Saturday, July 18, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

কলকাতা লিগের ডার্বি কলকাতার বাইরে!‌‌ প্রিমিয়ার লিগে ১৯ জুলাই মুখোমুখি মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল? জানাল আইএফএ

কলকাতা লিগে মুখোমুখি হচ্ছে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল। ১৯ জুলাই। মোহনবাগান বনাম ইস্টবেঙ্গল। দুই দলের তরুণ ব্রিগেডের লড়াই। প্রথম সারির দল নামাবে না কোনও বড় দলই। তাও বড় ম্যাচ বলে কথা। আবেগ-উত্তেজনা কম নেই। আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত জানান, ১৯ জুলাই কল্যাণী স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে দুই প্রধান। কল্যাণীতে আই লিগ-সহ বহু গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলেছে মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল। ডার্বি হতে চলেছে এই প্রথম। চলতি মরশুমে কলকাতা লিগে অধিকাংশ ম্যাচ হয়েছে দুপুরে। ফ্লাডলাইটে ডার্বি আয়োজন করার চেষ্টা চলছে। ডার্বি শুরু হতে পারে সন্ধ্যা সাড়ে পাঁচটা থেকে। প্রথমে বারাসত স্টেডিয়ামে ম্যাচটি করতে চেয়েছিলেন আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত। বারাসত স্টেডিয়াম এই মাসের মধ্যে সংস্কার কাজ শেষ হবে না বলে জানিয়েছেন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। বিকল্প ভেন্যু হিসেবে কল্যাণীই প্রথম পছন্দ। আইএফএ সচিব কল্যাণী স্টেডিয়ামে পরিদর্শন করে এসেছেন। নিরাপত্তাজনিত কিছু সমস্যা ছিল, সেগুলোরও সুরাহা হয়ে গিয়েছে। কলকাতা লিগে এ গ্রুপে আছে দুই প্রধান। ৪ ম্যাচ খেলে মোহনবাগানের পয়েন্ট ৭। লিগ টেবিলের পঞ্চম স্থানে সবুজ মেরুন। সপ্তম স্থানে থাকা ইস্টবেঙ্গলের পয়েন্ট ৩ ম্যাচে ৫। শেষ ম্যাচে কাস্টমসের বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়েও ২-২ গোলে ড্র করে। জর্জ টেলিগ্রাফের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছে মোহনবাগানও। ডার্বির আগে ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচ ১৫ জুলাই মামণি পাঠচক্রের বিরুদ্ধে। ১৬ জুলাই কালীঘাট মিলন সংঘের মুখোমুখি হবে মোহনবাগান।

সামনেই ডার্বি। তার আগে মঙ্গলবার ইস্টবেঙ্গলের সামনে পাঠচক্র। তিন ম্যাচ খেলা হলেও ইস্টবেঙ্গল রক্ষণ নিয়ে চিন্তিত দলের কোচ বিনো জর্জ। পাঠচক্র ম্যাচকেই ডার্বির ড্রেস রিহার্সাল হিসাবে দেখছে লাল-হলুদ ব্রিগেড। গত ম্যাচে রক্ষণের ফুটবলার সুমন দে কার্ড সমস্যার জন্য খেলতে না পারার পর এই ম্যাচে তিনি ফিরছেন। প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা। কুশ ছেত্রীর বদলে আসতে পারেন জেসিন টিকে। আগের ম্যাচে চোটের জন্য প্রথম একাদশে না থাকলেও দল যখন দু গোলে পিছিয়ে ছিল তখন বিনোকে নিজেই জানিয়েছিলেন তিনি বাকি ম্যাচে মাঠে নামতে চান। সেইমতো পরিবর্ত হিসাবে নামাতেই কাস্টমস ম্যাচে লড়াইতে ফিরেছিল ইস্টবেঙ্গল। মঙ্গলবার চোটের জন্য নেই মনোতোষ মাঝি। তিন ম্যাচ খেলে তিনটেতেই জিতে এই গ্রুপের লিগ টেবিলে শীর্ষে রয়েছে পাঠচক্র। তিন ম্যাচেই একটিও গোল খায়নি পাঠচক্র। মঙ্গলবার বারাকপুর স্টেডিয়ামে সেই ধারাবাহিকতাই বজায় রাখতে মরিয়া পার্থ সেনের ছেলেরা। সোমবার অনুশীলন শেষে ইস্টবেঙ্গল কোচ বিনো জর্জ বলেন, “আমরা ক্লিনশিট রাখতে পারছি না। এই নিয়ে আলোচনা করেছি।” ভূমিপুত্র নিয়মের জন্য ঘরোয়া লিগ যথেষ্টই প্রতিযোগিতামূলক হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাংসদ পার্থ ভৌমিক ও বীজপুরের বিধায়ক সুবোধ অধিকারী এসেছিলেন ইস্টবেঙ্গল অনুশীলনে। বেশ কিছুক্ষণ অনুশীলন দেখেন। সিনিয়র দলের অনুশীলনে বেশ কিছুক্ষণ পিভি বিষ্ণুকে সাইড লাইনে অনুশীলন করতে দেখা যায়। অনুশীলনে উপস্থিত ছিলেন ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার।

