ভারতের ইনিংস যখন ২২৪ রানে শেষ। ইংল্যান্ডের ইনিংস শেষ হল ২৪৭ রানে। ফলে টিম ইন্ডিয়ার চেয়ে মাত্র ২৩ রানে এগিয়ে ইংল্যান্ড। সিরাজ এবং প্রসিদ্ধ পেলেন চারটি করে উইকেট। চা পানের বিরতির পর ইংল্যান্ডের রান তখন ৮ উইকেটে ২৪২। বৃষ্টি আসায় খেলা বন্ধ থাকে বেশ কিছুক্ষণ। বৃষ্টির পর ইংল্যান্ডের বাকি উইকেট ফেলতে তেমন কোনও বেগ পেতে হল না ভারতকে। অথচ একটা সময় বোঝা যায়নি ইংল্যান্ডের ইনিংস এভাবে গুটিয়ে যাবে। রীতিমতো বাজবল মেজাজে শুরু করেন দুই ওপেনার জ্যাক ক্রলি এবং বেন ডাকেট। ওভার পিছু সাতের কাছাকাছি রান তুলছিলেন দুই ব্যাটারই। ১২.৫ ওভারে ইংল্যান্ডের রান যখন ৯২, আকাশ দীপের বলে সাজঘরে ফেরেন ডাকেট (৪৩)। স্কুপ মারতে গিয়ে উইকেটের পিছনে ক্যাচ দিয়ে আউট হন তিনি। তবে বাংলার পেসার আগ্রাসী সেলিব্রেশন করেননি। বরং হাসিমুখে ইংরেজ ব্যাটারের কাঁধে গিয়ে হাত রাখেন। কিছু একটা বলেনও। যদিও কী কথা বলেছেন জানা যায়নি। তবে অনেকের ধারণা, কাঁধে হাত দিয়ে ডাকেটকে ব্যঙ্গই করেন। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর বলে ব্যক্তিগত ৬৪ রানে ফেরেন ক্রলি। অলি পোপ (২২)-কে লেগ বিফোর করেন সিরাজ। এরপর জো রুট (২৯) যখন আউট হন, তখন ইংল্যান্ডের রান ৪ উইকেটে ১৭৫। যদিও এরপর নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারিয়ে ইংল্যান্ডের ইনিংস শেষ হয় ২৪৭ রানে। সিরাজ পান ৮৬ রানে ৪ উইকেট। প্রসিদ্ধর নামের পাশে ৬২ রানে ৪ উইকেট, আকাশ দীপের শিকার একটি উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে টিম ইন্ডিয়ার ব্যাটারদের ঘুরে দাঁড়ানোর সংকল্প নিয়েই নামতে হবে।
ওভালে পঞ্চম টেস্টে ভারতীয় বোলিংকে কার্যত নাস্তানাবুদ করে দিয়েছেন ইংল্যান্ড ব্যাটাররা। তার মধ্যে প্রথম সাফল্য এনে দেন আকাশ দীপ। বেন ডাকেটকে আউট করেন তিনি। কিন্তু তারপরই বাংলার পেসার যে কাণ্ডটা করলেন, তাতে আশঙ্কা ম্যাচ ফি কাটা যেতে পারে। ইংল্যান্ড পেসারদের সামনে খড়কুটোর মতো উড়ে গিয়ে টিম ইন্ডিয়ার ইনিংস শেষ হল মাত্র ২২৪ রানে। ভারতের শেষ চার উইকেট পড়ল মাত্র ৬ রানে। জবাবে ইংল্যান্ড রীতিমতো ‘বাজবল’ খেলতে শুরু করে। দুই ইংরেজ ওপেনার জ্যাক ক্রলি ও বেন ডাকেট ঝড় তুলে দেন। ১২ ওভারের মধ্যে ৯০ রানে পৌঁছে যায় ইংল্যান্ড। সেখানে ভারতকে প্রথম সাফল্য এনে দেন আকাশ দীপ। ভালো ছন্দেই ছিলেন ডাকেট। কিন্তু আচমকাই স্কুপ মারার চেষ্টা করতে থাকেন। সেই সুযোগ নিতে ভুল করেননি আকাশ দীপ। স্কুপ মারতে গিয়ে উইকেটের পিছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ডাকেট। তবে বাংলার পেসার আগ্রাসী সেলিব্রেশন করেননি। বরং হাসিমুখে ইংরেজ ব্যাটারের কাঁধে গিয়ে হাত রাখেন। কিছু একটা বলেনও। যদিও কী কথা বলেছেন জানা যায়নি। তবে অনেকের ধারণা, কাঁধে হাত দিয়ে ডাকেটকে ব্যঙ্গই করেন। আইসিসির শাস্তির সামনে পড়তে পারেন আকাশ। এর আগে আগ্রাসী আচরণে মহম্মদ সিরাজের ম্যাচ ফি কাটা গিয়েছিল। আকাশ দীপ আগ্রাসী আচরণ করেননি। তবে ডাকেটের সঙ্গে তাঁর কী বার্তালাপ হয়েছে, তার উপর আকাশ দীপের ভবিষ্যৎ নির্ভর করতে পারে। আইসিসির কোড অফ কন্ডাক্টের ২.৫ ধারায় বলা হয়েছে, ‘কোনও আন্তর্জাতিক ম্যাচে ব্যাটারকে আউট করার পর বোলারদের কুকথা বা খারাপ আচরণ যদি অতি আগ্রাসী হয় বা প্রতিপক্ষকে উসকানোর চেষ্টা করা হয়, তবে তা নিয়মভঙ্গের মধ্যে পড়ে।’




