পাঞ্জাব কিংস: ১৫৭/৬ প্রভসিমরন ৩৩, শশাঙ্ক সিং ৩১, ক্রুণাল ২/২৫, সুয়শ ২/২৬ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু: ১৫৯/৩ বিরাট ৭৩, দেবদূত ৬১, অর্শদীপ সিং ১/২৬, হরপ্রীত ব্রার ১/২৭
৭ উইকেটে জয়ী আরসিবি
পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে বেঙ্গালুরুর ৭ উইকেটে জয়। ঘরের মাঠে পাঞ্জাব কিংসের কাছে হেরেছিলেন বিরাট কোহলিরা। মধুর বদলা বেঙ্গালুরুর। কোহলি ফিনিশার। বিরাট ব্যাটে ভর করে ৭ উইকেটে ম্যাচ জেতে রজত পাতিদারের দল। টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন আরসিবি অধিনায়ক রজত পাতিদার। শুরুটা ভালোই করেন পাঞ্জাবের দুই ওপেনার। প্রভসিমরন সিং আক্রমণাত্মক মেজাজে। সঙ্গে প্রিয়াংশ আর্যও। ক্রুণাল পাণ্ডিয়ার বলে ১৫ বলে ২২ রানে সাজঘরে ফেরেন প্রিয়াংশ। প্রভসিমরনও ফেরেন ক্রুণালের বলে ১৭ বলে ৩৩ রানে। উইকেটও হারাতে থাকে প্রীতি জিন্টার দল। ফর্মে থাকা শ্রেয়স আইয়ার ৬, নেহাল ওয়াধেরা ৫, জশ ইংলিশ ২৯, মার্কাস স্টয়নিস ১, শশাঙ্ক সিং ৩১ রান করেন। পাঞ্জাব স্কোরবোর্ডে ১৫৭ রান। বেঙ্গালুরুর হয়ে ক্রুণাল পাণ্ডিয়া এবং সুয়শ শর্মা নেন ২টি করে উইকেট। রোমারিও শেফার্ড নেন ১ উইকেট। ওয়াধেরাকে অনবদ্য রানআউট করে বিরাট কোহলিকে ট্রেড মার্ক স্টাইলে উচ্ছ্বাস। ১৫৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ফিল সল্টের ১ উইকেট হারায় আরসিবি। এরপর বিরাট কোহলি ধামাকা। দেবদূত পড়িক্কল ৩৫ বলে ৬১। হরপ্রীত ব্রারের বলে সাজঘরে ফেরেন। আরসিবি’র রান ১০৯, সৌজন্যে কোহলি দেবদূতের ১০৩ রানের পার্টনারশিপ। আইপিএলে সর্বাধিক ৫০-এর বেশি রানের রেকর্ড গড়েন বিরাট কোহলি। ৭৩ রানে অপরাজিত দক্ষ ফিনিশার ‘কিং’।

তারকা ব্যাটসম্যান বিরাট কোহলি ব্যাট হাতে দুরন্ত পারফরম্যান্স করলেও, বিতর্কে জড়িয়েছেন। ম্যাচ চলাকালীন মাঠের মধ্যে কোহলি দলের অধিনায়ক রজত পাতিদারকে খুব খারাপ ভাবে তিরস্কার করেন। আরসিবি ম্যাচ জেতার ঠিক আগে কোহলির সঙ্গে ক্রিজে ছিলেন দলের অধিনায়ক রজত পাতিদার। তখন দু’জনের মধ্যে একটি ভুল বোঝাবুঝি হতে দেখা যায়, যে কারণে বিরাট কোহলি রেগে রজতকে খারাপ ভাবে তিরস্কৃত করেন। বেঙ্গালুরুর ইনিংসের ১৬তম ওভারের ঘটনা। আর্শদীপ সিংয়ের ওভারের চতুর্থ বলে কোহলি ডিপ স্কোয়ার লেগের দিকে একটি পুল শট খেলেন। দু’জনেই দ্রুত একটি রান নেন, ফিল্ডার বলটি সঠিক ভাবে ধরতে না পারার ফলে কোহলি দ্বিতীয় রানের জন্য দৌড়ন। অর্ধেক পিচ পার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দেখেন, পাতিদার অন্য প্রান্ত ছাড়েননি। ফিল্ডারের থ্রো স্টাম্প থেকে অনেক দূরে ছিল এবং পাতিদার অবশেষে দ্বিতীয় রানের জন্য দৌড়ে যান। রান আউট হওয়ার হাত থেকেও বেঁচে যান এবং অবশেষে বেঙ্গালুরু ২ রান পায়। কিন্তু ২ রান হওয়ার পরেই বিরাট কোহলি খুব রেগে যান এবং সরাসরি পাতিদারের দিকে মুখ করে তাঁর উপর রাগ উগরে দিতে শুরু করেন। পাতিদারদের দিকে চিৎকার করে কোহলি বলেন, ‘এটা আমার কল ছিল।’ কোহলি পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে দ্বিতীয় রানের জন্য আবেদন, পাতিদারের প্রস্তুত থাকা উচিত ছিল। পাতিদারও সাফাই দেওয়ার চেষ্টা করলেও কোহলি শুনতে চাননি। আরসিবি অধিনায়ক রজত পাতিদার মাত্র ১২ রানে যুজবেন্দ্র চাহালের বলে আউট। পাঞ্জাব কিংসকে হারায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। প্রথমে ব্যাট করে পাঞ্জাব ৬ উইকেটে ১৫৭ রান করে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৩ রান ১৭ বলে করেন প্রভসিমরন সিং। ৩৩ বলে অপরাজিত ৩১ করেন শশাঙ্ক সিং। রান তাড়া করতে নেমে ৭ বল বাকি থাকতেই ৭ উইকেটে জয় ছিনিয়ে নেয় আরসিবি। বিরাট কোহলি ৫৪ বলে ৭৩ করে অপরাজিত, দেবদত্ত পাডিক্কাল ৩৫ বলে ৬১ করেন। জয়ী বিরাটের বেঙ্গালুরু

চেন্নাই সুপার কিংস: ১৭৬/৫ (জাদেজা ৫৩, শিবম ৫০, বুমরাহ ২৫/২)
মুম্বই ইন্ডিয়ান্স: ১৭৭/১ (রোহিত ৭৬, সূর্য ৬৮, জাদেজা ৩৮/১)
৯ উইকেটে জয়ী মুম্বই ইন্ডিয়ান্স।
রবিবারের দ্বিতীয় ম্যাচে মুম্বইয়ের কাছে হেরে ধোনির চেন্নাইয়ের কার্যত বিদায়? প্লে-অফে যেতে হলে বাকি সব ম্যাচে জিততে হবে! এই পরিস্থিতিতে বেশ চাপে সিএসকি। কার্যত অসম্ভব বললেও ভুল হবে না। আইপিএলে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রোহিত। আইপিএলে ধাওয়ানের রান ৬৭৬৯। রোহিতের রান ৬৭৮৬। তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন বিরাট কোহলি আইপিএলে এখনও পর্যন্ত করেছেন ৮৩২৬ রান। চতুর্থ স্থানে রয়েছেন ডেভিড ওয়ার্নার। অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন ওপেনার আইপিএলে করেছেন ৬৫৬৫ রান। তালিকায় পঞ্চম স্থানে সুরেশ রায়না। ভারতীয় দলের প্রাক্তন অলরাউন্ডারের আইপিএলে সংগ্রহ ৫৫২৮ রান। রোহিত রবিবার পেয়েছেন ম্যাচের সেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার। আইপিএলে এই নিয়ে ২০ বার ‘ম্যান অফ দ্য ম্যাচ’র পুরস্কার পেলেন। ভারতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে এত বার কেউ ম্যাচের সেরা হননি। এই তালিকায় রোহিতের পর রয়েছেন কোহলি। তিনি ১৯ বার ম্যাচের সেরা হয়েছেন। তৃতীয় স্থানে আছেন মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। ১৮ বার ম্যাচের সেরা ক্রিকেটার হয়েছেন মাহি। তবে আইপিএলে ম্যাচের সেরা ক্রিকেটার হওয়ার রেকর্ড রয়েছে এবি ডি’ভিলিয়ার্সের দখলে। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন ক্রিকেটার মোট ২৫ বার ম্যাচের সেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন ক্রিস গেল। ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের প্রাক্তন ক্রিকেটার ২২ বার ‘ম্যান অফ দ্য ম্যাচ’ হয়েছেন। তাঁর পর রয়েছেন রোহিত।
আট ম্যাচে দুই জয়, ছয় হার। চার পয়েন্ট নিয়ে তালিকায় সবার শেষে। মুম্বইয়ের কাছে হারের পর চেন্নাইকে প্লে-অফে যেতে হলে বাকি সব ম্যাচে জিততে হবে। চেন্নাই অধিনায়ক মহেন্দ্র সিংহ ধোনি জানেন কাজটা কঠিন। পরের আইপিএল মাথায়। হিটম্যান রোহিত। আইপিএলে জয়ের হ্যাটট্রিক মুম্বইয়ের। আরও আঁধারে ধোনির চেন্নাই। ‘ফর্ম ইজ টেম্পোরারি, বাট ক্লাস ইজ পার্মানেন্ট’। বোঝালেন রোহিত শর্মা। আইপিএল ২০২৫-এর ৩৮তম ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ফের স্বমহিমায় হিটম্যান। ৩৩৯ দিন পর তিনি হাফসেঞ্চুরি করেন। সেই সঙ্গে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সও ফিরল নিজের ছন্দে। রোহিতের বিধ্বংসী ইনিংসে চেন্নাইকে ৯ উইকেটে হারাল মুম্বই। যোগ্য সঙ্গ দিলেন সূর্যকুমার যাদব। ৩৩ বলে হাফসেঞ্চুরি পূরণ করেন রোহিত। ৪৫ বলে অপরাজিত ৭৬ রান করেন। রোহিতের ইনিংসে ছিল ৬টি ছক্কা, ৪টি চার। সূর্য অপরাজিত থাকেন ৩০ বলে ৬৮ রানে ৫টি ছয়, ৬টি চার মারেন। জয়ের হ্যাটট্রিকে যখন হার্দিক পাণ্ডিয়ারা প্লে অফের দিকে। টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মুম্বই অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ডিয়া। রাচীন রবীন্দ্র ফিরলেন মাত্র ৫ রানে। সাইক রশিদের ১৯। ১৭ বছরের আয়ুষ মাত্রেকর অভিষেক। রাজস্থানের ১৪ বছরের বৈভব চমক দেওয়ার পর রুতুরাজের বদলি আয়ুষেরও ১৫ বলে ৩২ রান আর এক চমক। চেন্নাই ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যায় রবীন্দ্র জাদেজা ও শিবম দুবের হাফসেঞ্চুরি। ধোনির ৬ বলে মাত্র ৪ রান। বুমরাহ-স্যান্টনারের দাপটে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৭৬ রান চেন্নাইয়ের ইনিংসের। এরপর শুরু হল হিটম্যানের বিস্ফোরণ। রায়ান রিকেলটনের গড়া শুরুর মঞ্চে রোহিত সুযোগ নিলেন। সূর্যকে পাশে নিয়ে আগুন ঝরাতে শুরু করেন রোহিত। রবীন্দ্র জাদেজাকে আক্রমণ সূর্যর। কিছুটা সামাল দিলেন অশ্বিন। মুম্বই ম্যাচ জিতল ৯ উইকেটে।
নজরকাড়া বৈভব সূর্যবংশী। লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে শনিবার ১৯ এপ্রিল আইপিএলের সর্বকনিষ্ঠ প্লেয়ার হিসেবে অভিষেক হয়েছিল রাজস্থান রয়্যালসের বৈভবের। ১৪ বছরের বৈভব প্রথম ম্যাচেই নজর কেড়েছে। এক দিন পর এবার বৈভবের বন্ধু আয়ুষ মাত্রেরও চেন্নাই সুপার কিংসের জার্সিতে অভিষেক মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে। প্রথম ম্যাচে আয়ুষও নজর কাড়েন। ম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক এমএস ধোনি প্রথম একাদশে ১৭ বছর বয়সী আয়ুষকে সুযোগ দেন রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের পরিবর্ত হিসেবে। অনূর্ধ্ব-১৯ জাতীয় দলে বৈভব সূর্যবংশীর সতীর্থ এবং বন্ধু। ওপেন করতে নেমে রাচিন রবীন্দ্র ৯ বলে ৫ রান করে আউট হন। তিনে নামেন আয়ুষ। ক্রিজে এসে প্রথম বলে এক রান নিলেও, পরের তিন বলে হাঁকান ৪ ৬ ৬। ৪ বলে ১৭ রান।২টি ছক্কা, ৪টি চারের হাত ধরে ১৫ বলে ৩২ করে দীপক চাহারের বলে ক্যাচ আউট হন। অভিষেকের সংক্ষিপ্ত ইনিংসটিই সিএসকে-র অক্সিজেন। সিএসকে-র এদিনের ইনিংসের তৃতীয় সর্বোচ্চ রান। আয়ুষ চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে অভিষেক করা সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড়। ১৭ বছর ২৭৮ দিন বয়সে এই কৃতিত্ব অর্জন করেন। ভেঙেছেন অভিনব মুকুন্দের নজির। ২০০৮ সালে অভিনব মুকুন্দের ১৮ বছর ১৩৯ দিন বয়সে সিএসকে-র হয়ে অভিষেকের রেকর্ড ভেঙে দেন বৈভবের বন্ধু। এসকে-র হয়ে বাউন্ডারি হাঁকানো প্রথম টিনএজ প্লেয়ার। ২০২৪ মরশুমে সমীর রিজি ২০ বছর, ১১১ দিনে বাউন্ডারি মারার ইতিহাসে সিএসকে-র সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় ছিলেন। সেই রেকর্ডও ভেঙে দিয়েছেন আয়ুষ। মাত্রে আইপিএলের ইতিহাসের পঞ্চম সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড়। বৈভব সূর্যবংশী, রিয়ান পরাগ, সরফরাজ খান এবং অভিষেক শর্মার পরে এই তালিকায় স্থানাধিকারী। আয়ুষ মাত্রে মুম্বইয়ের বাসিন্দা। ৬ বছর বয়স থেকেই তিনি ক্রিকেট খেলা শুরু। এখনও পর্যন্ত ৯টি প্রথম শ্রেণীর ম্যাচে দু’টি সেঞ্চুরি এবং একটি অর্ধশতরান। ৭টি লিস্ট এ ম্যাচে ৬৫ গড়ে ৪৫৮ রান। ঘরোয়া ক্রিকেটে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। আইপিএলে ছাপ ফেলতে প্রস্তুত। ডানহাতে ব্যাট করেন এবং ডানহাতে অফব্রেক বল করেন মাত্রে।
সঞ্চালক ইয়ান বিশপের প্রশ্নের উত্তরে ধোনি বলেন, “আমরা সব ম্যাচে জেতার কথা ভাবছিই না। আপাতত একটা ম্যাচ ধরে ধরে এগোতে চাই। বাকি ম্যাচগুলোয় দল পরিবর্তনের বিশেষ সম্ভাবনা নেই। এ বার প্লে-অফে যেতে না পারলেও পরের বছর যাতে সঠিক দল তৈরি করতে পারি, সেই চেষ্টা করব। রান যথেষ্ট কম ছিল। জানতাম যে দ্বিতীয়ার্ধে শিশির পড়বে এবং সেটা ম্যাচে প্রভাব ফেলবে। তা-ও আর একটু বেশি রান তুলতে পারিনি। জসপ্রীত বুমরাহ বিশ্বের অন্যতম সেরা ডেথ বোলার। মুম্বই একটু আগে থেকে ডেথ বোলিং শুরু করেছিল। আমাদেরও উচিত ছিল একটু আগে থেকে চালিয়ে খেলা। আমরা পারিনি। বুমরাহের ওভারগুলোয় আরও বেশি আগ্রাসী হওয়া উচিত ছিল আমাদের। মুম্বই স্পিন খুব ভাল খেলেছে। এ ধরনের ম্যাচে প্রথম ছয় এত বেশি রান দিয়ে ফেললে আর কিছু করার থাকে না। পিচে পড়ে খুব ভাল ভাবে ব্যাটে আসছিল না। রান আটকাতে পারিনি। ভাল ক্রিকেট খেলি বলেই আমরা সফল হয়েছি এত দিন। বেশি আবেগপ্রবণ হলে চলবে না। চেষ্টা করতে হবে যাতে বাকি ম্যাচগুলোয় ঠিকঠাক ক্রিকেট খেলতে পারি এবং স্কোরবোর্ডে যথেষ্ট রান তুলতে পারি। আয়ুষ ভাল খেলেছে। ঠিকঠাক শট খেলেছে। এখনও পর্যন্ত ওর খেলা ভাল করে দেখার সুযোগ পাইনি। আশা করি পরের ম্যাচগুলোতেও সফল হবে।”
চেন্নাই সুপার কিংস একাদশ: শেখ রশিদ, রাচিন রবীন্দ্র, আয়ুষ মাত্রে, রবীন্দ্র জাদেজা, শিবম দুবে, বিজয় শঙ্কর, জেমি ওভারটন, এমএস ধোনি (অধিনায়ক এবং উইকেটরক্ষক), নুর আহমেদ, খলিল আহমেদ, মাথিশা পাথিরানা।
মুম্বই ইন্ডিয়ান্স একাদশ: রায়ান রিকেলটন (উইকেটরক্ষক), উইল জ্যাকস, সূর্যকুমার যাদব, তিলক বর্মা, হার্দিক পান্ডিয়া (অধিনায়ক), নমন ধীর, মিচেল স্যান্টনার, দীপক চাহার, ট্রেন্ট বোল্ট, জাসপ্রীত বুমরাহ, অশ্বিনী কুমার।
রবিবার ২০ এপ্রিল ডাবল হেডার। প্রথম ম্যাচে পাঞ্জাব কিংসকে হারায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। দ্বিতীয় ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসকে গোহারান হারায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স।ম্যাচের পর আইপিএল ২০২৫-এর পয়েন্ট টেবলের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। আইপিএল ২০২৫-এর পয়েন্ট টেবলের সর্বশেষ আপডেট:
১) গুজরাট টাইটান্স ৭ ম্যাচে ৫টি জয়, ২টি হার, ১০ পয়েন্ট (নেট রানরেট +০.৯৮৪)
২) দিল্লি ক্যাপিটালস ৭ ম্যাচে ৫টি জয়, ২টি হার, ১০ পয়েন্ট (নেট রানরেট +০.৫৮৯)
৩) রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ৮ ম্যাচে ৫টি জয়, ৩টি হার, ১০ পয়েন্ট (নেট রানরেট +০.৪৭২)
৪) পাঞ্জাব কিংস ৮ ম্যাচে ৫টি জয়, ৩টি হার, ১০ পয়েন্ট (নেট রানরেট +০.১৭৭)
৫) লখনউ সুপার জায়ান্টস ৮ ম্যাচে ৫টি জয়, ৩টি হার, ১০ পয়েন্ট (নেট রানরেট +০.০৮৮)
৬) মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ৮ ম্যাচে ৪টি জয়, ৪টি হার, ৮ পয়েন্ট (নেট রানরেট +০.৪৮৩)
৭) কলকাতা নাইট রাইডার্স ৭ ম্যাচে ৩টি জয়, ৪টি হার, ৬ পয়েন্ট (নেট রানরেট +০.৫৪৭)
৮) রাজস্থান রয়্যালস ৮ ম্যাচে ২টি জয়, ৬টি হার, ৪ পয়েন্ট (নেট রানরেট -০.৬৩৩)
৯) সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ৭ ম্যাচে ২টি জয়, ৫টি হার, ৪ পয়েন্ট (নেট রানরেট -১.২১৭)
১০) চেন্নাই সুপার কিংস ৮ ম্যাচে ২টি জয়, ৬টি হার, ৪ পয়েন্ট (নেট রানরেট -১.৩৯২)