এপ্রিল মাসের বকেয়া টাকা ফেডারেশনকে পাঠাল এফএসডিএল। চুক্তিমতো ৫০ কোটি টাকা চারটে কিস্তিতে ফেডারেশনকে দেওয়ার কথা এফএসডিএলের। শর্ত অনুযায়ী গত এপ্রিলে একটা কিস্তি দেওয়ার কথা ছিল। এফএসডিএল সেই কিস্তির টাকা না দেওয়ায় আলোড়ন ভারতীয় ফুটবলে। বকেয়া কিস্তির টাকা পেল ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন। অর্থ সমস্যাতে জাতীয় কোচের পদে ভালো বিদেশি কোচ নেওয়ার সম্ভাবনা নেই। ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের বাজেট ফেডারেশনের কার্যকরী কমিটির সভায় পাশ। সভাপতি কল্যাণ চৌবে মিটিংয়ে জানিয়েছেন, এফএসডিএলের সঙ্গে ডিসেম্বর পর্যন্ত চুক্তি রয়েছে। চুক্তি নতুনভাবে হওয়ার পর জানুয়ারি থেকে ফের বাজেট ঠিক হবে। সেপ্টেম্বরের মধ্যে নতুন কোচ নিতেই হবে। ফেডারেশন সভাপতি কল্যাণ চৌবের দুই পরামর্শদাতা, প্রাক্তন দুই কোচ আর্মান্দো কোলাসো এবং বিমল ঘোষ কল্যাণ চৌবেকে পরামর্শ দিয়েছেন, জাতীয় কোচের পদে ভারতীয় কোচকে বসাতে। প্রথম পছন্দ অবশ্যই খালিদ জামিল।
খালিদকে পছন্দ করার একটাই কারণ, গত চার বছর ধরে দেশের সর্বোচ্চ লিগ, আইএসএলে হেডকোচের পদে রয়েছেন। খালিদ জামিল আর সঞ্জয় সেন ছাড়া আর কোনও ভারতীয় কোচের নাম নেই! পাঁচ বছরে সঞ্জয় সেনের সন্তোষ ট্রফি জেতা ছাড়া কোচ হিসেবে কোনও সাফল্য নেই। আইএসএলে ছিলেন হাবাসের সহকারী হিসেবে। কোনও ক্লাবেও হেডকোচ ছিলেন না। মোহনবাগানের হয়ে আই লিগ জিতেছেন দশ বছর আগে! সন্তোষ ট্রফি জেতা কোচ কীভাবে সিনিয়র জাতীয় দলের কোচ হতে পারেন? ভারতীয় ফুটবল এই মুহূর্তে ১৩৩-এ। সঞ্জয় সেনের হাত ধরে কি ভারতীয় ফুটবল এগোবে? ভারতীয় ফুটবলকে টেনে তুলতে হয়, তাহলে সবারই ইচ্ছে, ভালো বিদেশি কোচের হাতে ভারতীয় ফুটবলকে দিয়ে নতুন করে পরিকল্পনা করা।
বিমল ঘোষ, আর্মান্দো কোলাসোর প্রস্তাবে খালিদ যদি দেশের কোচ হতে রাজি না হতেও পারেন। আর্থিক মন্দার কারণেই সঞ্জয় সেন জাতীয় কোচ?

