Wednesday, July 15, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

বুমরাহর বদলে আকাশ!‌ এজবাস্টনে টেস্ট দেখলেন সস্ত্রীক সৌরভ!‌ টেস্ট অধিনায়ক হিসাবে প্রথম দু’ম্যাচেই টস হেরেও উজ্জ্বল শতরানে শুভমন

ভারত-ইংল্যান্ড টেস্ট দেখতে এজবাস্টনে হাজির সৌরভ। এজবাস্টনে ভারত বনাম ইংল্যান্ড দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচ দেখতে সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়ও। ইংল্যান্ড তাঁর কেরিয়ারের বহু স্মৃতি বিজড়িত জায়গা। এখানেই ১৯৯৬ সালে তাঁর ঐতিহাসিক টেস্ট অভিষেক। ২০০২ সালে এই দেশেই ন্যাটওয়েস্ট ট্রফি জিতে লর্ডসের ব্যালকনিতে জার্সি ঘোরানো সবই ভারতীয় ক্রিকেটে রূপকথা হয়ে রয়েছে। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় হাজির এজবাস্টনে। বেঙ্গল প্রো টি-২০ টুর্নামেন্টে কলকাতায় উদ্বোধনে, ফাইনালে হাজির ছিলেন সৌরভ । টুর্নামেন্ট শেষ হতেই বিলেতে পাড়ি দিয়েছেন সৌরভ। কন্যা সানা এখন লন্ডনেই থাকেন। সেখানেই চাকরি করেন। মেয়ের কাছে মাঝে-মধ্যেই যান সৌরভ ও ডোনা। ৮ জুলাই সৌরভের জন্মদিন। তার আগেই কলকাতায় ফিরবেন সৌরভ। জন্মদিন কাটাবেন শহরেই। টেস্ট ম্যাচের প্রথম দিন চা পানের বিরতির সময় সম্প্রচারকারী চ্যানেলের স্টুডিওতেও হাজির। সঞ্চালক হর্ষ ভোগলে সৌরভকে প্রশ্ন করেন, তিনিও অধিনায়ক হিসাবে ইংল্যান্ডে খেলেছেন, শুভমনও সেই পরীক্ষা দিচ্ছেন, কী মিল খুঁজে পাচ্ছেন? সৌরভ বলেন, ‘‌আমি যখন ইংল্যান্ডে অধিনায়ক হিসাবে এসেছিলাম, ততদিনে অধিনায়ক হিসাবে ২-৩ বছর খেলে ফেলেছিলাম। আর শুভমন অধিনায়ক হিসাবে প্রথম সিরিজই খেলছে ইংল্যান্ডে। ফলে দুজনের পরিস্থিতি আলাদা। আমার হাতে ছিল অনিল কুম্বলে ও হরভজন সিং। বিশ্বের অন্যতম সেরা দুই স্পিনার। ওদের শুরুর দিকে রান আটকানোর কাজেও ব্যবহার করতে পারতাম। আবার ম্যাচ এগনোর সঙ্গে সঙ্গে ওদের উইকেট তোলার কাজেও ব্যবহার করতাম।’‌

পর পর দুই টেস্টে শতরান শুভমনের। এজবাস্টনে দায়িত্বশীল ইনিংসে দলকে টানছেন ভারত অধিনায়ক। ভারত ২৯২/৫। এজবাস্টনে ভারতীয় দলের ইনিংস কার্যত একা হাতে গড়লেন ভারতীয় ক্রিকেটের ‘প্রিন্স’। ভারত ৩১০/৫। ইংল্যান্ড টসে জিতে প্রত্যাশিতভাবেই প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রথম টেস্টের মতোই ভারত আগে ব্যাট করবে। বার্মিংহামের মেঘলা পরিবেশে নতুন বলের সুইং সামলানোটা রীতিমতো চ্যালেঞ্জ কেএল রাহুল, যশস্বী জয়সওয়ালদের জন্য। ভারতীয় দলে তিন পরিবর্তন করেছে ম্যানেজমেন্ট। প্রত্যাশিতভাবেই এই ম্যাচে নেই জশপ্রীত বুমরাহ। টিম ইন্ডিয়ার এক নম্বর পেসারকে সিরিজে মাত্র ৩ ম্যাচে পাওয়া যাবে। প্রথম ম্যাচে খেলানোর পর দ্বিতীয় ম্যাচেও তাঁকে দলে রাখা হবে কিনা সেটা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ছিল। সমর্থক ও প্রাক্তনীদের একটা অংশ চাইছিল, সিরিজে যেহেতু ভারত পিছিয়ে তাই শুক্রবার খেলিয়ে দেওয়া হোক টিম ইন্ডিয়ার ‘ব্রহ্মাস্ত্র’কে। বুমরাহর ওয়ার্কলোডের কথা ভেবে এই টেস্টে তাঁকে বিশ্রাম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ম্যানেজমেন্ট। বুমরাহর জায়গায় খেলবেন আকাশদীপ। চোটের সমস্যায় দীর্ঘদিন ভুগেছেন। অজি সফরের পর চোটের জন্য বাইরে চলে যেতে হয়েছিল। আকাশদীপ পুরোপুরি ফিট। দেশের হয়ে সাত ম্যাচে খেলা আকাশদীপের কাঁধেই বুমরাহর জুতোতে পা গলানোর দায়িত্ব। সাই সুদর্শনের জায়গায় দলে এলেন নীতীশ কুমার রেড্ডি এবং শার্দূল ঠাকুরের জায়গায় ওয়াশিংটন সুন্দর। টিম ইন্ডিয়া দুই স্পিনারের ফর্মুলাতে খেললেও সুযোগ পেলেন না কুলদীপ যাদব। লিডসে পরাজয়ের পর এজবাস্টনে সমতা ফেরানোর লড়াইয়ে নামতে চলেছে টিম ইন্ডিয়া। ম্যাচের পাঁচদিনই কমবেশি আকাশ মেঘলা থাকার সম্ভাবনা। ঢাকা পিচ, নতুন বল এবং মেঘলা আকাশে বল সুইং হওয়ার সম্ভাবনা। সামাল দিতে ভারতের টপ অর্ডার প্রস্তুত। দ্বিতীয় ব্যাট করা দল এজবাস্টনে শেষ চারটি টেস্টের প্রতিটিতেই জিতেছে।

এজবাস্টনে শতরানের থেকে ১৩ রান দূরে আউট। সাজঘরে যশস্বী জয়সওয়াল। হাতছাড়া রাহুল দ্রাবিড় ও বীরেন্দ্র শেহওয়াগের রেকর্ড ভাঙার সুযোগ। সুনীল গাভাসকরকেও অল্পের জন্য টপকে যেতে পারেননি। ৫১ বছরের পুরনো রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন। বার্মিংহামের এজবাস্টনে ভারতীয় ওপেনার হিসেবে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়েছেন যশস্বী জয়সওয়াল। দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনে ভেঙেছেন সুধীর নায়েকের ৫১ বছরের পুরনো রেকর্ড। ১৯৭৪ সালের জুলাইয়ে মাইক ডেনেসের ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১৬৫ বলে ৭৭ রান করেছিলেন সুধীর। ২৩ বছর বয়সি ক্রিকেটার টি সেশনের আগে ১০৭ বলে ৮৭ রানের ইনিংসটি সাজানো ছিল ১৩টি চার দিয়ে। ইংরেজ অধিনায়ক বেন স্টোকস তাঁর উইকেট নেন। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৮৭ রানের ইনিংস খেলেছেন যশস্বী জয়সওয়াল। ১৩ রানের জন্য শতরান হাতছাড়া হলেও একটি নজির গড়েছেন তিনি। তরুণ ওপেনার ব্যাটারের ব্যাটে ভেঙে গিয়েছে ৫১ বছরের পুরনো রেকর্ড। ১৯৭৪ সালে এজবাস্টনে মাইক ডেনেসের ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১৬৫ বলে ৭৭ রানের ইনিংস খেলেছিলেন সুধীর নায়েক। এত দিন পর্যন্ত ইংল্যান্ডের এই মাঠে কোনও ভারতীয় ওপেনিং ব্যাটারের খেলা সর্বোচ্চ রানের ইনিংস ছিল সেটাই। বুধবার ৮৭ রানের ইনিংস খেলে সুধীরের সেই রেকর্ড ভেঙে দিলেন যশস্বী। এজবাস্টনে টেস্ট ম্যাচে ভারতীয় ওপেনারদের সর্বোচ্চ রানের ইনিংসের তালিকায় শীর্ষে উঠে এলেন যশস্বী। দ্বিতীয় স্থানে চলে গেলেন সুধীর। এই তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে ১৯৭৯ সালে সুনীল গাওস্করের ৬৮ রানের ইনিংস। চতুর্থ স্থানে থাকল ২০২২ সালে খেলা চেতেশ্বর পুজারার খেলা ৬৬ রানের ইনিংস। পঞ্চম স্থানে রয়েছে ১৯৭৯ সালের টেস্টেই গাওস্করের ৬১ রান। হেডিংলে টেস্টের প্রথম ইনিংসে শতরান করেছিলেন যশস্বী। দ্বিতীয় টেস্টেও ভাল রান পেলেন। এ বারের ইংল্যান্ড সফরে ভাল ফর্মে রয়েছেন ২৩ বছরের ব্যাটার। বুধবার টেস্ট ক্রিকেটে ১১তম অর্ধশতরান করলেন তিনি। লাল বলের ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চতুর্থ অর্ধশতরান করলেন।এজবাস্টনে সর্বোচ্চ রান করা ভারতীয় ওপেনাররা হলেন যশস্বী জয়সওয়াল ৮৭(চলতি টেস্ট),সুধীর নায়েক ৭৭ (১৯৭৪), সুনীল গাভাসকর ৬৮ (১৯৭৯), চেতেশ্বর পূজারা ৬৬ (২০২২)‌‌,সুনীল গাভাসকর ৬১ (১৯৭৯)। দ্বিতীয় টেস্টে আর ৯৭ রান করলেই দ্রুততম ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে ২০০০ রান করে ফেলবেন যশস্বী। রেকর্ড ১৯৭৬ সালে গড়েছিলেন সুনীল গাভাসকর, ২০০০ রান করেছিলেন ২৩টি টেস্টে। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে ১০ রান করলে তার রেকর্ডের সমান করার সুযোগ এখনও রয়েছে। পিছনে রয়েছেন রাহুল দ্রাবিড় ও বীরেন্দ্র শেহওয়াগ, দুজনেই ২৫টি টেস্টে ২০০০ রান করেছিলেন। ইনিংসের ক্ষেত্রেও দুই তারকা ক্রিকেটারকে স্পর্শ করার সুযোগ থাকছে যশস্বীর কাছে। দু’জনেই ৪০ ইনিংসে ২০০০ রান করেছিলেন। যশস্বী খেলেছেন ৩৯টি ইনিংস। ভারত ৪ উইকেটে ২০০ পার করে বড় ইনিংসের পথে। উজ্জ্বল শুভমান গিল। রীতিমতো ধৈর্যের পরীক্ষা দিয়ে হাফসেঞ্চুরি করেছেন ভারত অধিনায়ক। ব্যর্থ ঋষভ পন্থ ২৫ রান করেন।

গৌতম গম্ভীর এজবাস্টনে দ্বিতীয় টেস্টে দলে তিন জন অলরাউন্ডার নামান। ক্রিকেটে অলরাউন্ডারের গুরুত্ব অনেক বেশি এক দিন ও টি-টোয়েন্টিতে। টেস্ট বিশেষজ্ঞদের খেলা। শেষ ন’টা টেস্টে মাত্র একটা জিতেছে তারা। এজবাস্টনে দ্বিতীয় টেস্টে জসপ্রীত বুমরাহকে খেলায়নি ভারত। নেওয়া হয়নি কুলদীপ যাদবকেও। ভারতের এই দল নিয়ে প্রশ্ন। নিশানায় দলের কোচ গম্ভীর ও অধিনায়ক শুভমন গিল। চোট সারিয়ে ফেরা বুমরাহ জানিয়ে দিয়েছিলেন, ইংল্যান্ডে পাঁচ টেস্টের মধ্যে তিনটে তিনি খেলবেন। কোন তিনটে টেস্ট তা ঠিক করেননি। হেডিংলেতে হেরে ০-১ পিছিয়ে ভারত। এজবাস্টনে বুমরাহকে খেলানো উচিত ছিল। বুমরাহ যে এই টেস্ট খেলতে তৈরি তা জানিয়ে দিয়েছিলেন ভারতের সহকারী কোচ রায়ান টেন দুশখাতে। তার পরেও ভারত বুমরাহকে খেলাল না। টসের পর অধিনায়ক শুভমন জানিয়েছেন, তাঁদের মনে হয়েছে লর্ডসে তৃতীয় টেস্টে পিচ থেকে বেশি সাহায্য পাবেন বুমরাহ। লর্ডসে যাওয়ার আগে যদি ভারত ০-২ পিছিয়ে পড়ে, তা হলে বুমরাহ তৃতীয় টেস্টে একা সিরিজ জিততে হলে বাকি তিনটে টেস্টই জিততে হবে। ভারতের প্রাক্তন কোচ রবি শাস্ত্রী বলেন, “এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। এক সপ্তাহ ছুটি পেয়েছে দল। বুমরাহকে না দেখে আমি একটু অবাক হচ্ছিল। কোন টেস্টে কে খেলবে তা ক্রিকেটারেরা ঠিক করবে না। এটা কোচ ও অধিনায়কের কাজ। এই টেস্টে সবচেয়ে বেশি দরকার ছিল বুমহারকে। আগে এটা খেলে জেতো। সিরিজ ১-১ করো। তার পর তো লর্ডসের ভাবনা। আমি নিশ্চিত, যদি ভারত এটা জিতত তা হলে বুমরাহ লর্ডসেও খেলত। ভারতের গত এক বছর টেস্টে খুব খারাপ গিয়েছে। ঘরের মাঠে নিউ জ়িল্যান্ডের কাছে তিনটে টেস্ট হেরেছে। তার পর অস্ট্রেলিয়ার কাছে তিনটে টেস্ট হেরেছে। ইংল্যান্ডের কাছেও প্রথম টেস্ট হেরেছে। জয়ে ফিরতে গেলে বিশ্বের সেরা বোলারকে তো খেলাকে হবে। সাত দিন বিশ্রাম পাওয়ার পরেও বুমরাহকে খেলানো হল না। এই সিদ্ধান্তে আমি অবাক হচ্ছি।” এই টেস্টে বুমরাহ ও কুলদীপকে ভারতের খেলানো উচিক ছিল বলে মনে করেন অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ বলেন, “বুমরাহ ফিট থাকলে বিশ্বের সেরা বোলারকে তো নিতেই হবে। অন্তত কুলদীপকে খেলাতে হত। ২০টা উইকেট তো নিতে হবে। বুমরাহের পর ভারতের হাতে সবচেয়ে বড় অস্ত্র কুলদীপ। কিন্তু দু’জনেই নেই।” গম্ভীরের অলরাউন্ডারের প্রতি ভালবাসা অবাক অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন অধিনায়ক ও কোচ টম মুডি বলেন, “ভারতের দল নির্বাচন দেখে অবাক হচ্ছি। বুমরাহ নেই। মাত্র পাঁচ বিশেষজ্ঞ ব্যাটার খেলছে। এটা তো জুয়ো খেলা। অলরাউন্ডারদের প্রতি নির্ভরতা টেস্টে কখনও কাজে লাগে না। টেস্ট বিশেষজ্ঞদের খেলা।” ভারতের কোচ হওয়ার পর থেকে লাল বলের ক্রিকেটে গম্ভীর চাপে। বাংলাদেশ ছাড়া কোনও দলকে হারাতে পারেননি। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠতে পারেনি দল। দল নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। নিশানায় গম্ভীর।

মহম্মদ শামি কি গৌতম গম্ভীরের পরিকল্পনায় নেই? বাংলার জোরে বোলার সম্পর্কে ভারতীয় দলের কোচের মন্তব্য ঘিরে তৈরি হয়েছে জল্পনা। গম্ভীর বলেছেন, দু’বছর শামিকে সাজঘরে দেখতে পাননি তিনি। গম্ভীর বলেন, ‘‘ও বলে, দু’বছর হয়ে গেল জামাইবাবু (সামি) ঘরে আসেনি।’’ গম্ভীরও হাসতে হাসতে মন্তব্য করেছেন। সামি সম্পর্কে গম্ভীরের মন্তব্য নিয়ে তৈরি হয়েছে জল্পনা। ২০২৩ সালের এক দিনের বিশ্বকাপ খেলার সময় চোট পেয়েছিলেন শামি। অস্ত্রোপচার করিয়ে দীর্ঘ দিন পর গত বছর ঘরোয়া মরসুমে খেলায় ফেরেন। ভারতীয় দলে ফেরেন গত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগে। প্রায় দু’বছর টেস্ট ক্রিকেট খেলেননি শামি। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ়েও দলে রাখা হয়নি বাংলার বোলারকে। খোরপোশের মামলায় কলকাতা হাই কোর্টে স্বস্তি পেয়ে হাসিন জাহান প্রাক্তন স্বামী মহম্মদ সামির বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন। জাহানের অভিযোগ, শামিই তাঁকে গৃহবধূ হয়ে থাকতে বাধ্য করেছিলেন। রোজগারের পথ বন্ধ করে দিয়েছিলেন। আদালতের রায়ে খুশি জাহান বলেন, ‘‘বিয়ের আগে মডেলিং করতাম। অভিনয় করতাম। শামি আমাকে কাজ বন্ধ করতে বাধ্য করেছিল। গৃহবধূ হিসাবে জীবনযাপন করতে বাধ্য করেছিল। ওকে খুব ভালবাসতাম। তাই খুশি মনে মেনে নিয়েছিলাম।’’ বাংলার জোরে বোলারের প্রাক্তন স্ত্রী আরও বলেছেন, ‘‘এখন আমার কোনও রোজগার নেই। আমাদের সব খরচের দায়িত্ব শামিকেই নিতে হবে। কিন্তু ও খোরপোশের টাকা দিতে অস্বীকার করেছিল। সে জন্যই আমাকে আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছিল। ঈশ্বরকে অনেক ধন্যবাদ। আমাদের দেশে এখনও আইন আছে, যা সকলকে নিজের নিজের দায়িত্ব মনে করিয়ে দেয়। কোনও সম্পর্ক শুরুর সময় সব কিছু বোঝা সম্ভব নয়। কারও মুখে লেখা থাকে না, সে কেমন মানুষ বা তার চরিত্র কেমন। তার মনে অপরাধপ্রবণতা থাকলেও বোঝা যায় না। আমার এবং সন্তানের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করে দেওয়া হয়েছে। আমি ভুক্তভূগী। সামি নিজের সন্তানেরও সুখ, সুন্দর ভবিষ্যৎ দেখতে চায় না। আমার জীবন নষ্ট করতে চায়। কিন্তু পারবে না। কারণ আমি সত্যের পথে আছি। শামি অন্যায়ের পথে রয়েছে।’’ কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অজয় কুমার মুখোপাধ্যায় মাসে মোট ৪ লক্ষ টাকা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ভারতীয় দলের ক্রিকেটারকে। ভরণপোষণ বাবদ প্রাক্তন স্ত্রীকে মাসে দেড় লাখ টাকা দিতে হবে সামিকে। মেয়ের জন্য মাসে দিতে হবে আরও আড়াই লাখ টাকা করে। চাইলে মেয়ের পড়াশোনা বা অন্য প্রয়োজনে আরও টাকা খরচ করতে পারবেন ভারতীয় দলের ক্রিকেটার।

এজবাস্টনে ভারত-ইংল্যান্ড দ্বিতীয় টেস্টের মাঝেই সুখবর পেলেন ঋষভ পন্থ। হেডিংলেতে প্রথম টেস্টে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুই ইনিংসেই শতরান করেছেন ঋষভ পন্থ। ভাল খেলার পুরস্কার পেয়েছেন ভারতের উইকেটরক্ষক-ব্যাটার। আইসিসি-র টেস্ট ব্যাটারদের ক্রমতালিকায় উপরে উঠে নতুন ক্রমতালিকায় পন্থ রয়েছেন ছ’নম্বরে। এর আগে সাত নম্বরে ছিলেন। হেডিংলেতে জোড়া শতরানে রেটিং বেড়ে ৮০১। এটাই টেস্টে পন্থের সেরা রেটিং। দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে অবশ্য রান পাননি পন্থ। ২৫ রান করে শোয়েব বশিরের বলে আউট হন। পন্থ উপরে ওঠায় এক ধাপ নীচে নেমেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট অধিনায়ক টেম্বা বাভুমার রেটিং ৭৯৮। তালিকায় সকলের উপরে ইংল্যান্ডের জো রুট। তাঁর রেটিং ৮৮৯। অর্থাৎ, পন্থের থেকে ৮৮ পয়েন্ট বেশি রুটের। দ্বিতীয় স্থানে ইংল্যান্ডেরই হ্যারি ব্রুক। তাঁর রেটিং ৮৭৪। তিন নম্বরে রয়েছেন কেন উইলিয়ামসন। নিউ জ়িল্যান্ডের ক্রিকেটারের রেটিং ৮৬৭। চার নম্বরে রয়েছেন ভারতের যশস্বী জয়সওয়াল। তিনিও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে শতরান করেছেন। দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে করেছেন ৮৭ রান। যশস্বীর রেটিং ৮৫১। পঞ্চম স্থানে অস্ট্রেলিয়ার স্টিভ স্মিথ। তাঁর রেটিং ৮১৬। স্মিথের পরেই রয়েছেন পন্থ। টেস্টে বোলারদের ক্রমতালিকায় শীর্ষে ভারতের জসপ্রীত বুমরাহর রেটিং ৯০৭। প্রথম দশে ভারতের আর কেউ নেই। অলরাউন্ডারদের তালিকাতেও শীর্ষে এক ভারতীয় ক্রিকেটারই। ৩৭৬ রেটিং নিয়ে সকলের উপরে রবীন্দ্র জাডেজা। প্রথম দশে আর কোনও ভারতীয় অলরাউন্ডার নেই।

ভারতের প্রথম একাদশ:
যশস্বী জয়সওয়াল, কে এল রাহুল, করুণ নায়ার, শুভমান গিল (অধিনায়ক), ঋষভ পন্থ, নীতীশ কুমার রেড্ডি, রবীন্দ্র জাদেজা, ওয়াশিংটন সুন্দর, আকাশদীপ, মহম্মদ সিরাজ, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ
‌‌

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles