স্কোর বোর্ডে আরও বড় রান তোলার ভিত ইতিমধ্যেই গড়ে ফেলেছে জম্মু ও কাশ্মীর। রাহুলদের ম্যাচে ফিরতে গেলে দ্বিতীয় দিনের সকালে দ্রুত উইকেট তুলে নিতে হবে। ১৯৫৯ সালে রনজিতে অভিষেক ঘটেছিল তাদের। ৬৭ বছর ধরে ক্রিকেট খেলছে জম্মু-কাশ্মীর। বাংলাকে হারিয়ে প্রথমবার তারা রনজি ফাইনালে। খেতাব থেকে মাত্র একধাপ দূরে দাঁড়িয়ে কর্নাটকের বিরুদ্ধে প্রথম দিনের শেষে চালকের আসনে আকিব নবি, আবদুল সামাদরা। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দিনের শেষে জম্মু-কাশ্মীর ২ উইকেটে ২৮৪। ২০১৪-১৫ মরশুমে শেষবার রনজি চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল কর্নাটক। কেএল রাহুল এবং দেবদত্ত পাড়িক্কলের সৌজন্যে ১১ বছর পর আবার ফাইনালে পৌঁছেছে তারা। ১৪ বার রনজি ফাইনাল খেলা কর্নাটক কিন্তু প্রথম দিনের শেষে যথেষ্ট চাপে। রাজনগরের ডি আর বেন্দ্রে ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন জম্মু-কাশ্মীর অধিনায়ক পরশ ডোগরা। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর বলে কামরান ইকবালের (৬) উইকেট খোয়ায় জম্মু-কাশ্মীর। এর পর উইকেটে থিতু হয়ে যান ইয়াওয়ের হাসান খান এবং শুভম সিং পুন্ডির। মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে যাওয়ার সময় তাদের স্কোর ছিল ৩৪ ওভারে ১ উইকেটে ১০৪ রান। দ্বিতীয় সেশনে ১৫০ বলে ৮৮ রানের লড়াকু ইনিংস খেলে কৃষ্ণের বলে বিদায় নেন ইয়াওয়ের। জুটিতে ওঠে ১৩৯ রান। অধিনায়ক পরশ ৯ রানে অবসৃত হওয়ার পর আবদুল সামাদ রুখে দাঁড়ান। শেষ পর্যন্ত ১১৭ রানে অপরাজিত থাকে শুভম। ২২১ বলের এই ইনিংসটি সাজানো ১৩টি চার, ২টি ছক্কা দিয়ে। ৫২ রানে অপরাজিত আবদুল সামাদ। স্কোর বোর্ডে আরও বড় রান তোলার ভিত ইতিমধ্যেই গড়ে ফেলেছে জম্মু ও কাশ্মীর।