সদ্য শেষ ক্লাব বিশ্বকাপ। পিএসজিকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে চেলসি। ক্লাব বিশ্বকাপ শেষের পর এক বড় ভবিষ্যদ্বাণী করল এআই। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ২০৬১ সাল পর্যন্ত ক্লাব বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করে দিয়েছে। এআইয়ের করা ভবিষ্যদ্বাণীতে বলা হয়েছে, ২০৫৭ সালের আগে বার্সেলোনা ক্লাব বিশ্বকাপ জিততে পারবে না। আগামী ৩৬ বছরে ক্লাব বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়নের নাম ঘোষণা করেছে এআই। ২০২৯ সালে রিয়াল মাদ্রিদ, ২০৩৩ সালে আল হিলাল, ২০৩৭ সালে বায়ার্ন মিউনিখ, ২০৪১ সালে চেলসি, ২০৪৫ সালে ফ্ল্যামেঙ্গো, ২০৪৯ সালে পিএসজি, ২০৫৩ সালে ক্লাব আমেরিকা, ২০৫৭ সালে বার্সেলোনা, ২০৬১ সালে পালমেইরাস জিতবে। পিএসজি অশ্বমেধের ঘোড়া থামল। চূর্ণবিচুর্ণ ইংল্যান্ডের ক্লাব চেলসির। কপ্যারিস সাঁ জাঁ-র শেষটা ভালো হল না! চেলসি ৩-০ গোলে মাটি ধরাল পিএসজি-কে। প্রথমার্ধেই খেলার ফলাফল হয়ে গিয়েছিল। পিএসজি-র হাত ফস্কে ম্যাচ চলে গিয়েছিল চেলসির সাজঘরে। দ্বিতীয়ার্ধে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারল না পিএসজি। ক্লাব বিশ্বকাপের রং নীল। প্রথমার্ধে জোড়া গোল করেন চেলসি তারকা কোল পালমার। জোয়াও পেদ্রোকে দিয়ে গোল করান তিনি। রাতটা কোল পালমারের। নিউ জার্সির মেট লাইফ স্টেডিয়ামে উপস্থিত ৮১ হাজার দর্শক হতবাক। চেলসির সমর্থকরাও বিস্মিত। তিন গোলে হার। দশ জনে নেমে যাওয়া পিএসজি-র কপালে হেনস্থা। ৮৫ মিনিটে চেলসির লেফট ব্যাক মার্ক কুকুরেয়ার চুল ধরে তাঁকে টেনে ফেলে দেওয়ায় লাল কার্ড দেখেন পিএসজির মিডফিল্ডার জোয়াও নেভেস। ততক্ষণে অবশ্য যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে। হতাশা থেকেই কুকুরেয়াকে চুল টেনে ফেলে দেন নেভেসকে। শুরু থেকেই চেলসি ঝাঁপিয়ে পড়ে পিএসজি-র উপরে। প্রথম ৮ মিনিটের মাথায় পালমার চৈতাবনী দিয়ে যান পিএসজি-র রক্ষণে। ২২ ও ৩০ মিনিটে পালমারের জোড়া গোল গোল একই ধরনের। চেলসির রাইট ব্যাক মালো গুস্তোর কাছ থেকে বল পেয়ে বাঁ পায়ের শটে গোল করেন। এগিয়ে যায় চেলসি। প্রথম গোলের আট মিনিট মিনিট পরেই পালমারের দ্বিতীয় গোল। ডান প্রান্ত দিয়ে দৌড়ে পিএসজির রক্ষণ টলিয়ে পালমার গোল করেন। পিএসজির গোলরক্ষক দোন্নারুম্মা এক্ষেত্রেও বাঁচাতে পারেননি। পোদ্রোর গোলটিও পালমারেরই তৈরি করা। তাঁর ডিফেন্স চেরা পাস ধরে পেদ্রো দোন্নারুম্মাকে পরাস্ত করেন। ক্লাব বিশ্বকাপে নামার আগেই প্যারিস সাঁ জাঁ জেতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, লিগ ওয়ান ও ফ্রেঞ্চ কাপ। পিএসজির সামনে সুযোগ ছিল ক্লাব বিশ্বকাপ জিতে দারুণ সফল ভাবে মরশুম শেষ করার। কিন্তু শেষটা আর রঙিন হল না পিএসজির। চেলসির কাছে প্রথমার্ধেই ম্যাচ হারল প্যারিসের চ্যাম্পিয়ন ক্লাব।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles