মঙ্গল আমার কাছেও গুরুত্বপূর্ণ’‌।

বিশ্ব গভীর ভাঙনের মুখোমুখি। বিভিন্ন জাতির মধ্যে, সমাজের মধ্যে, এমনকি পরিবারের মধ্যেও। বন্ধুত্বের আহ্বান আবেগপ্রবণ নয়। এটি অপরিহার্য। আমাদের ভেঙে ফেলা জিনিসগুলিকে অতিক্রম করে আরও ভালো কিছুতে বিশ্বাস করার সাহস করার বিষয়ে। এটি এমন একটি ভবিষ্যতের কল্পনা করার আহ্বান যেখানে পার্থক্যের অর্থ দূরত্ব নয়, যেখানে বিশ্বাস ভয়ের চেয়ে শক্তিশালী। বন্ধুত্বের মাধ্যমে, আমরা কেবল বিশ্বকে যেমন আছে তেমনই মোকাবেলা করি না। আমরা বিশ্বকে যেমন হতে পারে তেমনভাবে গঠন করতে শুরু করি। ২০১১ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এই ধারণা নিয়ে আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব দিবস ঘোষণা করে যে, মানুষ, দেশ, সংস্কৃতি এবং ব্যক্তিদের মধ্যে বন্ধুত্ব শান্তি প্রচেষ্টাকে অনুপ্রাণিত করতে পারে এবং সম্প্রদায়ের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করতে পারে। তরুণদের ভবিষ্যতের নেতা হিসেবে বিভিন্ন সংস্কৃতির অন্তর্ভুক্ত সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক বোঝাপড়া এবং বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধা বৃদ্ধি করা হয়। আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘ সরকার, আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং নাগরিক সমাজের গোষ্ঠীগুলিকে এমন অনুষ্ঠান, কার্যক্রম এবং উদ্যোগ আয়োজনের জন্য উৎসাহিত করে যা সভ্যতার মধ্যে সংলাপ, সংহতি, পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং পুনর্মিলন প্রচারের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রচেষ্টায় অবদান রাখে। আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব দিবস হল ইউনেস্কোর প্রস্তাবের উপর ভিত্তি করে একটি উদ্যোগ যা শান্তির সংস্কৃতিকে মূল্যবোধ, মনোভাব এবং আচরণের একটি সমষ্টি হিসাবে সংজ্ঞায়িত করে যা সহিংসতা প্রত্যাখ্যান করে এবং সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে তাদের মূল কারণগুলিকে মোকাবেলা করে দ্বন্দ্ব প্রতিরোধ করার চেষ্টা করে। এরপর ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এটি গ্রহণ করে। শান্তির সংস্কৃতি প্রচারের জন্য পদক্ষেপ। শিক্ষার মাধ্যমে শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলা। টেকসই অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন প্রচার করা। সকল মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা বৃদ্ধি করা। নারী ও পুরুষের মধ্যে সমতা নিশ্চিত করা। গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করা। উন্নত বোধগম্যতা, সহনশীলতা এবং সংহতি। অংশগ্রহণমূলক যোগাযোগ এবং তথ্য ও জ্ঞানের অবাধ প্রবাহকে সমর্থন করা। আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রচার করা। বন্ধুত্ব মানি হল, মনে রাখার মতো কিছু।

বন্ধুত্ব দিবসে কী কী মেসেজ পাঠানো পারবেন প্রিয় বন্ধুদের?
১) বন্ধু সেই হয়, তোমার সমস্ত খারাপটা জেনে, সহ্য করেও যে তোমায় ভালবাসে। আর আণার জীবনের এমন মানুষ তো বন্ধুত্ব দিবসে পাশে পাওয়ার জন্য ভালোবাসা জানাই। Happy Friendship Day!
২) আজ বহু পথ আমরা একসঙ্গে হেঁটেছি, আরও হাঁটতে হবে লক্ষ যোজন পার, তোমাকে জানাই শুভ বন্ধু দিবসের শুভেচ্ছা।
৩) জীবনের পাতে সবচেয়ে জরুরি উপাদান হল বন্ধুত্ব, যার সঙ্গে এক পাতে খাবার ভাগ করে খাওয়া যায়, সেই হল সেরা বন্ধু। আমার জীবনে তুমিও তাই। !Happy Friendship Day!
৪) কোনও দাবি নেই, লেনদেন নয়, চাওয়া পাওয়া নয়! বন্ধুত্ব এমন এক সম্পর্ক যা অন্তত দু’জন একসঙ্গে থাকলেই আর কিচ্ছুটি লাগে না! Happy Friendship Day!
৫) শুধু হাসি ঠাট্টা নয়, দুঃখের সময়ও তোমাকে পেয়েছি পাশে, তোমাকে জানাই অনেক অনেক শুভেচ্ছা বন্ধু দিবসের।
৬) একসঙ্গে গুনগুনিয়ে গান, অভিমান করে চার দিন কথা না বলা, দুষ্টুমিতে সমান সঙ্গ, আর আবেগে একসঙ্গে ভেসে গিয়ে গলায় গলায় জড়িয়ে থাকাই বন্ধুত্ব। আমার জীবনে এমন মানুষ তো তোমরাই। তাই তোমাদের জানাই বন্ধুত্ব দিবসের শুভেচ্ছা। Happy Friendship Day!
৭) এই বন্ধু দিবসে সেই সমস্ত বন্ধুদের অনেক অনেক শুভেচ্ছা যারা নিঃস্বার্থভাবে ভালবেসেছে বন্ধুকে, আমাদের সবাইকে জানাই অনেক অনেক শুভেচ্ছা বন্ধু দিবসের।
৮) বন্ধুত্বের কোনও মাপকাঠি হয় না, তাই বাবা-মা, ভাই-বোন কিংবা প্রেমিক-প্রেমিকার সম্পর্কে সবচেয়ে আগে প্রয়োজন বন্ধুত্ব ধরে রাখা। আর নিখাদ বন্ধু তো তুমিই। তাই আজ তোমাকে জানাতেই হবে বন্ধুত্ব দিবসের শুভেচ্ছা। ভালো থেকো বন্ধু। Happy Friendship Day!
৯) স্কুল থেকে কলেজ, আমাদের সেই কথা আজও যেন শেষ হয় না, সারা জীবন যেন এভাবেই কথা বলে যেতে পারি আমরা। তোমাকে জানাই শুভেচ্ছা, হ্যাপি ফ্রেন্ডশিপ ডে।
১০) সেই সমস্ত বন্ধুদের সঙ্গে রেখো চিরকাল যাঁরা তোমার বলার আগেই তোমার মনের কথা শুনে নিয়েছে। তুমি আমার জীবনের ঠিক সেই মানুষ। তোমায় জানাই বন্ধুত্ব দিবসের শুভেচ্ছা। Happy Friendship Day!

৯ আগস্ট রাখিবন্ধন উৎসব। মাতবে দেশ। ভাইয়ের হাতে রাখি বাঁধবেন। সঙ্গে উপহার। কোনও গিফ্ট না পেলে ছোট্ট বোনটিলও মুখ ভার। ফ্লিপকার্ট, আমাজনের মতো ই-কমার্স সাইট থেকে কিনে ফেলতে পারেন দুর্দান্ত গ্যাজেট। তাও আবার সাধ্যের মধ্যেই। ৫০০ টাকা মতো খরচ করলেই ভাই-বোনের মুখে ফুটবে চওড়া হাসি।

ট্রিগার আলট্রাবাডস N1 নিও (ইয়ার বাড)
এই ইয়ার বাডটিতে একবার চার্জ করলে ৪০ ঘণ্টা ব্যবহার করতে পারবেন। ৫.৩ ভার্সানের ব্লুটুথটি ১০ মিটার দূরত্ব পর্যন্ত পরিষেবা দিতে সক্ষম। টাচ কন্ট্রোল এবং উন্নত বিল্ড-ইন মাইক্রোফোনের জন্য ফ্লিপকার্টে এই ইয়ার বাড ভালো রেটিং পয়েন্ট পেয়েছে। ৫৯৯ টাকাতেই এটি পেয়ে যাবেন। তবে নির্দিষ্ট কয়েকটি ব্যাঙ্কের ক্রেডিট কার্ড এবং সুপার কয়েন থাকলে তা আরও সস্তায় কিনতে পারবেন।

হ্যামার আলট্রা চার্জ ১০০০০ এমএএইচ (পাওয়ার ব্যাঙ্ক)
এতে রয়েছে একটি টাইপ-সি এবং দু’টি ইউএসবি পোর্ট। অর্থাৎ একসঙ্গে একাধিক ডিভাইস অনায়াসে চার্জ করা যাবে। ২০ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট করায় অল্প সময়েই আপনার চাহিদা পূরণ হবে। আমাজনে সার্চ করলেই ৬৪৯ টাকায় কিনতে পারবেন এই পাওয়ার ব্যাঙ্ক। ভাগ্যক্রমে পেয়ে যেতে পারেন কোনও অফারও।

বোট স্টোন ১৩৫ (পোর্টেবল স্পিকার)
টানা ১১ ঘণ্টা গান শোনা যাবে এই স্পিকারে। ব্লুটুথ ৫-এর সঙ্গে কানেক্ট করে ১০ মিটার দূরত্ব থেকেও ব্য়বহার করা যায়। ফ্লিপকার্টে ৬৯৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এই পোর্টেবল স্পিকার। আবারও পেয়ে যেতে পারেন কোনও আকর্ষণীয় ডিসকাউন্ট।

পোর্ট্রোনিক্স তুফান (হ্যান্ডহেল্ড ইউএসবি ফ্যান)
বোন বা দিদি কি মেকআপ করতে ভালোবাসেন? তাহলে তাঁদের জন্য আদর্শ হতে পারে এই উপহার। কারণ মেকআপকে চটপট সুন্দরভাবে বসিয়ে দিতে সাহায্য করে ২০০০ এমএএইচ ব্যাটারি ব্যাকআপের এই ফ্যান। একবার চার্জে চলে প্রায় সাড়ে ৪ ঘণ্টা। দাম? ৬৯৯ টাকা।

ফিলিপস 8144/46 (হেয়ার ড্রায়ার)
১০০০ ওয়াটের এই ড্রায়ারের আকর্ষণীয় ফিচারের সৌজন্যে নানা ধরনের হেয়ারস্টাইল করে নিতে পারবেন। ফ্লিপকার্টে এই পণ্যের রেটিংও বেশ ভালো। তাই ৫৩৪ টাকা খরচ করে কিনে নিতেই পারেন হেয়ার ড্রায়ারটি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles