এসআইআরের দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই প্রকাশিত হল তৃতীয় তালিকা বের হল। https://voters.eci.gov.in/download-eroll?stateCode=S25 -এই লিঙ্কে ক্লিক করে বিস্তারিত তথ্য দিয়ে নাম আছে কিনা দেখতে পাবেন ভোটাররা। দ্বিতীয় তালিকা প্রকাশ করেছিল কমিশন। মনে করা হচ্ছিল এরপর থেকে প্রতিদিন তালিকা প্রকাশ করা হবে। নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে দেখা যাচ্ছে ২৪ ঘন্টার মধ্যেই তৃতীয় তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সিইও দফতর সূত্রে খবর, এখন থেকে আর শুধু শুক্রবার করেই সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করা হবে এমনটা নয়, জুডিশিয়াল অফিসাররা যখন যেমনভাবে যতটা ই-সাইন করে দেবেন, সেদিনই সেই তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। সেক্ষেত্রে প্রতিদিনও তালিকা বেরোতে পারে আবার একদিন বা দু’দিন অন্তরও প্রকাশ করা হতে পারে। কমিশনের তথ্য বলছে, প্রথম ও দ্বিতীয় অতিরিক্ত ভোটার তালিকা মিলিয়ে মোট ৩১ লক্ষ নাম তোলা হয়েছে। প্রথম তালিকায় ছিল প্রায় ১০ লক্ষ এবং দ্বিতীয় তালিকায় ছিল প্রায় ২১ লক্ষের মতো নাম। তৃতীয় তালিকায় কত নাম বাদ গেছে তা এখনও স্পষ্ট নয়।
নাম বাদ গেলে কী করণীয়?
যাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে, তাঁদের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে কমিশন। প্রতিকারের জন্য ২৩টি জেলার জন্য মোট ১৯টি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি ট্রাইব্যুনালের মাথায় থাকছেন একজন করে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি।
আবেদন পদ্ধতি: অনলাইন ও অফলাইন, দুই মাধ্যমেই আবেদন করা যাবে। অফলাইনের ক্ষেত্রে জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক বা মহকুমাশাসকের দফতরে আবেদন করা যাবে। অনলাইনের ক্ষেত্রে ইসিআই নেট অ্যাপ বা নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট থেকে যথাযোগ্য নথিপত্র দিয়ে আপিল করা সম্ভব।
রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই ট্রাইব্যুনাল অফিসের পরিকাঠামোর ব্যবস্থা করেছে। এই ব্যবস্থাপনার বিস্তারিত রিপোর্ট জমা পড়বে হাইকোর্টে। আদালতের নিযুক্ত পর্যবেক্ষক ওই অফিসগুলি পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ করলে তবেই ট্রাইব্যুনাল কাজ শুরু করবে। সমস্ত আবেদনের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই ট্রাইব্যুনাল বহাল থাকবে। ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হয়। সেইসময় ৬০ লক্ষেরও বেশি নাম ‘বিচারাধীন’ ছিল। এরপর তাঁদের নামের নিষ্পত্তি করে দফায় দফায় অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছিল কমিশন। ২৪ মার্চ প্রথম তালিকা প্রকাশ পায়, এরপর যথাক্রমে ২৭ মার্চ ও ২৮ মার্চ। আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল রাজ্যে দু’দফায় বিধানসভা নির্বাচন হবে। তার আগে সব নামের নিষ্পত্তি হবে কিনা তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে, ফলে বহু মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগ নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, ভোটের একদিন আগে নাম ভোটার তালিকায় জুড়লেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ভোট দিতে পারবেন।
উপযুক্ত নথি রয়েছে এমন ডিলিটেড ভোটারদের কী হবে? কমিশন জানিয়েছিল, অনলাইন ও অফলাইন, দুই মাধ্যমেই আবেদন করা যাবে। অফলাইনের ক্ষেত্রে জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক বা মহকুমাশাসকের দফতরে আবেদন করা যাবে। কোথায় হবে ট্রাইব্যুনালের কাজ, এখনও সিদ্ধান্ত নিতে পারল না কমিশন! ‘ডিলিটেড’ ভোটারদের ভাগ্য ঝুলেই। রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ ২৩ এপ্রিল। তার আগে এসআইআর প্রক্রিয়ায় চূড়ান্ত ভোটার তালিকার পর দুটি অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। আর তথ্য বলছে, খসড়া তালিকার তুলনায় ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার নাম বাদ গেছে চূড়ান্ত তালিকায়। এখন তার সঙ্গে আরও প্রায় ১৪ লক্ষ জুড়লে সংখ্যাটা ৭৭ লক্ষ ছাপিয়ে যাচ্ছে। যাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে, তাঁদের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কারণ প্রতিকারের জন্য ২৩টি জেলার জন্য মোট ১৯টি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। যদিও চিন্তার বিষয় এখানেই। ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হলেও তার কাজ আদতে কোথায় হবে, সেই জায়গাই এখনও পর্যন্ত ঠিক করে উঠতে পারেনি কমিশন। তাই ট্রাইব্যুনালের কাজ কবে থেকে শুরু হবে, তার নিশ্চয়তা নেই।
কমিশন সূত্রে খবর, নিউটাউনে জুডিশিয়াল অ্যাকাডেমি, হিডকোর অফিস এবং সল্টলেক স্টেডিয়াম – এই তিনটি জায়গা দেখতে গেছিলেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। কিন্তু কোনও জায়গাই তাঁদের পছন্দ হয়নি। তাই এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। অন্যদিকে জানা গেছে, জোকাতে একটি কেন্দ্রীয় সরকারের অফিস রয়েছে, ওই অফিসে প্রাথমিকভাবে পছন্দ হয়েছে জুডিশিয়াল অফিসারদের। যদিও সেটি নিয়েও এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
উপযুক্ত নথি রয়েছে এমন ডিলিটেড ভোটারদের কী হবে? কমিশন জানিয়েছিল, অনলাইন ও অফলাইন, দুই মাধ্যমেই আবেদন করা যাবে। অফলাইনের ক্ষেত্রে জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক বা মহকুমাশাসকের দফতরে আবেদন করা যাবে। অনলাইনের ক্ষেত্রে ইসিআই নেট অ্যাপ বা নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট থেকে যথাযোগ্য নথিপত্র দিয়ে আপিল করা সম্ভব। প্রতিটি ট্রাইব্যুনালের মাথায় থাকছেন এক জন করে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। কিন্তু সঠিক সময় এর কাজই যদি শুরু না হয় তাহলে ভোটাধিকার হারানোর আশঙ্কা রয়েছে কয়েক লক্ষ ভোটারের। সুপ্রিম কোর্ট-এর নির্দেশ মেনে অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশের পর যাঁদের নাম বাদ পড়ছে, তাঁদের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। তালিকা থেকে বাদ পড়া ব্যক্তিদের ১৫ দিনের মধ্যে ট্রাইব্যুনালে আবেদন জানাতে হবে। ২৩ মার্চ প্রকাশিত তালিকার ক্ষেত্রে এই সময়সীমা দাঁড়াচ্ছে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত। একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে শুক্রবারের তালিকার ক্ষেত্রেও। অর্থাৎ যে নতুন তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, তাতে যাঁদের নাম থাকবে না, তাঁরা ১১ এপ্রিলের মধ্যে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করতে পারবেন। বিধানসভা ভোটের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ হতে আর মাত্র ২৬ দিন বাকি। তর্কের খাতিরে যদি ধরে নেওয়া যায় যে, চলতি মাসের মধ্যেই ট্রাইব্যুনালের জন্য জায়গা চূড়ান্ত করে নেওয়া হল তাহলে কাজ পুরোদমে শুরু করতে আরও ৬-৭ দিন লেগে যাবে। সেক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করা ভোটারদের নথি যাচাই করে তা অতিরিক্তি তালিকা তুলতে তুলতে আরও বেশ কিছুটা সময় লাগবে কমিশনের। আর ততদিনে প্রথম দফার ভোট হয়ে যাবে। এতএব, বহু সংখ্যক ভোটার ভোটদান করতে পারবেন না বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।
উপযুক্ত নথি রয়েছে এমন ডিলিটেড ভোটারদের কী হবে? কমিশন জানিয়েছিল, অনলাইন ও অফলাইন, দুই মাধ্যমেই আবেদন করা যাবে। অফলাইনের ক্ষেত্রে জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক বা মহকুমাশাসকের দফতরে আবেদন করা যাবে। অনলাইনের ক্ষেত্রে ইসিআই নেট অ্যাপ বা নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট থেকে যথাযোগ্য নথিপত্র দিয়ে আপিল করা সম্ভব। প্রতিটি ট্রাইব্যুনালের মাথায় থাকছেন এক জন করে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। কিন্তু সঠিক সময় এর কাজই যদি শুরু না হয় তাহলে ভোটাধিকার হারানোর আশঙ্কা রয়েছে কয়েক লক্ষ ভোটারের। সুপ্রিম কোর্ট-এর নির্দেশ মেনে অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশের পর যাঁদের নাম বাদ পড়ছে, তাঁদের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। তালিকা থেকে বাদ পড়া ব্যক্তিদের ১৫ দিনের মধ্যে ট্রাইব্যুনালে আবেদন জানাতে হবে। ২৩ মার্চ প্রকাশিত তালিকার ক্ষেত্রে এই সময়সীমা দাঁড়াচ্ছে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত। একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে শুক্রবারের তালিকার ক্ষেত্রেও। অর্থাৎ যে নতুন তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, তাতে যাঁদের নাম থাকবে না, তাঁরা ১১ এপ্রিলের মধ্যে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করতে পারবেন। বিধানসভা ভোটের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ হতে আর মাত্র ২৬ দিন বাকি। তর্কের খাতিরে যদি ধরে নেওয়া যায় যে, চলতি মাসের মধ্যেই ট্রাইব্যুনালের জন্য জায়গা চূড়ান্ত করে নেওয়া হল তাহলে কাজ পুরোদমে শুরু করতে আরও ৬-৭ দিন লেগে যাবে। সেক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করা ভোটারদের নথি যাচাই করে তা অতিরিক্তি তালিকা তুলতে তুলতে আরও বেশ কিছুটা সময় লাগবে কমিশনের। আর ততদিনে প্রথম দফার ভোট হয়ে যাবে। এতএব, বহু সংখ্যক ভোটার ভোটদান করতে পারবেন না বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।
পশ্চিমবঙ্গের চতুর্থ ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত তিন দফায় অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হল। তবে নিষ্পত্তি হওয়া কত জন ভোটারের নাম এই তৃতীয় অতিরিক্ত তালিকায় রয়েছে, তা আলাদা ভাবে প্রকাশ্যে আনেনি কমিশন। ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের চূড়ান্ত ভোটার তালিকার প্রাথমিক অংশ প্রকাশ করেছিল কমিশন। এর পর গত ২৩ মার্চ প্রথম অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করে তারা। শুক্রবার গভীর রাতে প্রকাশিত হয় দ্বিতীয় অতিরিক্ত তালিকাও। এ বার তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তৃতীয় অতিরিক্ত তালিকাও প্রকাশ করে ফেলল কমিশন। ২৩ মার্চ বিবেচনাধীন ভোটারদের প্রথম অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ হয়। কমিশন জানায়, সে দিনের তালিকায় ২৭ লক্ষের কাছাকাছি নাম প্রকাশ করা হয়েছিল। দ্বিতীয় অতিরিক্ত তালিকার সময়ে নিষ্পত্তি হয়েছিল প্রায় ৩৭ লক্ষের নাম। কমিশন সূত্রে খবর, শনিবার পর্যন্ত নিষ্পত্তি হয়েছে প্রায় ৩৮ লক্ষ ভোটারের তথ্য। যাঁদের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে, তাঁদের মধ্যে কত জনের নাম বৈধ ভোটার হিসাবে জুড়েছে এবং কত জন বাদ পড়েছেন, তা আলাদা ভাবে প্রকাশ্যে আনেনি কমিশন। ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছিল কমিশন। তখন বিবেচনাধীন ভোটার ছিলেন ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫। এই তালিকা ৭০৫ জন বিচারক নিষ্পত্তি করছেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে নিষ্পত্তি হওয়া তালিকা ধাপে ধাপে বার করার কথা জানিয়েছে কমিশন। সেই অনুযায়ী সোমবার রাতে প্রথম অতিরিক্ত তালিকা বার হয়। এসআইআর শুরু হওয়ার আগে ভোটারের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। খসড়া তালিকায় বাদ পড়েছিল ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৯ নাম। সেই তালিকায় নাম ছিল ৭ কোটি ৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৬৩০ জনের। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজ্যে ‘চূড়ান্ত ভোটার তালিকা’ প্রকাশিত হয়। সেই তালিকায় বাদ পড়ে আরও ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের নাম। সব মিলিয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যে বাদের হিসাব দাঁড়ায় ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২।





